সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাংলার সময়
২০ টা ৪৬ মিঃ, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

ভূমিদস্যুদের কাছে নিঃস্ব-নিরূপায় বগুড়ার মানুষ

শুরু হয় এক খণ্ড জমি কেনার মাধ্যমে। এরপর শত শত একর জমি গ্রাস করে নিচ্ছে এলাকার ভূমিদস্যুরা। তিন ফসলি জমি এখন খানাখন্দ, কোনটি আবার ২০ থেকে ২৫ ফুটের গর্ত। বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার কয়েকটি গ্রামের দৃশ্য এখন এমন। প্রশাসনের কাছে ধর্ণা দিয়ে এর প্রতিকার না পেয়ে অসহায় জমিহারা মানুষগুলো। ভুক্তভোগীদের দাবি, ভূমিদস্যুদের কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনা হোক।
Somoy News
মাজেদুর রহমান

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় মাদলা, জালসুখা, শাহনগর ও খলিশাকান্দী গ্রামে গিয়ে দেখা গেল ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার মহাউৎসব। প্রথমে একখন্ড জমি থেকে সাত ফুট মাটি তোলার চুক্তিতে কিনে নেয়ার পর চুক্তি অমান্য করে ২০ থেকে ২৫ ফিট মাটি তুলতে থাকে ভূমিদস্যুরা। এতে পার্শ্ববর্তী জমি ভেঙে গেলে পুনরায় ওই জমিরও মাটি বিক্রি করতে বাধ্য করে চক্রটি। এভাবে শত শত একর ফসলি জমির মাটি তুলছে চক্রটি। প্রশাসনের কাছে ধর্না দিয়েও ফল পাচ্ছেন না জমির মালিকরা।

এভাবে মাটি কাটার ফলে কৃষিতে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটবে বলে আশংকা জেলার কৃষি কর্মকর্তার।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবুল কাশেম আযাদ বলেন, এতে করে আমাদের উৎপাদন ব্যবস্থা বড় রকমের ক্ষতির মুখে পড়বে।  

ব্যাপক হারে কৃষি জমি থেকে মাটি কাটার কথা স্বীকার করে জেলা প্রশাসক বলছেন, শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপই নয় এলাকাবাসিকেও সচেতন হতে হবে।

জেলা প্রশাসক মো. ফয়েজ আহম্মদ বলেন, মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে শাস্তি দিয়ে টপ-সয়েল তোলার ব্যাপারটির সমাধান হবে না। এক্ষেত্রে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। যার জমি তিনিও সচেতন হতে হবে।  

কৃষি বিভাগের মতে, জেলার ১১০টি ইট ভাটায় ব্যবহারে শাজাহানপুর, কাহালু ও সারিয়াকান্দির ২৭০ হেক্টর জমির টপ-সয়েল নষ্ট হয়ে গেছে। 

© ২০২১ সময় মিডিয়া লিমিটেড
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়