সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাণিজ্য সময়
৮ টা ৫৯ মিঃ, ৩ মার্চ, ২০২০

'ভারত থেকে পেঁয়াজ আনার প্রয়োজন নেই'

ভারত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও পেঁয়াজ আমদানি সাময়িক বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। মিয়ানমার, পাকিস্তান, মিশর ও তুরস্ক থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের মজুত রয়েছে জানিয়ে কৃষি অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আনার আর প্রয়োজন নেই। দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতে এবং কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষায় আমদানি নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই বলে মনে করেন কৃষিমন্ত্রী।
বাণিজ্য সময় ডেস্ক

প্রায় পাঁচ মাস পর পেঁয়াজ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করেছে ভারত। সোমবার (২ মার্চ) ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। এ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১৫ মার্চ থেকেই ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে। নূন্যতম রপ্তানি মূল্যের যে শর্ত ছিলো, সেটিও প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাই এখন যে কোন দামেই ভারতীয় ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ রপ্তানি করতে পারবেন।

এদিকে দেশে উৎপাদিত প্রায় ১৫ লাখ টন পেঁয়াজ বাজারে আসার অপেক্ষায়। পর্যাপ্ত যোগান আছে মিশর, মিয়ানমান, তুরস্ক ও চীনা পেঁয়াজের। এ অবস্থায় ভারত থেকে আমদানির প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।

এক ব্যবসায়ী বলেন, 'অনেক দেশের পেঁয়াজ আছে। এই মুহূর্তে ভারতের পেঁয়াজ না আসলেই ভালো হয় কৃষকের।'

কৃষি অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আমদানি নিয়ন্ত্রণে থাকলে ভাল দাম পাবেন কৃষক।

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বাণিজ্য ব্যবস্থাপনা অনুষদের ডিন ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘দেশের কৃষক বাঁচাতে হলে আমদানি আপাতত বন্ধ রাখাই দরকার। আমদানি আপাতত বন্ধ রাখলেও মনে হয় না ভারত মনোক্ষুন্ন হবে।’

কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষায় পেঁয়াজের মৌসুমে আমদানি নিয়ন্ত্রণে সরকার পরিকল্পনা করছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বর্তমানে বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৫৫ থেকে ৫৮ টাকায়। মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ এবং চীনা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়