সময় সংবাদ
আপডেট
০৭-০৩-২০২০, ২০:২২

বাঙালি জাতির ইশতেহার যে ভাষণ

বাঙালি জাতির ইশতেহার যে ভাষণ
কোনো ভাষণ কি একটি জাতির ইশতেহার হয়ে উঠতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা জাতিসমূহের মধ্যে কি এ রকম নজির আছে যে, একটি ভাষণ হয়ে উঠেছে তাদের ইশতেহার? প্রশ্নগুলো যতটা সহজ, উত্তর ততটাই গোলমেলে এবং হ্যাঁ বা না-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার নয়। একটি ভাষণ অবশ্যই একটা জাতির ইশতেহার হয়ে উঠতে পারে, যদি সেই জাতির ললাটে সেই রকম মহানায়কের আবির্ভাব ঘটে। আবার শুধু মহানায়কের আবির্ভাব ঘটলেই হবে না, থাকতে হবে সেই রকমের ভাষণ, যে ভাষণ একটি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা স্বপ্ন সংগ্রাম চাওয়া পাওয়ার সামগ্রিকতাকে ধারণ করবে। যে ভাষণ সময়ের হয়েও সময়নিরপেক্ষ হবে, যে ভাষণ ব্যক্তির হয়েও ব্যক্তিনিরপেক্ষ হবে- কারণ তখন ব্যক্তি এবং জাতি একাকার হয়ে একটা সরলরেখায় গিয়ে মিলিত হয়। এবং সেই ভাষণ নির্দিষ্ট একটা বিষয়ের হয়েও বিষয়নিরপেক্ষ যেমন হবে তেমনই বিষয়কে ধারণ করে তার সঙ্গে জাতির ইতিহাস-ঐতিহ্য, অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যতকে একসূত্রে গ্রথিত করবে। সত্যিই বিশ্ব ইতিহাসে সেই রকম ভাষণ বিরল।

হ্যাঁ, পৃথিবীতে অনেক মহামানব এসেছেন। অনেক জাতির ইতিহাসে এক বা একাধিক মহানায়ক এসেছেন। সেইসব মহামানব-মহানায়কেরা জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন, জাতিকে মুক্তির মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছেন। তাদের অঙ্গুলি নির্দেশনায় পাল্টে গেছে ইতিহাসের অনেক অধ্যায়। কিন্তু একটা ভাষণকে একটা জাতির ইশতেহার হিসেবে হাজির করার নজির এখন পর্যন্ত একটাই-একমেবাদ্বিতীয়ম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভষণ হলো সেই ভাষণ যেটা বাঙালি জাতির ইশতেহার হয়ে উঠতে পেরেছে। প্রশ্ন হলো, তা হলে অন্য ভাষণ কেন সেই জাতির ইশতেহার নয়?

ভারতের জাতির জনক মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী, যিনি মহাত্মা গান্ধী নামে অধিক পরিচিত। মহামতি বুদ্ধের অহিংস নীতিকে তিনি জীবনের অন্যতম পথ ও পাথেয় হিসেবে জ্ঞান করেছিলেন। তার সবচেয়ে আলোচিত ভাষণ হলো, ‘কুইট ইন্ডিয়া’। ব্রিটিশদের ভারত ছাড়ার জন্য তিনি এই ভাষণ দেন। এটি অবশ্যই পৃথিবীর ইতিহাসের আলোচিত ভাষণগুলোর অন্যতম। কিন্তু এই ভাষণে তিনি আলো ফেলেছেন একটামাত্র জায়গায়। ফলে এই ভাষণ ভারতীয়দের জন্য মহার্ঘ হলেও তাদের জাতিগত ইশতেহার নয়।

মার্টিন লুথার কিংয়ের আলোচিত ভাষণ হলো ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’। এখানে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষদের ঘিরে বলেছেন স্বপ্নের কথা। কৃষ্ণাঙ্গ আর শ্বেতাঙ্গদের বিরোধ নিরসনে তিনি এই ভাষণ দিয়েছিলেন। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন বর্ণপ্রথা নয়, সব আমেরিকান এক হবে। আমেরিকার আকাশ থেকে দূর হবে জাতিগত ভেদাভেদ। অসম্ভব মূল্যবান এই ভাষণ। যার প্রতিটি বাক্য শিহরণ জাগানিয়া, যার প্রতিটি শব্দ উজ্জীবনী সুধাস্বরূপ। কিন্তু সেই ভাষণও হয়ে ওঠেনি সেই জাতির ইশতেহার। কারণ সেখানেও আলো ফেলা হয়েছে একটা বিষয়ে। মার্কিন জাতির অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ সেখানে একসূত্রে গ্রথিত হয়নি।

পৃথিবীর ইতিহাসে যত ভাষণ রয়েছে তার মধ্যে আলোচিত আরেকটি ভাষণ হলো গেটিসবার্গ ভাষণ। আব্রাহাম লিঙ্কন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চরম দুঃসময়ে এই ভাষণ দেন। ১৭৭৬ সালে স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর মার্কিনিদের ভাগ্যাকাশে এ রকম দুঃসময় কখনো আসেনি। জাতিগত দাঙ্গা আর গৃহযুদ্ধে তখন দেশটি বিধ্বস্ত, ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে প্রায়। এ রকম একটা সময়কে সামাল দিতে আব্রাহাম লিঙ্কন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নানামুখী কৌশল অবলম্বন করেন। এবং এরই আলোকে দেন গেটিসবার্গ ভাষণ। এর পরই রহিত হয় দাসপ্রথা। কিন্তু তারপরও গেটিসবার্গ ভাষণ মার্কিনিদের জাতিগত ইশতেহার নয়। এ ভাষণ দাসপ্রথার মতো অমানবিক একটা প্রথার বিলুপ্তি ঘটালেও সেখানে মার্কিনিদের সামগ্রিকতাকে ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

লক্ষণীয় উপর্যুক্ত তিনজনই অস্বাভাবিক মৃত্যুর শিকার হয়েছেন। এতেও একটা বিষয় স্পষ্ট যে, তারা সময় ও ব্যক্তিস্বার্থের ওপরে উঠে কাজ করেছেন। ফলে মন্দ মানুষেরা তাদের এই সততাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজকে ধারণ করতে পারেনি। তারা উপলব্ধিই করতে পারেনি, তারা পৃথিবীর বাঁক বদলানো মহামানবদের মতো কাজ করেছেন। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, তাদের আলোচিত ভাষণকে মহার্ঘ জ্ঞান করেও আমরা গবেষণার তথ্যউপাত্তের নিরিখে বলছি তাদের ভাষণ সেসব জাতির ইশতেহার নয়।

পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র জাতির ইশতেহার হয়ে ওঠা ভাষণ হলো বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু সামগ্রিকতাকে ধারণ করেছেন। আমরা সবাই জানি ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু কী বলেন তার দিকে তাকিয়ে ছিলেন সবাই। ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধু রেসকোর্সে ময়দানে ভাষণ দেবেন এটা ঘোষণা হওয়ার পর থেকে শুধু ঢাকায় নয়, ঢাকার বাইরে থেকেও সবাই প্রতীক্ষায় ছিলেন বঙ্গবন্ধু কী বলেন। সেই সময়ের পত্রপত্রিকার দিকে খেয়াল করলেও আমরা বিষয়টা লক্ষ করে থাকি। পত্রিকায় এ রকম শিরোনামও এসেছে, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু কী বলেন তার দিকে তাকিয়ে আছেন সবাই।

যে ভাষণ শোনার জন্য তাকিয়ে আছেন সবাই সেই ভাষণ বলার জন্য বঙ্গবন্ধু কিন্তু কোনো রকমের লিখিত ড্রাফট করেননি। এমনকি দল বা ব্যক্তি কারও সঙ্গে কোনো প্রকার পরামর্শও করেননি। স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কেউ কেউ জানতে চেয়েছেন, ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু বঙ্গবন্ধু স্পষ্ট করে কিছুই বলেননি। এমনকি ৭ মার্চ সকালেও এ নিয়ে কোনো প্রকার কথা হয়নি। বঙ্গবন্ধু এই সময়ে যেন ধ্যানমগ্ন হয়ে উঠেছিলেন। সবার মাঝে থেকেও ডুব দিয়েছিলেন নিজের মাঝে। কবি যেমন কবিতা পাণ্ডলিপিতে লেখার আগে নিজের মাথায় রচনা করে নেন।

কথাসাহিত্যিক যেমন গল্প-উপন্যাস লেখার আগে কথা বলেন তার চরিত্রসমূহের সঙ্গে। কী অদ্ভুত, রচনা হয়, কথা হয় অথচ কেউ শুনতে পায় না। ঠিক তেমনি বঙ্গবন্ধুর মনের কথা কেউ শুনতে পাননি, তার রচনা কেউ দেখতে পাননি। সহধর্মিণী ফজিলাতুন্নেছা রেণু বোধকরি টের পেয়েছিলেন। কারণ তার চেয়ে ভালো করে আর কারও তো বঙ্গবন্ধুকে চেনার কথা নয়, চেনেওনি। এ কারণেই বোধকরি ৭ মার্চ সকালে তিনি বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন, কে কী বলল সেদিকে তোমার কান দেওয়ার দরকার নেই। তোমার কাছে যেটা ভালো মনে হয়, তুমি সেটাই বলো।

বঙ্গবন্ধু তার সহধর্মিণীর কথা রেখেছিলেন। তার মনে যেটা ভালো হয়েছে সেটাই তিনি বলেছেন। বঙ্গবন্ধু সেদিন জাদুকরী এক মন্ত্রে সবাইকে এক কাতারে নিয়ে এসেছিলেন। ভাইয়েরা আমার সম্বোধনের মধ্য দিয়ে তিনি এবং জনতাকে এক করে ফেলেছিলেন। ফলে এই ভাষণ বঙ্গবন্ধুর মুখ থেকে উচ্চারিত হলেও বাঙালিমাত্রই মনে করেছিল এ কথা তাদের নিজেদেরই কথা। এ দাবি তাদের নিজেদেরই দাবি, এই স্বপ্ন তাদের নিজেদেরই স্বপ্ন। বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি কথা প্রতিটি বাক্য সেদিন সাত কোটি বাঙালির হয়ে উঠেছিল। বাঙালি জেনেছিল-বুঝেছিল এটাই তো হওয়ার কথা, এটাই তো আমরা চাই। বঙ্গবন্ধু যেন সেদিন সকলের স্বপ্নের সারথি হয়ে উঠেছিলেন। বঙ্গবন্ধু যখন বলছেন, আর যদি একটা গুলি চলে, তখন সমবেত জনতাও হঙ্কার দিয়ে উঠেছেন। এভাবেই ব্যক্তির কথা হয়ে উঠেছিল সমষ্টির কথা, একটা জাতির ইশতেহারস্বরূপ। সেদিন বঙ্গবন্ধু হাজার বছরের বাঙালির স্বপ্নের সারথি হয়ে উঠেছিলেন।

৭ মার্চের সেদিনের সেই ভাষণে পাকিস্তানের নিগড় থেকে মুক্তির কথা যেমন বলেছেন, তেমনই শোষণ-বঞ্চনার কথাও বলেছেন। সেই ভাষণ শুধু একটা বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। সময়ে দাঁড়িয়ে সময়নিরপেক্ষ কথা বলেছেন। তিনি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে জাতি হিসেবে আমাদের করণীয় কী তার বার্তা দিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে মুক্তির কথা বলেছেন আবার স্বাধীনতার কথাও বলেছেন। আমরা জানি মুক্তি এবং স্বাধীনতা দুটো পৃথক সত্তা। স্বাধীনতা একটা পিরিয়ডিক্যাল বিষয়, মুক্তি নন-পিরিয়ডিক্যাল। স্বাধীনতার সংগ্রাম শেষ হয়, মুক্তির সংগ্রাম চলমান, হাজার বছর কিংবা তারও অধিককালের। এ কারণে বঙ্গবন্ধু মুক্তির সংগ্রাম ও স্বাধীনতার সংগ্রামকে একসূত্রে গেঁথেও আলাদা করে আইডেন্টিফাই করেছেন এবং গুরুত্ব নিশ্চিত করেছেন। এ কারণেই ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির ইশতেহার।



ড. কাজল রশীদ শাহীন, সাংবাদিক-লেখক ও গবেষক

[email protected]

 



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৫৫১১৭৫ ৪০২০২ ৫০২৪৯৭ ৮৪৭৬
বিস্তারিত
সেই আয়লান কুর্দির বাবার সঙ্গে পোপের সাক্ষাৎ মৃত্যুর পর আপনার গুগল অ্যাকাউন্টের কী হবে? মঙ্গলবার ঢাকার যেসব স্থানে যাবেন না ব্যক্তিগত প্রচার নয় সরকারের উন্নয়ন কাজের প্রচার চান জেলা প্রশাসক ইশরাত নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণে আহত ৭ রোনালদো-য়্যুভেন্তাস ছাড়াছাড়ি! অপরাজেয় থমাস টুখেলের চেলসি! আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ভেন্যু পরিবর্তন যে কারণে অভিনয় ছেড়ে ইসলামী জীবনযাপন শুরু করেন চিত্রনায়ক শাহীন আলম মিয়ানমারে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে আরও ২ জনের মৃত্যু নারী দিবসে ৯ নারী পেলেন 'শ্রেষ্ঠ আত্মনির্ভরশীল নারী পুরস্কার' বিদেশি গণমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সূর্যমুখী ফুলের চাষ ফোন থেকে দ্রুত সরিয়ে নিন ভয়ংকর এই অ্যাপগুলো সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সাংবাদিক মোশারফ রুমী আর নেই নিলাম শেষ: সবচেয়ে বেশি তরঙ্গ কিনল গ্রামীণফোন ওয়েবসাইট জটিলতায় বন্ধ ঢাবির অনলাইন ভর্তি আবেদন বঙ্গোপসাগরে মিলল ৩৭ কেজির কালা পোয়া, প্রায় ৩ লাখে বিক্রি ছাগল চুরির ঘটনায় জড়িত নন, দাবী সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কলকাতায় রেল দফতরের অফিসে আগুন, ৭ জনের মৃত্যু শরণার্থী ক্যাম্পে রোহিঙ্গা শিশু হত্যা: গ্রেফতার ২ কারাগারের দেয়াল টপকেই পালান হত্যা মামলার আসামি রুবেল চিত্রনায়ক শাহীন আলম আর নেই ‘যত পারেন মাওলানা সঙ্গে আনেন, আমি প্রস্তুত’ পাচার হওয়া তরুণীকে হস্তান্তর করল ভারত ৪৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে পালানো প্রবাসী ফিরেই গ্রেফতার ভাতিজিতে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ঝলসে দেওয়া হলো চাচাকে বাঁশ বাগানে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা: গ্রেফতার বেলাল রিমান্ডে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসে অভিভাবকহীন শিশু, বলতে পারেনি নামও সমালোচনা নয়, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে সোচ্চার হওয়ার তাগিদ সারা দেশে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের সভা চায় কসোভো বরিশালে টপ টেনের শো রুমে হামলার ঘটনায় মামলা জামিন হয়নি, কারাগারেই থাকছেন সাবরিনা আসামিদের নিয়ে ওসির ‘আনন্দ উদযাপন’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূ ধর্ষণ-হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ২ টেকনাফে ২ ‘রোহিঙ্গা অপহরণকারী’ গ্রেফতার ধর্ষণের শিকার নারীর ছবি-পরিচয় প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা কোম্পানীগঞ্জে ফের সংঘর্ষে মির্জা কাদের-বাদল, আহত ১০ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সবধরনের পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধে জিয়ার অবদান ছিল ক্ষুদ্র: কৃষিমন্ত্রী বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে যা বললেন দেব চট্টগ্রাম কারাগার থেকে নিখোঁজ বন্দি, চলছে তল্লাশি সাবেক এমপির ভাতিজার বাড়িতে অস্ত্রের কারখানা বড় বৌয়ের দেনমোহর দিতে ছোট বৌকে ৭ টুকরো করে জুয়েল দেশেই টিকা উৎপাদনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মায়ের কল্যাণে শাস্তি কমতে যাচ্ছে শাহাদাতের শিশুদের মোবাইল আসক্তি কমানোর উপায় অন্তঃসত্ত্বা প্রেমিকা: অস্বীকার করায় কারাগারে আশিক ঢাবিতে ভর্তির আবেদন শুরু, পরীক্ষা পদ্ধতির ব্যাপক পরিবর্তন বেরোবি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম: এবার স্থায়ী বরখাস্ত নির্বাহী প্রকৌশলী সব কার্যক্রমই ঢাকাবাসীর সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে: তাপস গুচ্ছ ভর্তির আবেদন-পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা সৌদি আরবে ২২টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইয়েমেনের জোড়া খুনের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে তাক লাগানো ছায়াপথের ছবি প্রকাশ করল নাসা একাকীত্ব আর সহ্য হচ্ছে না শ্রীলেখার! (ভিডিও) চলছে কাজলা খাল দখলমুক্ত অভিযান চট্টগ্রামে প্রবাসী তোতা হত্যায় ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক দালালি ভুলতে পারেনি বলেই বঙ্গবন্ধুর ভাষণে ‘কিন্তু’ খোঁজে বিএনপি শিক্ষার্থীদের অনুদানের আবেদনের সময় বেড়েছে প্রথম বিবাহ বার্ষিকীর দিনেই লাশ হলেন দেবী দূরদর্শীতায় পুরুষদের চেয়ে অনেকাংশেই এগিয়ে নারী নেত্রীরা সম্পত্তির লোভে বোনকে হত্যা করে নদীতে মরদেহ নিক্ষেপ সন্তানদের শিক্ষককে বিয়ে করলেন জেফ বেজোসের সাবেক স্ত্রী কমলার খোসা ছাড়াতেই বেরিয়ে এলো ২ হাজার ইয়াবা ছিলেন তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থী, হয়ে গেলেন বিজেপি নেতা! আগুনে পুড়ে প্রাণ গেল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ত্রয়ীর ৪ দফা দাবিতে কর্মবিরতিতে বড়পুকুরিয়ার খনি শ্রমিকরা নিউইয়র্কে জাতির জনকের একশটি দুর্লভ আলোকচিত্র প্রদর্শনী বরিশাল ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি করোনার বর্ষপূর্তির দিনে বেড়েছে মৃত্যু-আক্রান্ত লাইফ সাপোর্টে চিত্রনায়ক শাহীন আলম কেঁদে ওঠায় কোলের শিশুকে কুপিয়ে হত্যা, মা‌য়ের যাবজ্জীবন আনুশকা সাহসী নারী: কোহলি বাল্যবিয়ের ব্যাপকতায় বাংলাদেশ বিশ্বে চতুর্থ: ইউনিসেফ সিআইডির পরীক্ষায় জানা গেল বাগানটি গাঁজার সকল নারীই সৃষ্টির আদি ইতিহাস: চঞ্চল চৌধুরী মালয়েশিয়ায় ৭ মার্চ উপলক্ষে আলোচনা সভা যশোরে বোনকে হত্যার দায়ে ভাইয়ের ফাঁসি ‘মাদানী’ই ব্যবহার করবেন, নোটিশের ব্যাখ্যা দিলেন রফিকুল আত্মহত্যার ২ মাস পর স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ভিডিও ভাইরাল চালককে হত্যা করে ইজিবাইক ছিনতাই, গ্রেফতার ৩ ডিএমপি কার্যালয়ে বিএনপির ৩ নেতা তুরস্কে তেল পাচারের সময় সিরিয়ায় যৌথবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দর্শকদের কিছুই বলতে চাই না: দীঘি করোনা শিখিয়েছে যুদ্ধজয়ের কৌশল, বলছেন সম্মুখযোদ্ধারা বিকেলে ঝড়ের পূর্বাভাস ছেলেকে নিয়ে অসহায়ত্বের শিকার মা ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই, বলছেন বিশ্লেষকরা ফ্রান্সে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ দিবস উদযাপন দ্বিতীয় সন্তানের ছবি প্রকাশ করলেন কারিনা দাঁড়িয়ে থাকাই কাজ বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ লঙ্কানদের হারিয়ে সিরিজ জিতে নিল পোলার্ড বাহিনী দুদক এখন যথেষ্ট ক্ষমতাশালী: ইকবাল মাহমুদ ইয়েমেনে শরণার্থী শিবিরে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৮ নারীদের অধিকার আদায়ে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ...
ঢাকার রাস্তায় নামছে ‘বাঘ’ তামিমা সম্পর্কে যা জানা গেল! তামিমার চার বিয়ে তিন স্বামী! পপিকে বিয়ে করতে চাওয়া যুবকের পরিচয় বিরল রোগে আক্রান্ত নবজাতক, গবেষণায় শিশুকে দান করবেন দম্পতি খেলতে গিয়ে হরিণকে ‘বন্ধু’ বানিয়ে বাসায় নিয়ে এলো শিশু! প্রেমিকার অপেক্ষায় ৪০ বছর ধরে ঢাবি হলের বারান্দায় সরু (ভিডিও) ঢাকায় ৫০ টাকায় গরুর মাংস! তামিমার তিন নম্বর স্বামী নাসির হোসেন! রহিমার প্রেমের টানে কেশবপুরে আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার চাঁদপুরের বাস দুর্ঘটনার ভিডিও ভাইরাল টিকা নিলে বিশেষ অঙ্গ ছোট হওয়ার খবর কতটা সত্য? আলোচনায় ব্যাচেলর পয়েন্টের ‘নোয়াখালীর শিমুল’ এই লেখকের প্রতি কপি বইয়ের দাম ৩ লাখ টাকা মহানবীর (সা.) ১৪০০ বছর আগের যে বাণী সত্য প্রমাণ পেল বিজ্ঞান পর্ন সাইট খুললে তথ্য যাবে পুলিশের কাছে! ছিলেন নাইটগার্ড, ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে হয়ে গেলেন মেয়র আল জাজিরার প্রতিবেদন: পেছনে কারা? সুইডেনে পড়তে গিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশিরা জনপ্রিয় টিকটক তারকা রফির মরদেহ উদ্ধার শাহরিয়ার নাফিসের বিদায়ে স্ত্রীর আবেগঘন স্ট্যাটাস আল জাজিরার সামি, আপাদমস্তক অপরাধে মোড়া এক চরিত্র! এখনই খুলছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফেব্রুয়ারি-মার্চ দেখে এপ্রিলে সিদ্ধান্ত নাসিরের প্রেমিকার তালিকায় অভিনেতা সিদ্দিকের সাবেক স্ত্রী! বিয়ে করলেন নাসির ভ্যাকসিন নিলে সাড়ে ৮ হাজার টাকা পুরস্কার! যে কারণে স্বামী-সন্তান ছেড়ে নাসিরকে বিয়ে করেছে তামিমা সুইমিং পুলে সৃজিত-মিথিলার রোমান্স টিকা দেওয়ার দ্বিতীয় দিনে কমল মৃত্যু ও আক্রান্ত ভাইয়ের পা ধরে মাফ চেয়েও রক্ষা পেলেন না নিজাম বছরের ভাইরাল দুই জুটি (ফটো অ্যালবাম) এবার ট্রলকারীদের জবাব দিলেন নায়ক রিয়াজ আল জাজিরার সংবাদ ভিত্তিহীন দাবি, সরকারের প্রত্যাখ্যান মধ্যবয়সী নারীদের টার্গেট করে শারীরিক সম্পর্ক করে বরিশালের বেলাল কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ সাকিব! বিতর্কের মধ্যেই নাসির-তামিমার জমকালো বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান পার্লারে গিয়ে মুখ পুড়ল সুন্দরী নারীর! (ভিডিও) সুখবর পেতে পারেন ৪৩তম বিসিএস আবেদনকারীরা ৪০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের মালিক ছিলেন মুসা! (ভিডিও) আল-জাজিরায় সাক্ষাৎকারের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন মুন্না এসএসসির প্রকাশিত সিলেবাস বাতিল ছানাদের বাঁচাতে লড়াই করে বিষধর সাপ রুখে দিল মা মুরগি! (ভিডিও) স্বামীকে রেখে বিয়ে: আইন কী বলে? ২৩ বছরে ১১ শিশুর মা, নিতে চান ১০০ সন্তান! শিক্ষিকাকে বিয়ে করলেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা দেবরের লাগাতার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা প্রবাসীর স্ত্রী, অবশেষে বাড়ি ছাড়া টিকা নিয়ে ৪২৬ জনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ডিভোর্স ছাড়াই স্বামী-সন্তান ফেলে নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা! একাধিক সিনেমা থেকে বাদ দীঘি! সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে খেলবেন না: সেনাপ্রধান
আরও সংবাদ...

মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে