সম্পূর্ণ নিউজ সময়
বাণিজ্য সময়
৩ টা ১ মিঃ, ১৫ মে, ২০১৮

জলবায়ু পরিবর্তনে চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশের কৃষি

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বাংলাদেশের কৃষি। এর সঙ্গে রয়েছে ব্লাস্টসহ নানা রোগের সংক্রমণ। গবেষণা সংস্থাগুলোর দাবি, আগামী ২০ বছরে খাদ্যশস্যের দাম বাড়বে প্রায় ৫০ শতাংশ। এ অবস্থায় আসছে বাজেটে কৃষি গবেষণা, প্রযুক্তি এবং অবকাঠামো তৈরিতে বরাদ্দ বাড়ানোর পরামর্শ কৃষিবিদদের।
বাণিজ্য সময় ডেস্ক

চলতি বোরো মৌসুমে ধান কাটার আগ মুহূর্তে কয়েক দফা ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে নষ্ট হয় ফসল। এসময় ক্ষতির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় ব্লাস্ট রোগের সংক্রমণ।

বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বলছে, শুধু কার্বন নি:সরণের কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ তাপমাত্রা বাড়বে প্রায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরইমধ্যে খরা প্রবণ হয়ে উঠছে দেশের উত্তরাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকায় বাড়ছে লবণাক্ততা। ২০১৪ সালে উত্তরাঞ্চলে তিস্তা সেচ প্রকল্পের আওতায় ৬৫ হাজার হেক্টর ফসলি জমিতে সেচ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু পানির অভাবে অর্জিত হয় নি সেই লক্ষ্যমাত্রা। বরং গত পাঁচ বছরে এ প্রকল্প থেকে বাদ পড়েছে ৫৭ হাজার হেক্টর ফসলি জমি।

বুয়েটের অধ্যাপক ড. এ কে এম সাইফুল ইসলাম বলেন, 'প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগে তাদেরকে সতর্ক করতে পারলে অনেক ক্ষেত্রে যে অনেক রকমের ঝুঁকি আছে, তা কমানো যায়। আবার ইন্স্যুরেন্সের কথাও ভাবা যায়।'

বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্র সাবেক পরিচালক ড. জীবনকৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, 'চলন বিলে আজকাল কিন্তু পানি আর দাঁড়ায় না। পানি চলে যায়। যদি এ পানি ধরে রাখা যেত তাহলে এই পানি আমরা বিভিন্নভাবে ব্যবহার করতে পারতাম।'

বাজেট বিশ্লেষণে দেখা যায়, গেল ৫ অর্থবছরে তুলনামূলক বাড়েনি কৃষিতে বরাদ্দ ও ভর্তুকির পরিমাণ। বরাবরই অবহেলিত কৃষি গবেষণা। কৃষির উন্নয়নে যাকে অন্তরায় হিসেবেই দেখছেন গবেষকরা।

বর্তমানে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৪ শতাংশের বেশি। এ অবস্থায় ফসল সংরক্ষণ ও বাজার অবকাঠামো তৈরিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ কৃষি অর্থনীতিবিদদের।

উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে বরাদ্দকৃত অর্থ ছাড় ও যথাযথ ব্যয় নিশ্চিত করার দাবিও তাদের।

© ২০২১ সময় টিভি মিডিয়া নেটওয়ার্ক
সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
DMCA.com Protection Status
সময় মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
Somoy Tv App PlayStore Somoy Tv App AppleStore
ফলো সামাজিক সময়