সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাংলার সময়
২০ টা ৪৯ মিঃ, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

গরীবের পাওনা ঘর দিতেও টাকা নেন প্রভাবশালীরা

একখণ্ড জমি আছে, তবে নেই মাথা গোঁজার ঠাঁই এমন হতদরিদ্র মানুষদের পুনর্বাসনের জন্য সরকার হাতে নেয় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প। রাজশাহীতে অর্থের বিনিময়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী ও জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে। সরেজমিনে ঘুরে এমন অভিযোগের সত্যতাও পাওয়া যায়। তবে হতদরিদ্রদের জন্য নেয়া এই প্রকল্পে কোনো অনিয়মের অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।  ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় এক খণ্ড জমি আছে, এমন হতদরিদ্র মানুষদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ কর্মসূচি হাতে নেয় সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীর বাগমারা, মোহনপুর, পবাসহ ৯টি উপজেলায় ২ হাজার ১৭১টি ঘর নির্মাণ করা হয়।
সাইফুর রহমান রকি

এক লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত প্রতিটি ঘরের তালিকা করে পর্যায়ক্রমে তা বিতরণ করা হয়। তবে প্রভাবশালী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নিকট আত্মীয় ও অর্থের বিনিময়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের এই ঘর পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাসের পর মাস ঘরগুলো ফাঁকা, কেউ গুদামঘর, কেউ আবার তালাবদ্ধ অবস্থায় ফেলে রেখেছেন। এ অবস্থায় ক্ষুব্ধ গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত অসহায় মানুষেরা।

একজন বলেন, গরীবের জন্য এই জিনিসগুলো দিছে, এই জিনিসগুলা কেন টাকা দিয়ে অন্যজনকে দিবে?

অবশ্য এমন অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলেও নানা টালবাহানা প্রভাবশালী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কণ্ঠে।

দূর্গাপুর উপজেলার চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, এখানে উপজেলা চেয়ারম্যানদের কোনো সম্পৃক্ততা নাই।  

তবে এই প্রকল্পে কোনো অনিয়মের অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক এস এম আব্দুল কাদের।

তিনি বলেন, কেউ স্বজনপ্রীতি করেছে এমন অভিযোগ আসলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিব।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাগমারায় ৩৬৬টি, পবায় ২৫০, পুঠিয়া ৩৫টি, চারঘাটে ৪৮টি, দূর্গাপুরে ১২৬টি, বাঘায় ৪৮টি, তানোরে ১২৭টি, মোহনপুরে ৪৯৪টি ও গোদাগাড়িতে ৮টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়