সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাণিজ্য সময়
৫ টা ৩০ মিঃ, ৮ এপ্রিল, ২০২০

করোনা সংক্রমণ শঙ্কায় ব্যাংক কর্মীরা

ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন অথবা জমা দেয়া, নোট আসল নাকি নকল তা যাচাইয়ে হ্যান্ড গ্লাভসের ব্যবহার প্রায় অসম্ভব। তাই গ্লাভস ছাড়াই টাকা গুনতে হচ্ছে ব্যাংক কর্মকর্তাকে। এতে প্রত্যেকেই থেকে যাচ্ছেন করোনাভাইরাস সংক্রমণের শঙ্কায়।
ওয়েব ডেস্ক

অবশ্য চালু থাকা সব ব্যাংক পুরোপুরি বন্ধের পক্ষে বিপক্ষে কর্মকর্তাদের রয়েছে নানা মত। যদিও শতভাগ গ্রাহক অনলাইন ব্যাংকিংয়ের আওতায় না আসায় সীমিত আকারে হলেও শাখাগুলো চালু রাখার পক্ষে অর্থনীতিবিদরা।

করোনা আতঙ্কে স্থবির পৃথিবী, মানবসভ্যতা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশও। সম্ভাব্য সব ধরনের সংক্রমণের রাস্তা বন্ধ করতে নেয়া হয়েছে নানা ব্যবস্থা।

এর মধ্যেই জরুরি সেবার অংশ হিসেবে রাজধানীসহ সারা দেশেই খোলা রয়েছে সরকারি বেসরকারি ব্যাংকগুলোর নির্দিষ্ট কিছু শাখা। আর এখানেই ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় গ্রাহকরা। স্বস্তিতে নেই ব্যাংক কর্মকর্তারাও। যদিও ব্যাংকগুলোতে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আরোপ করা হয়েছে কড়াকড়ি।

এমন পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রিত ব্যাংকিং কার্যক্রম চালানোর পক্ষে নন ব্যাংক কর্মকর্তাদের কেউ কেউ, তবে রয়েছে ভিন্নমতও।

ঢাকার এক ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, ক্যাশে যারা কাজ করছেন তারা টাকাটা পরীক্ষা করার পর হ্যান্ডস্যানিটাইজার ব্যবহার করেন। কিন্তু শতভাগ সুরক্ষা দেয়া সম্ভব না।

এদিকে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রমের সীমাবদ্ধতার কারণেই স্বাভাবিক ব্যাংকিং চালু রাখতে হবে।

অর্থনীতিবিদ নাজনীন আহমেদ বলেন, অনলাইন ব্যাংকিং সেবা নেন এমন মানুষের সংখ্যা কম। তাছাড়া এখন যে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তা কিন্তু ব্যাংকিং থেকে হচ্ছে।

দেশজুড়ে নতুন করে বাড়ানো সাধারণ ছুটির মধ্যে, শুক্র শনিবার বাদে সপ্তাহের অন্যদিনগুলোতে সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত আর্থিক লেনদেনের সুযোগ পাচ্ছেন গ্রাহকরা।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়