মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
শাশ্বত সত্য
আপডেট
২৩-০৪-২০১৮, ১৪:০৮

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি
কৃষি প্রযুক্তি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। এখন কেউ এক ফসল ঘরে তোলে না। সাথী ফসল চাষ করে দুই ফসল বা তিন ফসলের লাভ পায় কৃষকেরা। ঠিক তেমনই একটি নতুন পদ্ধতি ধান ক্ষেতে মাছ চাষ। জমিতে ধান চাষ করতে গেলে পানি লাগেই। আর এই পানি ব্যবহার করে মাছ চাষ সম্ভব। শুধু মানতে কিছু নিয়ম। আর এই প্রতিবেদনটি তাদের জন্যে যারা ধানের পাশাপাশি মাছ চাষ করে বাড়তি আয় করতে চান। সেই সঙ্গে নিজের মাছ উৎপাদন করার ভাল লাগাটায় আলাদা কিছু। আমন ও বোরো মৌসুমে ধানের সাথে কার্প জাতীয় মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ করা যায়। বছরে এ চাষ দুইবার করা সম্ভব। হাওড় অথবা নিচু জমিতে বোরো মৌসুমে ধানের সাথে মাছ চাষের যথেষ্ট সুযোগ আছে। সেচ ব্যবস্থা থাকলে উঁচু জমিতেও ধানের সাথে চাষ করা যায়। 
 


জমি নির্বাচন : যেসব জমিতে সারা বছর কিংবা কমপক্ষে ৪ থেকে ৬ মাস পানি থাকে বা ধরে রাখা যায় সেসব জমিতে ধানের সাথে অথবা ধানের পরে মাছ চাষের উপযোগী। জমির অংশ বিশেষ একটু বেশি নিচু অথবা জমির ভেতরে নালা কিংবা গর্ত আছে সেসব জমি গলদা চাষের জন্য বেশি উপযোগী। এঁটেল বা দো-আঁশ মাটির ধানক্ষেত সবচেয়ে ভালো। জমি বন্যামুক্ত হতে হবে। ধানক্ষেতের কাছাকাছি পানি সরবরাহ ও নির্গমন ব্যবস্থা থাকতে হবে। 


 জমির আইল তৈরি বা মেরামত : জমির আইল শক্ত, মজবুত ও উঁচু করতে হবে। আগে থেকে আইল বাঁধা থাকলে তা মেরামত করে নিতে হবে। জমির-তলা সমতল করতে হবে। সাধারণ বন্যায় যে পরিমাণ পানি হয় তার চেয়ে ৫০-৬০ সেন্টিমিটার উঁচু করে আইল তৈরি করা উচিত। মাছ ও গলদা চাষের জন্য পানির গভীরতা চাষ এলাকায় কমপক্ষে ১ মিটার হলে ভালো হয়। আইলের পাশে গোড়ার দিকে ৫০ সেন্টিমিটার এবং ওপরের দিকে ৩০ সেন্টিমিটার।


গর্ত বা নালা বা খাল খনন : ধানক্ষেতে মাছ ও গলদা চাষের জন্য আইল বা বাঁধের চারপাশে ভেতরের দিকে খাল অথবা সুবিধাজনক স্থানে এক বা একাধিক ডোবা বা গর্ত নির্মাণ করতে হবে।
 

জমির ঢালুর দিকে গর্ত বা ডোবা খনন করা উত্তম। মোট জমির শতকরা ১৫ ভাগ এলাকায় ডোবা ও নালা করতে হয়। ডোবা বা নালার গভীরতা ৫০-৬০ সেন্টিমিটার হলে ভালো হয়। ডোবার সাথে নালার সংযোগ থাকতে হবে। আইল থেকে নালা ১২০ সেন্টিমিটার দূরে থাকবে। নালা প্রশস্থ এবং হেলানোভাবে/ঢালু করে কাটতে হবে। মাছ বেশিরভাগ সময় এসব নিচু এলাকায় থাকবে এবং রাতে খাদ্য গ্রহণকালে কম পানি এলাকায় চলে আসবে। এ সব নিচু এলাকায় বা খালে পর্যাপ্ত পরিমাণে আশ্রয় স্থান তৈরি করে দিতে হবে। বর্ষার সময় ক্ষেত থেকে অতিরিক্ত পানি বের করার জন্য আইলের এক বা একাধিক স্থানে নির্গমন নালা রাখতে হবে। তলা থেকে ৩৫ সেন্টিমিটার উঁচুতে এ নালা করলে ক্ষেতে প্রয়োজন পরিমাণ পানি থাকবে। নির্গমন নালায় ৫ ইঞ্চি প্লাস্টিকের পাইপ বসিয়ে পাইপের মুখে তারের জাল দিতে হবে যাতে মাছ ও চিংড়ি বের না হতে পারে। 


৪. জমি তৈরি মাছের জন্য : ধানক্ষেতের উঁচু এলাকা ধানের জন্য এবং নিচু এলাকা গলদার জন্য উপযুক্তভাবে তৈরি করতে হবে। ধানের পরে গলদা চাষ করলে একইভাবে জমি তৈরি করতে হয়। প্রথমে জমির পানি নিকাশ করে শুকাতে হয়। প্রতি শতকে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে হালকা সেচ দেয়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫ কেজি হারে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। ধাপে ধাপে পানি সরবরাহ করা। প্ল্যাঙ্কটন উৎপাদনের জন্য নিয়মিত সার প্রয়োগ করতে হবে।


জমি তৈরি ধানের জন্য : জমিতে প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে ৩-৪টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি থকথকে কাদাময় করতে হবে। জমি মই দিয়ে সমতল করতে হবে। ময়লা আবর্জনা আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।


সার প্রয়োগ : সারের পরিমাণ ধানের জাতের ওপর নির্ভরশীল। উফশী জাতে যে পরিমাণ সার দিতে হয় গলদা চাষের জন্য এর চেয়ে ১৫% বেশি সার দিলে ভালো হয়।
 

সারণি : প্রতি হেক্টরে সারের পরিমাণ (কেজি)

সারের নাম  অনুমোদিত মাত্রা     ১৫% বাড়তি        মোট পরিমাণ       প্রয়োগ সময়

ইউরিয়া         ২০০                 ৩০                  ২৩০             তিন কিস্তিতে

টিএসপি        ১২০                  ১৮                  ১৩৮              শেষ চাষ

এমওপি         ৮০                   ১২                   ৯২               শেষ চাষ

জিপসাম        ৬০                    ৯                    ৬৯               শেষ চাষ


 ইউরিয়া ছাড়া অন্য সব সার সম্পূর্ণ জমি তৈরির শেষ চাষের সময় মাটিতে মিশিয়ে দিতে হয়। ইউরিয়া সমান তিনভাগ করে ধান রোপণের ১৫, ৩০ ও ৫৫ দিন পর ছিটিয়ে দিতে হবে। উপরি-প্রয়োগের সময় চিংড়িগুলো গর্ত ও নালায় নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।


ধানের জাত নির্বাচন : বোরো মৌসুমের জন্যÑ বিআর-১, বিআর-২, বিআর-৩, বিআর-৭, বিআর-৮, বিআর-৯, বিআর-১২, বিআর-১৪, বিআর-১৮, ব্রিধান-৩৫, ব্রিধান-৪৭ ও ব্রিধান-৫৫। আমন মৌসুমের জন্যÑ বিআর-৩, বিআর-৪, বিআর-১০, বিআর-১১, বিআর-২২, বিআর-২৩, ব্রিধান৪০, ব্রিধান৪১, ব্রিধান৪৪ ও ব্রিধান৫৬।
 

চারা রোপণ : কমপক্ষে এক মাস বয়সের চারা লাগানো দরকার। ধানের লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব প্রায় ২৫ সেন্টিমিটার এবং লাইনে গোছার দূরত্ব প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এরূপ ২/৩টি করে চারা-মুক্ত গোছাগুলো রোপণ করা যেতে পারে; তবে আরও ভালো হয় জোড়ায় জোড়ায় সারিগুলো স্থাপন করলে। জোড়ার ভেতরে সারি দুটির দূরত্ব কমিয়ে বা ১৫ সেন্টিমিটার করে, এক জোড়া থেকে অপর জোড়ার দূরত্ব বাড়িয়ে ৩৫ সেন্টিমিটার করা যায়। এতে মাছ ও চিংড়ির চলাফেরা সুবিধা হবে এবং পানিতে প্রচুর সূর্যালোক পড়বে। এভাবে মাছ ও চিংড়ির খাদ্য দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে তার দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুততর হবে।


পানি সরবরাহ : নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় থেকে ছেঁকে পানি সরবরাহ করলে ভালো হয়। প্রথম অবস্থায় ৫-৬ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করতে হয়। পরে ধান বৃদ্ধির অবস্থা অনুসারে পানি সরবরাহ করতে হয়। চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর ১০-১৫ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ির পোনা ছাড়তে হবে।


পোনা মজুদ : মাছ ও চিংড়ির পোনা ধানক্ষেতে ছাড়ার জন্য যেসব বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে-
পোনা ছাড়া ও মজুদের হার : ধানক্ষেতে শুধু চিংড়ির চাষ করতে হেক্টর-প্রতি ১০-১৫ হাজার পোনা ছাড়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫০-৬০টি পোনা ছাড়তে হয়। পোনা কমপক্ষে ৫ সেন্টিমিটার লম্বা হওয়া উচিত। মাছ চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকে রাজপুটি, নাইলোটিকা ও মিররকাপ ১০-১৫টি পোনা ছাড়তে হয়।


পোনা ছাড়ার নিয়ম : ক্ষেতে ধান রোপণের ২০-২৫ দিন পর চিংড়ির পোনা ছাড়া হয়। জমিতে ধানের চারা লেগে গিয়ে বেশ কিছুটা বেড়েছে এমন পর্যায়ই পোনা ছাড়া উপযুক্ত। কারণ খালি বা খোলা জমিতে পোনা না ছাড়াই ভালো। জমিতে পোনা ছাড়ার সবচেয়ে ভালো সময় সকাল ও বিকাল বেলা। যে পাত্রে পোনা আনা হয় তা ক্ষেতের পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখার পর যখন ক্ষেতের ও পাত্রের পানির তাপমাত্রা সমান হয় তখন পাত্রটি কাত করে আস্তে আস্তে পোনা ছাড়তে হবে। তাহলে পোনাগুলো তাপে কোনো আকস্মিক পরিবর্তনের শিকার হবে না।


পরিচর্যা : ধানক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষে কোনো বাড়তি খাবার না দিয়েও মাছ ও চিংড়ি উৎপাদন হতে পারে। মাছ ও চিংড়ি ধানক্ষেতের শ্যাওলা, পোকামাকড়, কিড়া ও পচনশীল দ্রব্যাদি খেয়ে থাকে। তবে কিছু খাবার প্রয়োগ করলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। এর জন্য শুরুতে চালের কুঁড়া ও গোবর ১ঃ৩ অনুপাত মিশিয়ে বল আকারে হেক্টর-প্রতি ১০ কেজি পরিমাণে প্রতি ৭ দিন পরপর গর্তে দিতে হবে। মাছ ও চিংড়ি ছাড়ার মাস খানেক পর থেকে, মোট মাছ ও চিংড়ির ওজন অনুমান করে ওজনের ৩-৫% হারে খৈল ও ভুসি বা কুঁড়া ১ঃ১ অনুপাতে মিশিয়ে একদিন পরপর গর্তে প্রয়োগ করতে হবে। এ উদ্দেশ্যে খৈল একরাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে গমের ভুসি বা চালের কুঁড়ার সাথে মিশিয়ে বল আকারে বিকালে কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে।


ধানের পরিচর্যা : ধানক্ষেতের বিভিন্ন পরিচর্যা, যেমন- আগাছা দমন, ইউরিয়া উপরি-প্রয়োগ, পর্যায়ক্রমে জমি শুকানো ও ভিজানো কাজগুলো প্রচলিত পদ্ধতিতে করা যায়। সারের উপরি-প্রয়োগের সময় যেন পরিখা বা গর্তে পানি থাকে, কিন্তু জমিতে বেশি পানি না থাকে এটা খেয়াল রাখতে হবে।


ধানের পোকা ও রোগ দমনের জন্যে কীটনাশক প্রয়োগ না করে জৈবিক দমন, বালাই-সহনশীল জাতের চাষ, আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে হাতজাল, আলোর ফাঁদ, সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ, কঞ্চি পুঁতে পাখি বসতে দেয়া, ডিমের গাদা নষ্ট করা যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে যায়।


মাছ ও চিংড়ি ধরা : ধান পাকা শুরু হলে ক্ষেতের পানি ধীরে ধীরে কমাতে হবে। এতে মাছ ও চিংড়িগুলো পরিখা বা গর্তে গিয়ে আশ্রয় নেবে। তখন প্রথমে ধান কেটে পরে চিংড়ি ধরতে হবে। কোনো কারণে ধান পাকার আগেই পানি শুকাতে শুরু করলে, ধান কাটার আগেও মাছ ও চিংড়ি ধরা যায়। আবার সুযোগ থাকলে এবং মাছ ও চিংড়ি বিক্রির আকারে না পৌঁছলে অর্থাৎ প্রতিটি যথাক্রমে ১০০ ও ৩৫ গ্রাম ওজনের না হলে ধান কাটার পরও মাছ ও চিংড়ি ক্ষেতে রেখে বড় করে নেয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে আবার পানি দিতে হবে।


মাছ ও চিংড়ির ফলন : বোরো ধান ক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করলে, বাড়তি খাবার ছাড়াই এর উৎপাদন হেক্টর-প্রতি প্রায় ২৮০ কেজি চিংড়ি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন প্রায় ৪০০ কেজি পর্যন্ত হয়। আমন ধান ক্ষেতে বাড়তি খাবার ছাড়া চিংড়ি হেক্টর-প্রতি ১০০-১৫০ কেজি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন ২০০-৩০০ কেজি হতে পারে। মাছ হেক্টর-প্রতি ২৫০-৩০০ কেজি হয়।
 

ধানের পর মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ : জমি থেকে বোরো  আমন ধান কাটার পর জমিতে পানি থাকলে অথবা পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। যেসব জমি ধান কাটার পর ১-২ মাস পতিত থাকার সম্ভাবনা থাকে সেসব জমিতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। ধানের পর মাছ ও চিংড়ি চাষের পদ্ধতি কিছু কিছু অংশ ধানের সাথে মাছ ও চিংড়ি চাষের মতো। সম্পূর্ণ কাজ কর্মগুলোকে তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত করা যায়। এগুলো হচ্ছে-
 

গর্ত ও নালা তৈরি : মাছ ও চিংড়ি উৎপাদনকালে এসব জমিতে প্রচুর পানি থাকে, আবার মাছ ও চিংড়ির সাথে ধান থাকে না সেজন্য এ জমিতে পরিখা বা গর্ত খননের প্রয়োজন নেই তবে মাছ ও চিংড়ি ধরার সুবিধার জন্য জমির নিচু স্থানে গর্ত খুঁড়ে রাখলে ভালো হয়।
 

সার প্রয়োগ : ধানের জন্য অনুমোদিত সার ধান চাষেই ব্যবহার করতে হবে। মাছ ও চিংড়ি চাষের জন্য অতিরিক্ত ১৫% হারে সার চিংড়ি চাষে প্রয়োগ করতে হবে।
সাবধানতা
 

ধানক্ষেতের পানি যেন শুকিয়ে না যায়, কিংবা এত কমে না যায় যে পানি বেশ গরম হয়ে উঠে। উভয় অবস্থায়ই চিংড়ি মারা যেতে পারে। ২. অতি বৃষ্টি অথবা অন্য কোনো কারণে যেন পানি জমে আইল উপচে না যায়। পানি উপচে পড়লে পানির সাথে চিংড়ি বের হয়ে যাবে। ৩. পানি নির্গমন পথে যেন তারের জাল বা বাঁশের বানা দৃঢ়ভাবে আটকে থাকে। অন্যথায় মাছ ও চিংড়ি পানির সাথে চলে যেতে পারে। ৪. ক্ষেতের পানি কমে গেলে সাপ, বড় ব্যাঙ, ইঁদুর ও শিয়াল ইত্যাদি প্রাণী মাছ ও চিংড়ি খেয়ে ফেলার আশংকা থাকে।


সূত্র: বাংলাদেশ সরকার কৃষি তথ্য সার্ভিস



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
১৪৯২৫৮ ৮৪০২১ ৫৯৬২৪ ১৮৮৮
বিস্তারিত
মিয়ানমারে খনি ধসে নিহত ১১৩, আটকে আছে ২০০ জনের বেশি সিলেটে কিশোরী উদ্ধার, দুই পাচারকারী আটক ৮৮ হাজার কোটি টাকা হাওয়া! বগুড়ার হাট বাজারে ধানের দাম ভালো দিশেহারা মানিকগঞ্জের কৃষকেরা এবার সীমান্তে এস-৪০০ মোতায়েন করলো চীন করোনামুক্ত হলেন স্পিনার নাজমুল ইসলাম ২০২৩ ভারত বিশ্বকাপ নিয়ে এখনই প্রস্তুতি নিচ্ছেন অ্যারন ফিঞ্চ ডার্বিতে চেলসির হার বেনাপোল বন্দরে টানা কর্মবিরতিতে আমদানি বন্ধ ‘জামায়াতের সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই’, শফীপুত্রের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বাবুনগরী যুক্তরাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে বোনাস বাতিলের প্রতিবাদে শ্রমিক-কর্মচারীদের বিক্ষোভ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে জবানবন্দির মুখে সাঙ্গাকারা বাংলাদেশে আবিষ্কৃত করোনার ভ্যাকসিনের বিরাট অগ্রগতি, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের উদ্যোগ চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতিই কি অস্ট্রেলিয়ার ‘আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা কৌশল’? কেবল ক্রিকেটই খেলেছেন মাহেলা জয়াবর্ধনে বিশ্বকাপের ফাইনাল ভারতের কাছে বিক্রি, সিলভাকে ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ ফেনীতে পালক বাবার নির্যাতনে মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা! ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট নিয়ে মাঠে ফিরছে ক্রিকেট করোনায় অবরুদ্ধ ক্রীড়া সাংবাদিকতা অসামাজিক কাজের অভিযোগে ইউপি সদস্যকে গণপিটুনি চীনের বিরুদ্ধে বিরাট পদক্ষেপ নিল ব্রিটেন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭শ’ ছাড়াল যশোরে কোয়ারেন্টাইনে ৪৭ ছাগল-ভেড়া! সুনামগঞ্জে বানের জলে ভেসে গেছে ২১ কোটি টাকার মাছ শিবচরে সরকারি চাল চুরি, গোডাউনে আগুন টাঙ্গাইলে চরাঞ্চাল প্লাবিত, পানিবন্দি হাজার হাজার মানুষ একনজরে করোনার নেতিবাচক প্রভাব টিকটক বন্ধ করায় চটেছেন অভিনেত্রী মিমি ও নুসরাত সুস্বাদু তালের পুডিং করোনা মানবজাতির জন্য একটি পরীক্ষা ঝিনাইদহে নতুন ২৭ জন করোনায় আক্রান্ত আতঙ্কের জনপদ নড়াইলের গোন্ডব-চালিঘাট ধামরাইয়ে নদীতে নিখোঁজ কৃষকের মরদেহ উদ্ধার চীনা অ্যাপ বন্ধ করে বিপাকে মোদি খাশোগি হত্যায় অভিযুক্তদের বিচার করছে তুরস্ক ঘোড়াঘাট থানার ওসি'র করোনা শনাক্ত করোনা: কুমেক থেকে ছাড়পত্র পেলেন ১৫ জন অবশেষে চার যুবলীগ নেতা বহিষ্কার মানিকগঞ্জে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, খাদ্য-বিশুদ্ধ পানি সংকট উচ্চমূল্যে আগাম বিক্রি হয় নারীরা, অতঃপর... চীনের বিরুদ্ধে ভারতের কৌঁসুলি হামলা বিহারে বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু লাদাখে ২০ হাজার সেনা মোতায়েন চীনের, যুদ্ধে প্রস্তুত ভারতও ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধে ভাঙন ভালো নেই যুক্তরাষ্ট্র অন্তঃসত্ত্বা নারীকে কুপিয়ে আহত করে জায়গা দখলের অভিযোগ কাজ হারানো মানুষের চাপ বাড়ছে উত্তরাঞ্চলে পিছু হটলো গ্রামীণফোন করোনা নিয়েই স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে বিশ্ব করোনা সংক্রমণ বাড়লেও মাস্কে অনীহা চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের তাড়িয়ে দিচ্ছে ঢাকার বাড়িওয়ালারা, মালামাল ভাগাড়ে! আর নবায়ন হবে না বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেয়াদ তাদের এখন কী হবে বিপদ বাড়বে মেষের, অশান্তি বৃষের করোনা প্রতিরোধে ব্রিটিশ যুবকের স্মার্ট ঘড়ি আবিষ্কার যে ৫ ভুলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে আইসিসির চেয়ারম্যানের পদ ছাড়লেন শশাঙ্ক মনোহর যৌতুকের জন্য বাবার হাতে ছেলে খুন ভারতে হামলার হুমকি পাকিস্তানের, নিরাপত্তা জোরদার দাড়ি না গজালে কী করবেন? গৃহকর্মীর শরীরে গরম তেল ঢেলে নির্যাতন, অতপর... যে কোন সময় বিদেশ নেওয়া হতে পারে সাহারা খাতুনকে পদত্যাগ করেছেন নেদারল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরে নেশাগ্রস্ত পুলিশ কর্মকর্তা পেটালেন সরকারী কর্মকর্তাকে, অতঃপর বরখাস্ত (ভিডিও) ভারতের ইটের জবাব পাথরে দিল বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাজারের কোটা ছাড়ালো করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হিরো আলমের আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস বকুল মিয়ার দেশে ফেরা হলো না আসছে ভ্যাট অনার কার্ড শাক ভেবে 'গাঁজা পাতা' রান্না করে খেলেন তারা, অতঃপর... এক যুগ পূর্ণ করলো ডিপিডিসি হাওরপাড়ের শতাধিক পরিবারে ৫’শ হাঁস প্রদান মেস ভাড়া মওকুফের প্রজ্ঞাপন দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ব্যর্থ হয়ে গেল চীন-ভারতের আলোচনা ঢাকা থেকে দুবাই ও আবুধাবি রুটে ফ্লাইট চালুর ঘোষণা সৈয়দপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের দুই সদস্য গ্রেপ্তার হাকিমপুর পৌরসভায় ২৮ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা পদ্মায় জেলের জালে বিশাল আকৃতির বাগাড় কি যেন হয়েছে বার্সার! গাইবান্ধায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৭৪ বস্তা চাল উদ্ধার, আটক ২ কার প্রশংসার ফুলঝুরি মাহেলার কন্ঠে? জোড়াতালি ঘরে আতঙ্কে রাত কাটছে হালিমার পরিবারের মেট্রোরেলের কাজে ছন্দ ফিরবে কবে? টাকা দিয়ে এডিসের লার্ভা ধ্বংসে ডিএসসিসি’র সেবা নেয়া যাবে পঙ্গপাল নিয়ন্ত্রণে ড্রোন নামাল ভারত হংকং নিরাপত্তা আইন ভঙ্গের শাস্তি যাবজ্জীবন হু হু করে বাড়ছে যমুনার পানি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংখ্যালঘু বাড়িতে ডাকাতি, নারীদের নির্যাতন ইউনিলিভার থেকে ফেসবুকের আয় কত ছিল? খাগড়াছড়িতে গর্ভবতী মায়েদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে বিজিবি রেলপথে বাণিজ্যের পরিকল্পনা সরকারের মেঘনায় নিখোঁজের ২৬ ঘণ্টা পরও উদ্ধার হয়নি শিশু করোনায় বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি কত? নেত্রকোনায় ভারতীয় মদসহ স্থানীয়দের হাতে যুবক আটক বাংলাদেশের করোনা ভ্যাকসিন তৈরির দাবি ও বাস্তবতা ভারতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বয়লার বিস্ফোরণে মৃত্যু ৪ ‘পাটখাতকে বিএনপিই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল’ চীন-ভারত যুদ্ধ যদি লেগেই যায় জিতবে কে?
আরও সংবাদ...
সাধারণ ছুটি আর বাড়ছে না একযোগে ৫০ জেলা সম্পূর্ণ লকডাউনের পুরোনা ঘোষণায় বিভ্রান্তি করোনায় আক্রান্ত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে অমানবিক স্ট্যাটাস, গ্রেফতার হলেন বেরোবি প্রভাষিকা ২৫ হাজার বর্গ মাইল নতুন ভূমি যুক্ত হতে পারে বাংলাদেশে কালোজিরাতেই সেরে যাচ্ছে করোনা, মদিনার গবেষকদের বিস্ময়কর দাবি দেশের ৮০ শতাংশ লোকের করোনা হবে: ড. বিজন যে ওষুধে ‘করোনায় সুস্থের হার বাড়ছে’ বাংলাদেশে ঢাকার যেসব এলাকা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত রোববার থেকেই ঢাকায় জোনভিত্তিক লকডাউন মোহাম্মদ নাসিম আর নেই বিভিন্ন স্থানে রেড জোন ঘোষণা করে লকডাউনের প্রজ্ঞাপন আজই অফিস শুরুর তৃতীয় দিনে আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড, মৃত্যু ৩৭ অফিস খোলার প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ মৃত্যু, শনাক্ত আড়াই হাজারের বেশি শনাক্ত মৃত্যুতে নতুন রেকর্ড আজ দেশে প্লাজমা থেরাপিতে একদিনেই বিস্ময়কর সাফল্য ৯ বছরের সংসার ভাঙল অভিনেতা অপূর্ব-অদিতির অফিস খোলা ও চলাচলে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি পরিস্থিতি অনুকূল না হলে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না: শিক্ষামন্ত্রী রাশিয়ায় নদীর পানি রক্তবর্ণ, জরুরি অবস্থা ঘোষণা লকডাউনে রেড জোনে কাজ চলবে যেভাবে ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে ফেরত পাবেন যেভাবে সর্বাধিক মৃত্যুর দিনে আক্রান্তও সর্বোচ্চ বলিউড হিরো সুশান্ত সিংয়ের মরদেহ উদ্ধার, পুলিশের ধারণা আত্মহত্যা সহকর্মীরাই হত্যা করেন গাজীপুরের সেই প্রকৌশলীকে ঢাকার অনেক মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি চলে এসেছে: ড. বিজন শীল মানুষ যাতে খেয়ে-পরে বাঁচতে পারে সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে শনাক্ত আড়াই হাজার, মৃত্যু ৩৫ জনের দেশে নতুন আক্রান্ত ২৬৯৫, মৃত্যু বেড়ে ৭৪৬ দেশে সর্বোচ্চ আক্রান্তের দিনে ১৪ জনের মৃত্যু সাধারণ ছুটির আওতায় ঢাকার যে ৪৫ এলাকা আজও শনাক্ত সহস্রাধিক, মৃত্যু ২১ জনের সীমিত পরিসরে চলবে গণপরিবহন দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যুর দিনে আক্রান্ত ২৭৪৩ সাধারণ ছুটি আর নয়, হবে এলাকাভিত্তিক লকডাউন আজও ৪২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত আড়াই হাজারের বেশি শনাক্ত দেড় সহস্রাধিক, মৃত্যু ২২ জনের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ধাপে ধাপে খোলা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী শনাক্তের সব রেকর্ড ভাঙল আজ নোবেলের তামাশায় ৯ ঘণ্টায় ৯৪ হাজার ডিসলাইক আম্পানের পর আসছে ঘূর্ণিঝড় 'নিসর্গ' আরো বাড়লো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি দেশে আরও ২২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৩৮১ বিশ্বজুড়ে আবারও ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে করোনা ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ আর নেই ৭ হাজার টাকায় মিলছে করোনা নেগেটিভের সনদ! রেকর্ড শনাক্তের দিন ২০ জনের মৃত্যু দেশে সর্বাধিক আক্রান্ত-মৃত্যুর রেকর্ড দেশে আক্রান্ত ছাড়াল ৯০ হাজার, মৃত্যু বেড়ে ১২০৯ আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে, মৃত্যু ৪৪
আরও সংবাদ...

মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TVEnglish DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে