সম্পূর্ণ নিউজ সময়
মহানগর সময়
১৮ টা ৫৮ মিঃ, ৬ নভেম্বর, ২০১৯

আজ ঘটনাবহুল ৭ নভেম্বর

আজ ঘটনাবহুল ৭ নভেম্বর। একপক্ষ দিনটিকে 'বিপ্লব ও গণসংহতি' দিবস হিসেবে উদযাপন করলেও, অন্যপক্ষের কাছে দিনটি ব্যর্থ বিপ্লব আর বিশ্বাসঘাতকতার। কারো মতে, ৭ নভেম্বর খুলে দিয়েছে গণতন্ত্র আর উন্নয়নের পথ। আবার কেউ বলছেন, এর মাধ্যমেই শুরু দুর্নীতির, শুরু স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদী চক্রের পুনর্বাসন।
ওয়েব ডেস্ক

কর্নেল তাহেরের পাল্টা অভ্যুত্থানে জেনারেল খালেদ মোশাররফ নিহত হওয়ার পর ১৯৭৫ সালের এই দিনে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন জিয়াউর রহমান। ওইদিন ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে জাসদের উদ্যোগে সিপাহী-জনতার সমাবেশে ভাষণ দেয়ার কথা থাকলেও কিছু ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তার পরামর্শে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন জিয়া। যে অভ্যুত্থানের কারণে ক্ষমতাসীন হন জিয়াউর রহমান, তা-ই পরবর্তীতে কাল হয়ে যায় কর্নেল তাহেরের জন্য।

কর্ণেল তাহেরের ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন, যখনি তিনি বের হলেন তখনই তিনি সব ভুলে গেলেন, অস্বীকার করলেন। তার ফলেই কর্ণেল তাহেরকে জীবন দিতে হলো। শত শত সৈনিকদের জীবন দিতে হয়েছে। তারই প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানকেও জীবন দিতে হয়েছে। 

বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন মনে করেন, ৭ নভেম্বরের পর বহুদলীয় রাজনীতির সুযোগ করে দেন জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের আগে দেশে বাকশাল ছিলো। জিয়াউর রহমানই দেশে বহুদলীয় রাজনীতির প্রচলন করেন। তিনিই দলগুলোকে নিবন্ধনের সুযোগ করে দিয়েছেন। 

তবে ৭ নভেম্বরের পর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী দর্শন নিয়ে জিয়াউর রহমান দেশপরিচালনা শুরু করেন বলে মন্তব্য আনোয়ার হোসেনের। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দিয়ে, টাকা ও গোয়েন্দাদের ব্যবহার করে দল গঠন করেছেন। তার দর্শনই ছিলো মুক্তিযুদ্ধবিরোধী দর্শন। 

আনোয়ার হোসেনের মতে, পেশিশক্তি ও টাকার অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে জিয়াউর রহমান পথভ্রষ্ট করে দিয়েছিলেন রাজনীতিকে। 

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়