সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাংলার সময়
৯ টা ৭ মিঃ, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বগুড়ায় যত্রতত্র খাবার তৈরির কারখানা

বগুড়ায় যত্রতত্র গড়ে উঠছে পশুর খাবার তৈরির কারখানা। নিম্নমানের এসব খাবার বিপণন হচ্ছে বগুড়ার হাটবাজার ও খামারগুলোতে। হাতেগোনা কয়েকটি ফিড মিলে মানসম্মত খাবার তৈরি হলেও 'প্রিমিক্স' এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা খাবার নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে খামারিদের। তবে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলছেন, প্রথম দিকে এসব কারখানা খোলার অনুমতি ঢালাওভাবে থাকলেও এখন নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
Somoy News
মাজেদুর রহমান


বগুড়া জেলার প্রাণিসম্পদ অফিসে গো খাদ্যে কারখানার তালিকায় রয়েছে ৩০ টির বেশি। ল্যাইসেন্স দেওয়া কারখানারগুলো হচ্ছে সরাসরি বিদেশ থেকে আমদানিকৃত কাঁচামালের ফিড মিলের তৈরি খাবার এবং প্রমেক্স কারখানা। এসব কারখানায় ভিটামিন জাতীয় খাবার তৈরি হচ্ছে। 

প্রিমিক্স কারখানার তালিকা ধরে কয়েক স্থানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এসব কারখানার কোনো অস্তিত্ব নেই। আবার দুই একটি অস্তিত্ব মিললে নেই ল্যাব্রটারি এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। মানহীন খাবার প্রস্তুত করে খাবার বাজারজাত করছে এসব কারখানা। 

বগুড়া ওয়ান ফার্মার সহকারী মো. শরিফুল ইসলাম বলছেন, 'প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনুমোদন সহকারে ভালো খাবার তৈরি করা ও নিশ্চিত করার জন্য যাতে এই খাতের ভবিষ্যত ভালো হয়।'

তামিম গ্রুপ চেয়ারম্যান মো. শাজাহান আলী বলেন, 'কিছু কিছু কোম্পানি, আমি এটাকে কোম্পানি বলবো না। এরা বিভিন্ন সোর্স থেকে খাবার তৈরি করে। এসব খাবারের গুণগতমান ঠিক আছে কিনা তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেখা উচিত।'

খামার মালিকরা বলছেন, 'বগুড়ায় ব্যাঙ্গের ছাতার মতো গড়ে উঠছে খাদ্য কারখানা। অনুমোদনবিহীন এবং মানহীন এসব কারখানার উৎপাদিত খাবার খাইয়ে পশুর কোনো উপকার হচ্ছে না। বরং ক্ষতির কারণ হচ্ছে। 

অধিকাংশ কারখানার অনুমোদন নেই স্বীকার করে নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে বলে জানান জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার। তিনি বলেন, 'যেসমস্ত ফিড মিলগুলো আমাদের এখানে রেজিস্ট্রেশন করেছে তারা নিয়ম মেনে চলছে। কিন্তু যাদের রেজিস্ট্রেশন নেই তারা কোনো নিয়ম মানছে না। অনেক কারখানাকে এখনও রেজিষ্ট্রশনের আওতায় আনা হয়নি। আমরা দেখে শুনে তাদের রেজিস্ট্রশনের আওতায় আনার জোর চেষ্টা করছি।' 

জেলার প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য মতে, 'বগুড়ার ৩৮টি কারখানার মধ্যে ১২টি কারখানার অনুমোদন এবং নবায়ন রয়েছে। তবে খামার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, 'জেলার ফিনিক্স কারখানার সংখ্যা অর্ধশতাধিক। 

© ২০২১ সময় মিডিয়া লিমিটেড
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়