রাকা চৌধুরী
আপডেট
২৬-১২-২০১৯, ১২:৫৩

ফিরে দেখা ২০১৯: কেমন চললো দেশের অর্থনীতির চাকা

ফিরে দেখা ২০১৯: কেমন চললো দেশের অর্থনীতির চাকা
একাদশ সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে টানা তৃতীয়বার সরকার গঠন করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এরপর নানা জল্পনা-কল্পনা আর ঘটনাবহুল দিন নিয়ে কেটে গেল ২০১৯ সালের অর্থনীতি। কেমন চললো ২০১৯ সালের দেশের অর্থনীতির চাকা?

২০১৯-২০ সালের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান আগের পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। নতুনভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক ও ব্যবস্থাপকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন তিনি। ঘোষণা দেন খেলাপি ঋণ এক টাকাও বাড়বে না। কিন্তু ঘটেছে তার উল্টো। খেলাপি ঋণ নিয়ে সারাবছর নানা আলোচনা-সমালোচনা চলে ব্যাংক খাতে। এ অর্থবছরে ব্যাংক খাতে শুধুমাত্র রেমিট্যান্সে বয়ে যায় সুবাতাস।

চলতি মাসে (১৮ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির বৈঠকে টাকার অবমূল্যায়নের দাবি নাকচ করেন অর্থমন্ত্রী। বলেন, সবাই চান মুদ্রার অবমূল্যায়ন করা হোক। তা হবে না। তা হলে রপ্তানি আয় বাড়বে, আমি তা মনে করি না। বরং অবমূল্যায়ন করা হলে দেশের অর্থনীতি খারাপ অবস্থায় পড়বে।

ওই দিন বৈঠকে অর্থমন্ত্রী জানান, নতুন বছরের শুরুতে ব্যাংক ঋণের সুদহার এক অঙ্কে বা সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে এবং উৎপাদনশীল খাতে (ম্যানুফ্যাকচারিং) এ সুবিধা দেয়া হবে। এ বিষয়ে সরকার গঠিত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক শিগগির প্রজ্ঞাপন জারি করে এটি কার্যকর করবে বলে জানান তিনি। পুঁজিবাজার পতনের পেছনে গুজবকে দায়ী করেন অর্থমন্ত্রী।

রেমিট্যান্স

অর্থনীতির অন্যান্য সূচক নেতিবাচক হলেও সুবাতাস বয়ে যায় রেমিট্যান্সের পালে। রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা প্রদান এবং টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য বৃদ্ধিতে বৈধ পথে বেড়েছে রেমিট্যান্সের প্রবাহ। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে ৭৭১ কোটি ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। গতবছর একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬২৯ কোটি ডলার।

ব্যাংক খাত ছাড়াও বেসরকারি ঋণ আশানুরূপ না বাড়া, ব্যাংকের সুদের হার এক অঙ্কে নামিয়ে আনার ব্যর্থতা, ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া, একের পর এক ব্যর্থতার পর নতুন করে তিন ব্যাংকের অনুমোদনসহ রফতানি আয়ের নিম্নগতির প্রভাবে বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতির খবর বেশ আলোচিত হয় শেষ হতে চলা বছরে।

খেলাপি ঋণ

অর্থমন্ত্রীর ‘খেলাপি ঋণ এক টাকাও বাড়বে না’- এ হুঁশিয়ারির পর গত নয় মাসে খেলাপি ঋণ না কমে উল্টো বেড়েছে ২২ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক তার পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে নয় লাখ ৬৯ হাজার ৮৮২ কোটি টাকা। এর মধ্যে অবলোপন বাদে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা। যা মোট ঋণের ১১ দশমিক ৯৯ শতাংশ। অবলোপনসহ খেলাপি ঋণের পরিমাণ দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ৯৩ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা। এ হিসাবে গত নয় মাসে দেশে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২২ হাজার নয় কোটি টাকা।

বেসরকারি ঋণ

নানা উদ্যোগের পরও আশানুরূপ বাড়ছে না বেসরকারি ঋণ। গত কয়েক মাস ধরে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার ধারাবাহিক কমছে। চলতি অর্থবছরের অক্টোবরে ঋণ প্রবৃদ্ধির ১০ দশমিক ০৪ শতাংশ হয়েছে। আগের মাস সেপ্টেম্বর ছিল ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খেলাপি ঋণ লাগামহীনভাবে বাড়ছে। এ কারণে ব্যাংকগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা সঞ্চিতি (প্রভিশন) রাখতে হচ্ছে। অন্যদিকে আশানুরূপ আমানত পাচ্ছে না ব্যাংকগুলো। ফলে ব্যাংকগুলোর কাছে এখন পর্যাপ্ত নগদ অর্থ নেই। বেসরকারি বিনিয়োগ কমে যাওয়ার এটি একটি অন্যতম কারণ।

এছাড়া আর্থিক খাতের নানা কেলেঙ্কারি ও সঞ্চয়পত্রে সুদ বেশি হওয়ায় ব্যাংকে আমানত প্রবৃদ্ধি কমে গেছে। ফলে একদিকে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও ঋণ দিতে পারছে না ব্যাংকগুলো। অন্যদিকে উচ্চ সুদহারের কারণে ঋণ নিতেও আগ্রহ দেখাচ্ছেন না উদ্যোক্তা ব্যবসায়ীরা। সব মিলিয়ে বেসরকারি ঋণ কাঙ্ক্ষিত হারে বাড়ছে না। যে হারে বাড়ছে তা মুদ্রানীতির লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম। এত কম হারে বাড়লে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে না- বলছেন অর্থনীতিবিদরা।

চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের ঘোষিত মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন কমিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মুদ্রানীতিতে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ ধরা হয়েছে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ। এর মধ্যে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত লক্ষ্য ঠিক করা হয় ১৩ দশমিক ২ শতাংশ। যা গত অর্থবছরের জুন পর্যন্ত ছিল ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের (জুলাই-জুন) পর্যন্ত সরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির প্রক্ষেপণ করা হয় ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবৃদ্ধি ধরা হয় ১৫ দশমিক ৯০ শতাংশ।

এদিকে, বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া এবং খেলাপি ঋণ বাড়ার অন্যতম কারণ হিসাবে উচ্চ ঋণের সুদহারকে দায়ী করছেন সরকার। ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে গত ১ ডিসেম্বর (রোববার) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের নির্দেশনায় সাত সদস্যের কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। ১০ ডিসেম্বর সাত কার্যদিবস শেষে হয়। কমিটি উৎপাদনশীল খাত তথা শিল্প ঋণে সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিল করে।

প্রতিবেদন দাখিলের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৮ ডিসেম্বর আবারো অর্থমন্ত্রী ঘোষণা দেন, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ব্যাংকগুলোতে সুদের হার এক অঙ্ক (১০ শতাংশের নিচে) কার্যকর হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সরকারের ঋণ বাড়ছে

বেসরকারি ঋণ কমলেও হু-হু করে বাড়ছে সরকারি ঋণ। চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় পাঁচ মাসে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে ৪৩ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯২ শতাংশ। বাজেট ঘাটতি মেটাতে চলতি অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ঋণ বা ধার নেয়ার লক্ষ্য ধরে সরকার। ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাঙ্ক্ষিত হারে রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। আবার সঞ্চয়পত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করায় সঞ্চয়পত্র থেকেও আগের মতো ঋণ পাচ্ছে না সরকার। ফলে ব্যাংক ঋণে ঝুঁকছে সরকার।

নতুন ব্যাংক অনুমোদন

চলতি বছরে ব্যাংক খাতের আরেকটি সমালোচনার বড় জায়গা হলো নতুন নতুন ব্যাংকের অনুমোদন। ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকদের বিরোধিতা সত্ত্বেও শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় দেয়া হয় নতুন তিন ব্যাংকের অনুমোদন। ব্যাংকগুলো হলো- বেঙ্গল কমার্শিয়াল, পিপলস ও সিটিজেন ব্যাংক। প্রাথমিকভাবে আগ্রহপত্র বা লেটার অফ ইনটেন্ট (এলওআই) পাওয়ার পরও শর্ত অনুযায়ী পর্যাপ্ত মূলধন সংগ্রহসহ বিভিন্ন নির্দেশনা পরিপালনে ব্যর্থ হওয়ায় এখনও চূড়ান্ত লাইসেন্স পায়নি এসব ব্যাংক। তবে চলতি বছর কার্যক্রম চালু করেছে পুলিশের মালিকানাধীন কমিউনিটি ব্যাংক। ব্যাংকটি গত বছর অনুমোদন পেয়েছিল।

বাণিজ্য ঘাটতি

রফতানি আয়ের নিম্নগতির প্রভাবে বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি পড়ে। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় ৫৬২ কোটি ডলার; বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৪৭ হাজার কোটি টাকা। পাশাপাশি বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের চলতি হিসাবেও ঘাটতি দেখা দেয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ইপিজেডসহ রফতানি খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে এক হাজার ২৫১ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ ব্যয় করেছে এক হাজার ৮১৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এ হিসাবে অক্টোবর শেষে দেশে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় ৫৬২ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় (বিনিময় হার ৮৫ টাকা) দাঁড়ায় প্রায় ৪৭ হাজার ৭৭ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময় ঘাটতি ছিল ৫৩২ কোটি ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের একই সময়ে তুলনায় এবার ঘাটতি বেড়েছে ২৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য আরও বলছে, অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকলেও সেপ্টেম্বর থেকে তা ঋণাত্মক হয়েছে। প্রথম চার মাসে চলতি হিসাবে ঘাটতি দাঁড়ায় ১৩০ কোটি ৪০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২০৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

পিপলস লিজিং অবসায়ন:

অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা আর লুটপাটের অভিযোগে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (পিএলএফএসএল)-কে প্রথমবারের মতো অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের ১৪ জুলাই পিপলস লিজিং অবসায়নের জন্য আদালতে মামলা দায়ের করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়া অনিয়মের দায়ে বহিষ্কার করা হয় প্রতিষ্ঠানের নয় পরিচালককে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিযোগ, বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে ৫৭০ কোটি টাকা বের করে নেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকরা।

এদিকে পিপলস লিজিং বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েন প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীরা। প্রতিষ্ঠানটির বেশির ভাগ সম্পদ লুটে নেয়ায় আমানত ফেরত নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। আমানতকারীরা ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে টাকা ফেরত পেতে অর্থমন্ত্রী ও গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। যা এখনও কোনো সুরাহ হয়নি।

ডলার বাজারের অবস্থা

চলতি বছরের শুরু থেকে অস্থির ডলার বাজার। সংকটের কারণে হু-হু করে বেড়েছে ডলারের দাম। অন্যদিকে দুর্বল হয়েছে টাকার মান। বছরের প্রথম আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দর নির্ধারণ ছিল ৮৩ টাকা ৯০ পয়সা। অর্থাৎ পণ্য আমদানিতে প্রতি ডলারে ব্যয় করতে হয় ৮৩ টাকা ৯০ পয়সা। চলতি বছরে দফায় দফায় দাম বেড়ে ডলার ৮৪ টাকা ৯০ পয়সা দাঁড়িয়েছে। তবে সাধারণ মানুষ, যারা ভ্রমণ করতে বিদেশে যাচ্ছেন, তাদের ৮৭ থেকে ৮৮ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে ডলার।

ক্যাসিনো অভিযানে, জব্দ করা হয় ব্যাংক হিসাব

চলতি বছরের আলোচিত ঘটনা ছিল ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান। বিভিন্ন ক্লাবে চলে অভিযান। ক্লাবের নামে অসামাজিক কার্যকলাপ, ক্যাসিনো, সন্ত্রাস, ঘুষ, টেন্ডারবাজির ঘটনায় অর্জিত অর্থ ও সম্পদের উৎস জানতে তদন্ত চলছে। নজর রাখা হয়েছে আলোচিত ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব, ব্যাংকের লকারে থাকা সম্পদ, তাদের প্রতিষ্ঠান ও নামে-বেনামে থাকা সম্পদ ও আয়কর নথির ওপর। এরইমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে রাজস্ব ফাঁকি ও অর্থ পাচারের বিষয়ে খোঁজ নেয়া শুরু হয়েছে। একই ইস্যুতে মাঠে কাজ করছে দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক)। কোটি কোটি টাকা পাচারের তথ্য সংগ্রহে কাজ করছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। আর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তিন সংস্থার চাহিদামাফিক তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিন সংস্থার নির্দেশনা মতো বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব স্থগিত করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান আবু হেনা মোহা. রাজি হাসান জানান, ক্যাসিনো, সন্ত্রাস, মানিলন্ডারিং, ঘুষসহ বিভিন্ন অপরাধে যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তাদের ব্যাংক হিসাব স্থগিত করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোতে চিঠি দিয়ে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে আইনি পরিপন্থী কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বিএফআইইউ নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে।

নতুন বছরে ইএফডি মেশিন বিতরণের সিদ্ধান্ত

আগামী বছর শুরু থেকে ভ্যাট আদায়ের ইলেক্ট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস -ইএফডি মেশিন বিতরণ করবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এরইমধ্যে ইএফডি মেশিনের প্রথম চালান দেশে এসে পৌঁছেছে বলেও জানান এনবিআরের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। আগামী বছরের মার্চ মাস থেকে এ বিভাগের কর্মীদের জন্য নির্ধারিত পোশাক পরা বাধ্যতামূলক করেন মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন ও ভোগান্তিহীন করতে দেশের প্রতিটি সমুদ্র বন্দরে স্ক্যানার মেশিনে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

উৎপাদন বাড়াতে একসঙ্গে কাজের আহ্বান শিল্পমন্ত্রীর

উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সব প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। বলেন, আগামীতে উৎপাদনশীলতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা হবে। যা  দেশের অর্থনীতিকে আরো বেশি সচল করবে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টার প্ল্যান ২০২১ -২০৩০ বাস্তবায়নের জন্য একটি অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হবে। এজন্য ২০২০ সালের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কয়েকটি কর্মশালার আয়োজন করবে মন্ত্রণালয়। এর আগে ১৩ তম সভার কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।

বড় বিনিয়োগের অনিয়ম রোধেই কমেছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি

চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কম সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। সঞ্চয় অধিদপ্তর বলছে, গ্রাহকদের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং টিআইএন অনলাইনে রেকর্ড করার নিয়ম চালুর মাধ্যমে বড় বড় বিনিয়োগের অনিয়ম রোধেই কমেছে বিক্রি।

করের হার বৃদ্ধি এবং বিক্রিতে কড়াকড়ি আরোপ করায় চলতি অর্থবছর থেকে কমছে ‘নিরাপদ বিনিয়োগ’ হিসেবে পরিচিত সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ। ব্যাংকগুলোর আমানতের সুদের হার কম এবং পুঁজিবাজারে মন্দার কারণে গত কয়েক বছর ধরে বাড়ছিল সঞ্চয়পত্র বিক্রি। এতে সরকারের ঋণের বোঝা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। তাই বিক্রির চাপ কমাতে ১ জুলাই থেকে মুনাফার ওপর উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। একইসঙ্গে এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে টিআইএন (কর শনাক্তকরণ নম্বর) বাধ্যতামূলক করা হয়। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকলে কোনো সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে না মর্মে শর্ত আরোপ করা হয়। ফলে কমছে এ খাতে বিনিয়োগ।

সর্বশেষ তথ্য বলছে, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) পাঁচ হাজার ৫১২ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে বিক্রির পরিমাণ প্রায় তিন গুণেরও বেশি ছিল; ১৭ হাজার ৮২৯ কোটি টাকা।

অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, সঞ্চয়পত্র থেকে উচ্চ সুদের ঋণের প্রবণতা কমাতে সরকার সঠিক পদক্ষেপই নিয়েছে।

তুলনামূলক বাড়তি মুনাফা ও নিরাপত্তার বিবেচনায় বরাবরই গ্রাহকদের সঞ্চয়পত্রের প্রতি ঝোঁক বেশি দেখা গেছে। যার ফলে গত কয়েকবছর সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বিক্রিও ছিলো অনেকটাই বেশি। কিন্তু চলতি অর্থবছরে তার বিপরীত চিত্র লক্ষ করা যাচ্ছে।

এ বছর সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে সরকারের ২৯ হাজার ৯'শ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অক্টোবর পর্যন্ত চার মাসে এসেছে ৫ হাজার ৫২১ কোটি টাকা। যা একইসময়ে আগের বছর ছিলো ১৭ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা।

সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শামসুন্নাহার বেগম বলেন, জুলাই মাস থেকে সারাদেশে অনলাইন চালুর মাধ্যমে এ খাতে বিনিয়োগে অনিয়ম রোধ করায় কমে গেছে বিক্রি। বলেন, সঞ্চয়পত্রে মানুষ যেভাবে বিনিয়োগ করছে, সেখানে তার এনআইডি ভিত্তিক করা হয়েছে, একটা ব্যাংক একাউন্ট লাগছে তার টিন সার্টিফিকেট লাগছে এসবের কারণে  পুরোটাই স্বচ্ছ হয়ে গিয়েছে। অনিয়ম করে কেউ রাখতে পারছে না যার কারণে কেনাটা একটু কমে গিয়েছে।  

সঞ্চয়পত্রের ঋণে সরকারকে অতিমাত্রায় সুদ গুণতে হয় তাই এখাতে চলতি বছর কম ঋণ নেয়াকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন এ অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর। বলেন, গত কয়েক বছর সরকার ব্যাপক হারে সুদ নিয়েছিল এবছর সেটা কমে গিয়েছে এটা ভালো, এটাকে খারাপ বলা যাবে না। উচ্চ হারে সুদ নেয়ার চাইতে নিম্ন হারে সুদ নেয়াটা সরকারের জন্য ক্যাশ ম্যানেজমেন্টটা পয়েন্টভিত্তিক ভালো।   

বর্তমানে পারিবার সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক ৫২, পেনশনার সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক ৭৬, বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক ২৮ ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক শূণ্য চার শতাংশ সুদ পাচ্ছেন গ্রাহকরা। একজন গ্রাহকের ৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের সুদে ১০ শতাংশ উৎসে কর কাটছে সরকার। সরকারি নিয়মনীতির পরিবর্তনে সঞ্চয়পত্র কিনতে গ্রাহকদের উপস্থিতিও আগের তুলনায় অনেক কম।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর জানিয়েছে, একজন গ্রাহক টিআইএন ছাড়া প্রতিবছর সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারবেন ।

শেয়ারবাজার : অব্যাহত দরপতনে তলানিতে নেমেছে শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ

বাজার-সংশ্নিষ্টরা জানান, দরপতনে লোকসান এতটাই বেড়েছে যে, সিংহভাগ বিনিয়োগকারী নতুন করে বিনিয়োগ করার ক্ষমতা হারিয়েছেন। এমনকি কোনো শেয়ার লোকসানে বিক্রি করে অন্য শেয়ার কেনার সাহসও হারিয়েছেন অনেকে। কারণ অন্য শেয়ারেও বিনিয়োগ করে মুনাফা করার নিশ্চয়তা নেই। দরপতন ঠেকাতে করণীয় নির্ধারণে আগামী ২ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে বৈঠক করবে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ।

ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা জানান, বিনিয়োগকারীদের বড় অংশই শেয়ারবাজারে আসা অনেক আগেই ছেড়েছেন।

কৃষি

কৃষিনির্ভর দেশের অর্থনীতিতে বড় জোগান দেন কৃষকরা। তাদের সহায়তায় কমানো হয়েছে সব ধরনের সারের দাম। তবে চলতি মৌসুমে ধানের দাম নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন রংপুর দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা।

গত তিন মাস ধরেই আলোচনায় ছিল দেশের পেঁয়াজের বাজার। গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয় ভারত। এরপর দেশের বাজারে এর ঝাঁজ বাড়তে থাকে। পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে এরইমধ্যে মিয়ানমার, মিসর, আজারবাইজান, পাকিস্তান ও উজবেকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। প্লেনে ২৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ আমদানি করে টিসিবির মাধ্যমে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি করে সরকার। খোলা ও পাইকারি বাজারেও চোখের পলকে বেড়ে যায় দাম। যা অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে জানা যায় এখন থেকে দেশে পেঁয়াজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হবে।



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৪৫১৯৯০ ৭৮৬৬৫ ৩৬৬৮৭৭ ৬৪৪৮
বিস্তারিত
কাতার আর্মির বিপক্ষে নামছে জামাল ভুঁইয়ারা পুলিশ কর্মকর্তার এক থাপ্পড়ে বিদ্যুৎহীন ৩৫ গ্রাম! বুধবার থেকে ‘ভার্চুয়াল আইডি কার্ড’ পাচ্ছেন ফ্রিল্যান্সাররা বাংলাদেশে করোনা টিকার দাম কত পড়বে? কুমিল্লায় স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন ঢাকায় নামল ‘ধ্রুবতারা’ দখলমুক্ত মসজিদে চুমু খেয়ে ঢুকলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট সুচিন্তা’র ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ ক্যাম্পেইন শুরু অনলাইনে অর্ডার, মোবাইলের পরিবর্তে এলো কাঠের টুকরো সেদিন কেঁদেছিলেন খাশোগি ইউএনও-চেয়ারম্যানের অভিযোগ তদন্তে বিভাগীয় কমিশনার ‘হিন্দুস্তান’ শব্দে আপত্তি, বিধায়ককে পাকিস্তান যাওয়ার পরামর্শ ১৫ ঘণ্টার ব্যবধানে পুড়ল রাজধানীর দুই বস্তি পথচারীদের মাস্ক পরিয়ে দিলেন ডিসি ইনফিনিক্সের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর জেসিয়া দেওয়াল তুলে রাস্তা বন্ধ করলেন এলাকার প্রভাবশালী রাজধানীতে ফিলিং স্টেশনে গায়ে পেট্রল ঢেকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত গোল্ডেন মনিরের মামলা ডিবিতে হস্তান্তর দিনাজপুরে মাসুম বেকারিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা শাওমি নিয়ে এলো পোকো এম৩ স্মার্টফোন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ফরিদুল হক গোল্ডেন মনিরের অবৈধ সম্পদের পাহাড় ভারতে আরও ৪৩টি অ্যাপ নিষিদ্ধ বাগেরহাটে কলেজশিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার চট্টগ্রামে বিলুপ্ত প্রজাতির তক্ষকসহ আটক ২ ওমরাহ এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স নবায়নের সময়সীমা বেড়েছে চলন্ত অটোরিকশায় গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, গ্রেফতার ২ চুমু দৃশ্যের বিষয়টি ভেবে দেখবেন দর্শনা বয়স কমবে ২৫ বছর, দাবি ইসরাইলি বিজ্ঞানীদের বিল গেটসকে টপকে এগিয়ে ইলন মাস্ক পটুয়াখালীতে কৃষক লীগের আনন্দ মিছিল বছরের শেষার্ধে শাওমির মুনাফা বেড়েছে ১৯ শতাংশ স্কুলের বারান্দায় মাদক সেবন, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হবিগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসককে জরিমানা পাথর সংগ্রহে চীনের ঐতিহাসিক চন্দ্রাভিযান ‘ক্ষমার অযোগ্য’ অপরাধে পদ গেল আ.লীগ নেতার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে সরগরম পশ্চিমবঙ্গ ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় কমল পাস নম্বর সংসদ সদস্য হিসেবে হাবিব হাসানের শপথ গ্রহণ রংপুরে দুই কার্যদিবসে ধর্ষণ মামলার রায় সিঙ্গাপুরে বসে বাংলাদেশে হামলার পরিকল্পনা, প্রবাসী আটক তরুণদের বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন পরিদর্শনের আহ্বান কারওয়ানবাজারে অভিযান, মাস্ক না থাকলেই জরিমানা ওয়ানপ্লাস৯ ফাইভজি’র তথ্য ফাঁস ডিএনসিসি মেয়রের সঙ্গে ভারতের রাষ্ট্রদূতের ভার্চুয়াল বৈঠক উলিপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু নিহত রুশ ভ্যাকসিন বেশি কার্যকর, দামেও কম বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে র‌্যালি রাজশাহীর জয় দিয়ে বঙ্গবন্ধু টি-২০ শুরু সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়নে ফ্রি চিকিৎসাসেবা বরিশালে মাস্ক না পরায় ৬২ জনকে জরিমানা বিমান বাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ‘এক্সচেঞ্জ’ নাটকের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ জেনেভা ক্যাম্প বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে কুড়িগ্রামে সরগরম হচ্ছে রাজনীতির মাঠ মাদারীপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় মামলা নাম পালটে প্রকাশ্যে 'নববধূ' সানা কিশোরগঞ্জে দিনব্যাপী যোগব্যায়াম প্রশিক্ষণ জন্মদিনে ১০ হাজার শিক্ষার্থীর পাশে রায়না করোনা নিয়ে কঠোর সিদ্ধান্তের পথে সরকার পিরোজপুরে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার মামলা চলবে মৌলভীবাজারে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বিষয়ে সংলাপ ডিপিডিসি পরিচালকের হুঁশিয়ারি পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নেই তাদের দেশে ডিজিটাল বাণিজ্যের পরিমাণ এক বিলিয়ন ডলার: বাণিজ্যমন্ত্রী রূপালি পর্দা ছেড়ে সংসারে মন এই নায়িকার মেহেদির অর্ধশতকে লড়াকু পুঁজি রাজশাহীর ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘নিভার’ গুরুদাসপুর থেকে সাবেক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার ইরানে হামলার গোপন পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ফরিদপুরে দুই পৌরসভা নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ দেশে করোনা আক্রান্ত ছাড়াল সাড়ে ৪ লাখ, মৃত্যু ৬৪৪৮ কুষ্টিয়ায় ভিজিডির চাল আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে ৯৯৯ এর জন্য দেয়া হলো নতুন ৩ গাড়ি ফেসবুকে ইউএনওর পোস্ট: রিয়া মণি ফিরে পেল তার স্বজনদের বাসায় ফিরলেন রিজভী আয়ারল্যান্ডে চালু হয়েছে ভাষা শিক্ষার ‘বাংলা পাঠশালা’ মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা ফের বিয়ের পিঁড়িতে গৌরব রাজধানীতে মাদক বিক্রি-সেবনের অভিযোগে গ্রেফতার ৬৬ বেগমগঞ্জে অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার যুবরাজ সালমান-নেতানিয়াহুর গোপন বৈঠক অস্বীকার সৌদির কক্সবাজারে জমে উঠেছে মহিষের লড়াই নতুন সিনেমায় সুশান্তের নায়িকা সাঞ্জনা গাঁজাসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার কোয়ারেন্টাইনে স্পেনের রাজা বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার: শামীম ঘাস চাষ শিখতে বিদেশ যাওয়ার সেই প্রকল্প অনুমোদন কুষ্টিয়ার সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত শীতের রাতে চাদরে মুড়িয়ে শিশুটিকে ফেলে গেল কারা? করোনায় ঝুঁকি এড়াতে ভার্চুয়ালে আসবে সান্তা প্রেমিকার বিয়ের খবরে প্রেমিকের আত্মহত্যা ‘কল্পনাও করিনি প্রধানমন্ত্রী এ জায়গায় আসন দেবেন’ গোল্ডেন মনিরের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর সম্পর্ক খতিয়ে দেখা হবে: কাদের মাস্ক পরা নিশ্চিতে রাজধানীতে অভিযান, জরিমানা বন্ধ হচ্ছে গ্লাভস প্রস্তুতকারক শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের অর্ধেকের বেশি কারখানা স্ত্রীকে অ্যাসিডে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার নারী লিগের শিরোপা জিততে আত্মবিশ্বাসী বসুন্ধরা কিংস
আরও সংবাদ...
বাংলাদেশিদের দেড় ঘণ্টার হামলায় ধরাশয়ী ফ্রান্সের সেই ওয়েবসাইট হেলিকপ্টারে বিয়ে করতে গেলেন রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকৌশলী ফ্রান্সে হামলা চলছে, দেখুন লাইভ ভিডিও ২০২১ সালে যেসব জিমেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে ভোটে জিতেই স্ত্রী-কন্যাকে হারান বাইডেন রামপালের কাজ বুঝিয়ে দেয়ার আগেই দেউলিয়া ভারতীয় কোম্পানি চুপিসারেই মৌলানাকে বিয়ে করলেন অভিনেত্রী সানা! (ভিডিও) গুগল ম্যাপে ধরা পড়ল বাংলাদেশি সেই জাহাজ ‘ভালোবাসার কথা বলতে না পারা মানুষটাই জীবন সঙ্গিনী’ ধর্ষণের শিকার তরুণীকে বিয়ে করলেন ‘ছোটবেলার প্রেমিক’ টয়লেটের পানি দিয়ে ফুচকার টক বানানোর সময় বিক্রেতা ধরা ৩০০ টাকা নিয়ে শহরে এসে কোটি টাকার মালিক! নতুন চুল গজানোর ঘরোয়া উপায় শুধু ধর্ষণ নয়, কাটাছেঁড়া মৃতদেহের সঙ্গে সেলফি তুলতো মুন্না ফ্রান্সে কিছুক্ষণের মধ্যেই বড় হামলার ঘোষণা নায়িকা শ্রাব‌ন্তী‌কে কুপ্রস্তাব: রিমান্ডে যা বললেন সেই যুবক সেলফি তুলতে চাওয়ায় ভক্তের ফোন ছুড়ে মারলেন সাকিব অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক ক্রিকেটার সজিবের আত্মহত্যা মুসলমানদের অনুভূতি বুঝতে পেরেছি: ম্যাক্রোঁ মেয়র লিটনের মেয়ে, ছাত্রলীগ নেত্রী অর্ণার বিয়ে মাছেও করোনাভাইরাস! বন্ধ হচ্ছে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট নবম-দশম শ্রেণিতে কোনো বিভাগ থাকছে না: শিক্ষামন্ত্রী তৃতীয় স্বামীর সঙ্গেও থাকছেন না শ্রাবন্তী! এক দিনেই মুকেশ হারালেন ৬০ হাজার কোটি টাকা! মার্কিন নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশে কত দূর? উচ্চশিক্ষার জন্য রাজধানীতে এসে লাশ হলেন মুন্না যে ৭ মানসিক ব্যাধি মানুষকে যৌন অপরাধী বানায় মুসলিমদের বড় সুখবর দিলেন বাইডেন চট্টগ্রামে বিরল শিশুর জন্ম সাকিবকে হুমকির ঘটনায় কঙ্গনার বিস্ফোরক মন্তব্য কাজলের প্রতিরাতে খরচ ৩৩ লাখ টাকা! অভিনেত্রী লীনা মারা গেছেন দেড় লাখ টাকার শাড়ি, ৯০০ বছর ধরে বুনছে এক পরিবার! অক্সফোর্ডের মুনজেরিন ঢাবিতেও প্রথম শ্রেণিতে প্রথম বাইডেনের ‘ভক্ত’ হয়ে গেছেন ফখরুল ‘সবকিছু শেষ হওয়ার পথে’ : বাইডেনের উপদেষ্টা অপুকে নিয়ে উড়াল দিলেন নিরব! নোটিশ প্রত্যাহার করে জনস্বাস্থ্য পরিচালকের দুঃখ প্রকাশ র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলমকে বদলি ছেলের পোস্টে ফের আলোচনায় শ্রাবন্তী জীবিত গরুর অণ্ডকোষ-ভুঁড়ি খেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কিশোর! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ল ‘আইসিইউ’তে ৯ তারকা! মিথিলাকে মণ্ডপে নিয়ে বিপাকে সৃজিত হাসপাতালের কর্মচারীদের মারধরে এএসপির মৃত্যু, ভিডিও প্রকাশ জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার ভারতী সিং সোনায় মোড়ানো আড়াই হাজার বছর আগের ১০০ কফিন উদ্ধার বাইডেনের সমর্থনে ৭ লাখ মানুষ হত্যা কানাডায় পাহাড় কিনলেন অক্ষয় কুমার
আরও সংবাদ...


মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে