শাশ্বত সত্য
আপডেট
২৩-০৪-২০১৮, ১৪:০৮

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি
কৃষি প্রযুক্তি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। এখন কেউ এক ফসল ঘরে তোলে না। সাথী ফসল চাষ করে দুই ফসল বা তিন ফসলের লাভ পায় কৃষকেরা। ঠিক তেমনই একটি নতুন পদ্ধতি ধান ক্ষেতে মাছ চাষ। জমিতে ধান চাষ করতে গেলে পানি লাগেই। আর এই পানি ব্যবহার করে মাছ চাষ সম্ভব। শুধু মানতে কিছু নিয়ম। আর এই প্রতিবেদনটি তাদের জন্যে যারা ধানের পাশাপাশি মাছ চাষ করে বাড়তি আয় করতে চান। সেই সঙ্গে নিজের মাছ উৎপাদন করার ভাল লাগাটায় আলাদা কিছু। আমন ও বোরো মৌসুমে ধানের সাথে কার্প জাতীয় মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ করা যায়। বছরে এ চাষ দুইবার করা সম্ভব। হাওড় অথবা নিচু জমিতে বোরো মৌসুমে ধানের সাথে মাছ চাষের যথেষ্ট সুযোগ আছে। সেচ ব্যবস্থা থাকলে উঁচু জমিতেও ধানের সাথে চাষ করা যায়। 
 


জমি নির্বাচন : যেসব জমিতে সারা বছর কিংবা কমপক্ষে ৪ থেকে ৬ মাস পানি থাকে বা ধরে রাখা যায় সেসব জমিতে ধানের সাথে অথবা ধানের পরে মাছ চাষের উপযোগী। জমির অংশ বিশেষ একটু বেশি নিচু অথবা জমির ভেতরে নালা কিংবা গর্ত আছে সেসব জমি গলদা চাষের জন্য বেশি উপযোগী। এঁটেল বা দো-আঁশ মাটির ধানক্ষেত সবচেয়ে ভালো। জমি বন্যামুক্ত হতে হবে। ধানক্ষেতের কাছাকাছি পানি সরবরাহ ও নির্গমন ব্যবস্থা থাকতে হবে। 


 জমির আইল তৈরি বা মেরামত : জমির আইল শক্ত, মজবুত ও উঁচু করতে হবে। আগে থেকে আইল বাঁধা থাকলে তা মেরামত করে নিতে হবে। জমির-তলা সমতল করতে হবে। সাধারণ বন্যায় যে পরিমাণ পানি হয় তার চেয়ে ৫০-৬০ সেন্টিমিটার উঁচু করে আইল তৈরি করা উচিত। মাছ ও গলদা চাষের জন্য পানির গভীরতা চাষ এলাকায় কমপক্ষে ১ মিটার হলে ভালো হয়। আইলের পাশে গোড়ার দিকে ৫০ সেন্টিমিটার এবং ওপরের দিকে ৩০ সেন্টিমিটার।


গর্ত বা নালা বা খাল খনন : ধানক্ষেতে মাছ ও গলদা চাষের জন্য আইল বা বাঁধের চারপাশে ভেতরের দিকে খাল অথবা সুবিধাজনক স্থানে এক বা একাধিক ডোবা বা গর্ত নির্মাণ করতে হবে।
 


জমির ঢালুর দিকে গর্ত বা ডোবা খনন করা উত্তম। মোট জমির শতকরা ১৫ ভাগ এলাকায় ডোবা ও নালা করতে হয়। ডোবা বা নালার গভীরতা ৫০-৬০ সেন্টিমিটার হলে ভালো হয়। ডোবার সাথে নালার সংযোগ থাকতে হবে। আইল থেকে নালা ১২০ সেন্টিমিটার দূরে থাকবে। নালা প্রশস্থ এবং হেলানোভাবে/ঢালু করে কাটতে হবে। মাছ বেশিরভাগ সময় এসব নিচু এলাকায় থাকবে এবং রাতে খাদ্য গ্রহণকালে কম পানি এলাকায় চলে আসবে। এ সব নিচু এলাকায় বা খালে পর্যাপ্ত পরিমাণে আশ্রয় স্থান তৈরি করে দিতে হবে। বর্ষার সময় ক্ষেত থেকে অতিরিক্ত পানি বের করার জন্য আইলের এক বা একাধিক স্থানে নির্গমন নালা রাখতে হবে। তলা থেকে ৩৫ সেন্টিমিটার উঁচুতে এ নালা করলে ক্ষেতে প্রয়োজন পরিমাণ পানি থাকবে। নির্গমন নালায় ৫ ইঞ্চি প্লাস্টিকের পাইপ বসিয়ে পাইপের মুখে তারের জাল দিতে হবে যাতে মাছ ও চিংড়ি বের না হতে পারে। 


৪. জমি তৈরি মাছের জন্য : ধানক্ষেতের উঁচু এলাকা ধানের জন্য এবং নিচু এলাকা গলদার জন্য উপযুক্তভাবে তৈরি করতে হবে। ধানের পরে গলদা চাষ করলে একইভাবে জমি তৈরি করতে হয়। প্রথমে জমির পানি নিকাশ করে শুকাতে হয়। প্রতি শতকে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে হালকা সেচ দেয়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫ কেজি হারে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। ধাপে ধাপে পানি সরবরাহ করা। প্ল্যাঙ্কটন উৎপাদনের জন্য নিয়মিত সার প্রয়োগ করতে হবে।


জমি তৈরি ধানের জন্য : জমিতে প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে ৩-৪টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি থকথকে কাদাময় করতে হবে। জমি মই দিয়ে সমতল করতে হবে। ময়লা আবর্জনা আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।


সার প্রয়োগ : সারের পরিমাণ ধানের জাতের ওপর নির্ভরশীল। উফশী জাতে যে পরিমাণ সার দিতে হয় গলদা চাষের জন্য এর চেয়ে ১৫% বেশি সার দিলে ভালো হয়।
 

সারণি : প্রতি হেক্টরে সারের পরিমাণ (কেজি)

সারের নাম  অনুমোদিত মাত্রা     ১৫% বাড়তি        মোট পরিমাণ       প্রয়োগ সময়

ইউরিয়া         ২০০                 ৩০                  ২৩০             তিন কিস্তিতে

টিএসপি        ১২০                  ১৮                  ১৩৮              শেষ চাষ

এমওপি         ৮০                   ১২                   ৯২               শেষ চাষ

জিপসাম        ৬০                    ৯                    ৬৯               শেষ চাষ


 ইউরিয়া ছাড়া অন্য সব সার সম্পূর্ণ জমি তৈরির শেষ চাষের সময় মাটিতে মিশিয়ে দিতে হয়। ইউরিয়া সমান তিনভাগ করে ধান রোপণের ১৫, ৩০ ও ৫৫ দিন পর ছিটিয়ে দিতে হবে। উপরি-প্রয়োগের সময় চিংড়িগুলো গর্ত ও নালায় নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।


ধানের জাত নির্বাচন : বোরো মৌসুমের জন্যÑ বিআর-১, বিআর-২, বিআর-৩, বিআর-৭, বিআর-৮, বিআর-৯, বিআর-১২, বিআর-১৪, বিআর-১৮, ব্রিধান-৩৫, ব্রিধান-৪৭ ও ব্রিধান-৫৫। আমন মৌসুমের জন্যÑ বিআর-৩, বিআর-৪, বিআর-১০, বিআর-১১, বিআর-২২, বিআর-২৩, ব্রিধান৪০, ব্রিধান৪১, ব্রিধান৪৪ ও ব্রিধান৫৬।
 

চারা রোপণ : কমপক্ষে এক মাস বয়সের চারা লাগানো দরকার। ধানের লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব প্রায় ২৫ সেন্টিমিটার এবং লাইনে গোছার দূরত্ব প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এরূপ ২/৩টি করে চারা-মুক্ত গোছাগুলো রোপণ করা যেতে পারে; তবে আরও ভালো হয় জোড়ায় জোড়ায় সারিগুলো স্থাপন করলে। জোড়ার ভেতরে সারি দুটির দূরত্ব কমিয়ে বা ১৫ সেন্টিমিটার করে, এক জোড়া থেকে অপর জোড়ার দূরত্ব বাড়িয়ে ৩৫ সেন্টিমিটার করা যায়। এতে মাছ ও চিংড়ির চলাফেরা সুবিধা হবে এবং পানিতে প্রচুর সূর্যালোক পড়বে। এভাবে মাছ ও চিংড়ির খাদ্য দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে তার দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুততর হবে।


পানি সরবরাহ : নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় থেকে ছেঁকে পানি সরবরাহ করলে ভালো হয়। প্রথম অবস্থায় ৫-৬ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করতে হয়। পরে ধান বৃদ্ধির অবস্থা অনুসারে পানি সরবরাহ করতে হয়। চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর ১০-১৫ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ির পোনা ছাড়তে হবে।


পোনা মজুদ : মাছ ও চিংড়ির পোনা ধানক্ষেতে ছাড়ার জন্য যেসব বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে-
পোনা ছাড়া ও মজুদের হার : ধানক্ষেতে শুধু চিংড়ির চাষ করতে হেক্টর-প্রতি ১০-১৫ হাজার পোনা ছাড়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫০-৬০টি পোনা ছাড়তে হয়। পোনা কমপক্ষে ৫ সেন্টিমিটার লম্বা হওয়া উচিত। মাছ চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকে রাজপুটি, নাইলোটিকা ও মিররকাপ ১০-১৫টি পোনা ছাড়তে হয়।


পোনা ছাড়ার নিয়ম : ক্ষেতে ধান রোপণের ২০-২৫ দিন পর চিংড়ির পোনা ছাড়া হয়। জমিতে ধানের চারা লেগে গিয়ে বেশ কিছুটা বেড়েছে এমন পর্যায়ই পোনা ছাড়া উপযুক্ত। কারণ খালি বা খোলা জমিতে পোনা না ছাড়াই ভালো। জমিতে পোনা ছাড়ার সবচেয়ে ভালো সময় সকাল ও বিকাল বেলা। যে পাত্রে পোনা আনা হয় তা ক্ষেতের পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখার পর যখন ক্ষেতের ও পাত্রের পানির তাপমাত্রা সমান হয় তখন পাত্রটি কাত করে আস্তে আস্তে পোনা ছাড়তে হবে। তাহলে পোনাগুলো তাপে কোনো আকস্মিক পরিবর্তনের শিকার হবে না।


পরিচর্যা : ধানক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষে কোনো বাড়তি খাবার না দিয়েও মাছ ও চিংড়ি উৎপাদন হতে পারে। মাছ ও চিংড়ি ধানক্ষেতের শ্যাওলা, পোকামাকড়, কিড়া ও পচনশীল দ্রব্যাদি খেয়ে থাকে। তবে কিছু খাবার প্রয়োগ করলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। এর জন্য শুরুতে চালের কুঁড়া ও গোবর ১ঃ৩ অনুপাত মিশিয়ে বল আকারে হেক্টর-প্রতি ১০ কেজি পরিমাণে প্রতি ৭ দিন পরপর গর্তে দিতে হবে। মাছ ও চিংড়ি ছাড়ার মাস খানেক পর থেকে, মোট মাছ ও চিংড়ির ওজন অনুমান করে ওজনের ৩-৫% হারে খৈল ও ভুসি বা কুঁড়া ১ঃ১ অনুপাতে মিশিয়ে একদিন পরপর গর্তে প্রয়োগ করতে হবে। এ উদ্দেশ্যে খৈল একরাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে গমের ভুসি বা চালের কুঁড়ার সাথে মিশিয়ে বল আকারে বিকালে কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে।


ধানের পরিচর্যা : ধানক্ষেতের বিভিন্ন পরিচর্যা, যেমন- আগাছা দমন, ইউরিয়া উপরি-প্রয়োগ, পর্যায়ক্রমে জমি শুকানো ও ভিজানো কাজগুলো প্রচলিত পদ্ধতিতে করা যায়। সারের উপরি-প্রয়োগের সময় যেন পরিখা বা গর্তে পানি থাকে, কিন্তু জমিতে বেশি পানি না থাকে এটা খেয়াল রাখতে হবে।


ধানের পোকা ও রোগ দমনের জন্যে কীটনাশক প্রয়োগ না করে জৈবিক দমন, বালাই-সহনশীল জাতের চাষ, আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে হাতজাল, আলোর ফাঁদ, সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ, কঞ্চি পুঁতে পাখি বসতে দেয়া, ডিমের গাদা নষ্ট করা যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে যায়।


মাছ ও চিংড়ি ধরা : ধান পাকা শুরু হলে ক্ষেতের পানি ধীরে ধীরে কমাতে হবে। এতে মাছ ও চিংড়িগুলো পরিখা বা গর্তে গিয়ে আশ্রয় নেবে। তখন প্রথমে ধান কেটে পরে চিংড়ি ধরতে হবে। কোনো কারণে ধান পাকার আগেই পানি শুকাতে শুরু করলে, ধান কাটার আগেও মাছ ও চিংড়ি ধরা যায়। আবার সুযোগ থাকলে এবং মাছ ও চিংড়ি বিক্রির আকারে না পৌঁছলে অর্থাৎ প্রতিটি যথাক্রমে ১০০ ও ৩৫ গ্রাম ওজনের না হলে ধান কাটার পরও মাছ ও চিংড়ি ক্ষেতে রেখে বড় করে নেয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে আবার পানি দিতে হবে।


মাছ ও চিংড়ির ফলন : বোরো ধান ক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করলে, বাড়তি খাবার ছাড়াই এর উৎপাদন হেক্টর-প্রতি প্রায় ২৮০ কেজি চিংড়ি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন প্রায় ৪০০ কেজি পর্যন্ত হয়। আমন ধান ক্ষেতে বাড়তি খাবার ছাড়া চিংড়ি হেক্টর-প্রতি ১০০-১৫০ কেজি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন ২০০-৩০০ কেজি হতে পারে। মাছ হেক্টর-প্রতি ২৫০-৩০০ কেজি হয়।
 

ধানের পর মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ : জমি থেকে বোরো  আমন ধান কাটার পর জমিতে পানি থাকলে অথবা পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। যেসব জমি ধান কাটার পর ১-২ মাস পতিত থাকার সম্ভাবনা থাকে সেসব জমিতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। ধানের পর মাছ ও চিংড়ি চাষের পদ্ধতি কিছু কিছু অংশ ধানের সাথে মাছ ও চিংড়ি চাষের মতো। সম্পূর্ণ কাজ কর্মগুলোকে তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত করা যায়। এগুলো হচ্ছে-
 

গর্ত ও নালা তৈরি : মাছ ও চিংড়ি উৎপাদনকালে এসব জমিতে প্রচুর পানি থাকে, আবার মাছ ও চিংড়ির সাথে ধান থাকে না সেজন্য এ জমিতে পরিখা বা গর্ত খননের প্রয়োজন নেই তবে মাছ ও চিংড়ি ধরার সুবিধার জন্য জমির নিচু স্থানে গর্ত খুঁড়ে রাখলে ভালো হয়।
 

সার প্রয়োগ : ধানের জন্য অনুমোদিত সার ধান চাষেই ব্যবহার করতে হবে। মাছ ও চিংড়ি চাষের জন্য অতিরিক্ত ১৫% হারে সার চিংড়ি চাষে প্রয়োগ করতে হবে।
সাবধানতা
 

ধানক্ষেতের পানি যেন শুকিয়ে না যায়, কিংবা এত কমে না যায় যে পানি বেশ গরম হয়ে উঠে। উভয় অবস্থায়ই চিংড়ি মারা যেতে পারে। ২. অতি বৃষ্টি অথবা অন্য কোনো কারণে যেন পানি জমে আইল উপচে না যায়। পানি উপচে পড়লে পানির সাথে চিংড়ি বের হয়ে যাবে। ৩. পানি নির্গমন পথে যেন তারের জাল বা বাঁশের বানা দৃঢ়ভাবে আটকে থাকে। অন্যথায় মাছ ও চিংড়ি পানির সাথে চলে যেতে পারে। ৪. ক্ষেতের পানি কমে গেলে সাপ, বড় ব্যাঙ, ইঁদুর ও শিয়াল ইত্যাদি প্রাণী মাছ ও চিংড়ি খেয়ে ফেলার আশংকা থাকে।


সূত্র: বাংলাদেশ সরকার কৃষি তথ্য সার্ভিস



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৫৪৫৪২৪ ৪১৫৩১ ৪৯৫৪৯৮ ৮৩৯৫
বিস্তারিত
২৭ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসে এই দিনে যা ঘটেছিল করোনার তাণ্ডবে মৃত্যু ছাড়াল সোয়া ২৫ লাখ মেষের বদনামের দিনে সুনাম বাড়বে কর্কটের শনিবার ঢাকার যেসব স্থানে না যাওয়াই ভালো সৌদিতে লিফট ছিঁড়ে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু ফের ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি লাভলু, সম্পাদক সাগর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে তিন কিশোর হত্যায় অভিযুক্ত ১২ মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন যুবকের মা ঘরে ঢুকে দেখলেন ছটফট করছেন রক্তাক্ত মেরি এমপি মোজাফফরের স্পিনিং মিলে ভয়াবহ আগুন খাশোগিকে হত্যার অনুমতি দেন সৌদি যুবরাজ: মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট লেখক মুশতাকের দাফন সম্পন্ন মুকেশ আম্বানির বাড়ির সামনে বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি, চিঠি দিয়ে হুমকি একই দিনে বিয়ে করলেন ৫ ভাই-বোন! কঙ্গনার সঙ্গে ইমেলকাণ্ড, হৃত্বিককে তলব মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চের ঘুমের ধরন বদলিয়ে কমিয়ে ফেলুন পেটের মেদ বিট কয়েনের বড় পতন আল জাজিরার ‘ডানপন্থী এজেন্ডার’ প্রতিবাদ সাংবাদিক-কর্মীদের দেশে ঘূর্ণিঝড়ে পূর্বাভাস আকাশপথের ডিজিটাল স্বাস্থ্য পাস চায় ইউকে কেন্দ্রিক এয়ারলাইন্স মরদেহে অস্বাভাবিক কিছু দেখিনি, মুশতাকের খালাতো ভাই মুশতাক আহমেদের মৃত্যুতে ১৩ রাষ্ট্রদূতের বিবৃতি তামিমা ও নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিয়ে নাসিরের বক্তব্য ইন্দোনেশিয়ায় রমজানের তারিখ ঘোষণা মোহামেডান-চট্টগ্রাম আবাহনী ম্যাচে দুই দলের কর্মকর্তাদের হাতাহাতি গাইবান্ধায় ছাত্রীর গলাকাটা লাশ, ভাই পলাতক-মা আটক রাতেই ঘোষণা বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের ভোলায় কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা হারিয়েছে ইংল্যান্ড শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় ৬০০ যানবাহন কক্সবাজার পৌর কাউন্সিলর কাজী মোরশেদের ইন্তেকাল এখানে বিক্রি হন বাংলাদেশিরা মুশতাকের মৃত্যুর প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশের লাঠিপেটা, আহত ১৫ অস্ত্রের মুখে ঘেরে ৫ লাখ টাকার মাছ ছিনতাই এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা ঘোষিত সময়ে হচ্ছে না তামিমা কার, ফয়সালা হবে আদালতে মা তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগের ‘পাহাড়’ ছোট্ট তুবার চিকিৎসকদের বিশেষ বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত আপত্তিকর ভিডিও দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ, কিশোর গ্রেফতার ক্রিকেট খেলা নিয়ে ছুরিকাঘাতে কিশোর খুন! ২২ গজকে বিদায় বললেন বিশ্বকাপজয়ী ইউসুফ পাঠান তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে ঠাকুরগাঁওয়ে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নুসরাত শোকে কাতর নিখিলের বিরহের পোস্ট ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্রে রেজুলেশন পাঠানোর নির্দেশ আ.লীগের আগুনে দগ্ধ হয়ে স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু ‘পরিচয়ের’ মতো শিশু-কিশোর সংগঠন আরও প্রয়োজন: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী চরাঞ্চলে সূর্যমুখীর হাসি আত্মহত্যার আগেই ধর্ষিত দুই বোন, ৩ বছর পর রহস্য উদঘাটন! ভারতের পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা ছিনতাই হওয়া কুকুরের সন্ধান দিলেই পুরস্কার ৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা যাত্রীবাহী লঞ্চে ৮০০ কেজি জাটকা নেত্রকোনায় বিসিক শিল্প মেলা শুরু বিয়ের সাজে অপরূপ তামিমা, ভিডিও ভাইরাল পুরাতন বইয়ের পরিবর্তে মিলছে নতুন বই চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিতে শাহবাগে অবস্থান বেপরোয়া ট্রাক কেড়ে নিল দুইজনের প্রাণ সুনামগঞ্জের ঘুঙ্গিয়ারগাঁওয়ে ১৪৪ ধারা নায়িকা বুবলীকে হত্যাচেষ্টা, অল্পের জন্য রক্ষা মিয়ানমারে তুমুল সংঘর্ষ ভাল্লুকের আক্রমণে আহত ২ জন চট্টগ্রাম এলেন হেলিকপ্টারে সাপ্তাহিক ছুটিকে কাজে লাগাতেই কক্সবাজারে ভিড় ব্রিটেনে আর ফিরতে পারবেন না শামীমা জুসের সাথে ওষুধ খাইয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, কারাগারে পুলিশ সদস্য মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে পঞ্চম ধাপের পৌরসভা নির্বাচনের প্রচারণা ভ্যালেন্টাইন ডে’তে গণধর্ষণ, প্রধান আসামির আত্মসমর্পণ শচীন, লারাদের বিপক্ষে আবারও লড়বে সাবেক টাইগাররা কারাগারে মুশতাকের মৃত্যু নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাবি ছাত্র ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পেলেন তুষার ধর পরিত্যক্ত ব্যাগে মিলল ২ কেজি সোনা এবার রোবট বলবে বাংলা কথা! গাড়িতে রক্তের দাগ, স্ত্রীর লাশ ফেলে পালাতে গিয়ে ধরা স্বামী মুশতাকের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই: ম্যাজিস্ট্রেট সপ্তাহজুড়ে ঢাকা স্টক এক্সেঞ্জে লেনদেন কমেছে ৩৪ শতাংশ পানিতে ডুবে মরলেন গোলরক্ষকের বাবা দেশে করোনায় দ্বিগুণেরও বেশি মৃত্যু মুশতাকের মৃত্যু: বিক্ষোভকারীদের নতুন কর্মসূচি ১ এপ্রিল মাঠে গড়াচ্ছে বাংলাদেশ গেমস মেঘনা নদী থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ৭ ডাকাত মাদক ছাড়ার পরামর্শ দেয়ায় বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ১ ‘শেখ হাসিনা মৃত্যুঞ্জয়ী’ সিনিয়র ভাইকে ‘তুমি’ বলায় যুবক খুন গাঁজা বেচে মাসে ৪ কোটি টাকা আয়! পরিবেশ দূষণে বিনিয়োগ কোটি কোটি টাকা ইলিশে সয়লাব মাওয়া ঘাট, কমেছে দাম সমকামীদের বিয়ে নিয়ে যা বলল ভারত সরকার ময়নাতদন্ত শেষে মুশতাকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর গ্রামে বসেই বিনামূল্যে চিকিৎসা পাচ্ছে প্রতিবন্ধীরা চাঁদপুরে আগুনে পুড়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু আবারও ব্যাপক হারে দাম বেড়েছে মাছ-মুরগির শামীমার ভাগ্যে কী আছে? ১৩ জনকে চাকরি দেবে ঢাকা বিআরটি ৪৮ ঘণ্টা পর ‘বন্দিদশা’ থেকে মুক্তি মিলল টাইগারদের কারাগারে মুশতাকের মৃত্যুর প্রতিবাদে শাহবাগ অবরোধ উইকেটকে দুষলেন ইংলিশ অধিনায়ক স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণ: শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা হচ্ছে না ইংল্যান্ডের জাবিতে চাকরি সুযোগ শিক্ষামন্ত্রীকে চবি ছাত্র উপদেষ্টার চিঠি দিনের আলোর মতো ঝকঝক করছে রাতের ঢাকা
আরও সংবাদ...
ঢাকার রাস্তায় নামছে ‘বাঘ’ তামিমা সম্পর্কে যা জানা গেল! তামিমার চার বিয়ে তিন স্বামী! পপিকে বিয়ে করতে চাওয়া যুবকের পরিচয় বিরল রোগে আক্রান্ত নবজাতক, গবেষণায় শিশুকে দান করবেন দম্পতি খেলতে গিয়ে হরিণকে ‘বন্ধু’ বানিয়ে বাসায় নিয়ে এলো শিশু! প্রেমিকার অপেক্ষায় ৪০ বছর ধরে ঢাবি হলের বারান্দায় সরু (ভিডিও) ঢাকায় ৫০ টাকায় গরুর মাংস! তামিমার তিন নম্বর স্বামী নাসির হোসেন! রহিমার প্রেমের টানে কেশবপুরে আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার চাঁদপুরের বাস দুর্ঘটনার ভিডিও ভাইরাল টিকা নিলে বিশেষ অঙ্গ ছোট হওয়ার খবর কতটা সত্য? আলোচনায় ব্যাচেলর পয়েন্টের ‘নোয়াখালীর শিমুল’ এই লেখকের প্রতি কপি বইয়ের দাম ৩ লাখ টাকা মহানবীর (সা.) ১৪০০ বছর আগের যে বাণী সত্য প্রমাণ পেল বিজ্ঞান পর্ন সাইট খুললে তথ্য যাবে পুলিশের কাছে! ছিলেন নাইটগার্ড, ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে হয়ে গেলেন মেয়র আল জাজিরার প্রতিবেদন: পেছনে কারা? সুইডেনে পড়তে গিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশিরা জনপ্রিয় টিকটক তারকা রফির মরদেহ উদ্ধার শাহরিয়ার নাফিসের বিদায়ে স্ত্রীর আবেগঘন স্ট্যাটাস আল জাজিরার সামি, আপাদমস্তক অপরাধে মোড়া এক চরিত্র! এখনই খুলছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফেব্রুয়ারি-মার্চ দেখে এপ্রিলে সিদ্ধান্ত নাসিরের প্রেমিকার তালিকায় অভিনেতা সিদ্দিকের সাবেক স্ত্রী! বিয়ে করলেন নাসির ভ্যাকসিন নিলে সাড়ে ৮ হাজার টাকা পুরস্কার! যে কারণে স্বামী-সন্তান ছেড়ে নাসিরকে বিয়ে করেছে তামিমা সুইমিং পুলে সৃজিত-মিথিলার রোমান্স টিকা দেওয়ার দ্বিতীয় দিনে কমল মৃত্যু ও আক্রান্ত ভাইয়ের পা ধরে মাফ চেয়েও রক্ষা পেলেন না নিজাম বছরের ভাইরাল দুই জুটি (ফটো অ্যালবাম) এবার ট্রলকারীদের জবাব দিলেন নায়ক রিয়াজ আল জাজিরার সংবাদ ভিত্তিহীন দাবি, সরকারের প্রত্যাখ্যান মধ্যবয়সী নারীদের টার্গেট করে শারীরিক সম্পর্ক করে বরিশালের বেলাল কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ সাকিব! বিতর্কের মধ্যেই নাসির-তামিমার জমকালো বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান পার্লারে গিয়ে মুখ পুড়ল সুন্দরী নারীর! (ভিডিও) সুখবর পেতে পারেন ৪৩তম বিসিএস আবেদনকারীরা ৪০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের মালিক ছিলেন মুসা! (ভিডিও) আল-জাজিরায় সাক্ষাৎকারের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন মুন্না এসএসসির প্রকাশিত সিলেবাস বাতিল ছানাদের বাঁচাতে লড়াই করে বিষধর সাপ রুখে দিল মা মুরগি! (ভিডিও) স্বামীকে রেখে বিয়ে: আইন কী বলে? ২৩ বছরে ১১ শিশুর মা, নিতে চান ১০০ সন্তান! শিক্ষিকাকে বিয়ে করলেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা দেবরের লাগাতার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা প্রবাসীর স্ত্রী, অবশেষে বাড়ি ছাড়া টিকা নিয়ে ৪২৬ জনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ডিভোর্স ছাড়াই স্বামী-সন্তান ফেলে নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা! একাধিক সিনেমা থেকে বাদ দীঘি! সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে খেলবেন না: সেনাপ্রধান
আরও সংবাদ...

মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে
x