শাশ্বত সত্য
আপডেট
২৩-০৪-২০১৮, ১৪:০৮

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি
কৃষি প্রযুক্তি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। এখন কেউ এক ফসল ঘরে তোলে না। সাথী ফসল চাষ করে দুই ফসল বা তিন ফসলের লাভ পায় কৃষকেরা। ঠিক তেমনই একটি নতুন পদ্ধতি ধান ক্ষেতে মাছ চাষ। জমিতে ধান চাষ করতে গেলে পানি লাগেই। আর এই পানি ব্যবহার করে মাছ চাষ সম্ভব। শুধু মানতে কিছু নিয়ম। আর এই প্রতিবেদনটি তাদের জন্যে যারা ধানের পাশাপাশি মাছ চাষ করে বাড়তি আয় করতে চান। সেই সঙ্গে নিজের মাছ উৎপাদন করার ভাল লাগাটায় আলাদা কিছু। আমন ও বোরো মৌসুমে ধানের সাথে কার্প জাতীয় মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ করা যায়। বছরে এ চাষ দুইবার করা সম্ভব। হাওড় অথবা নিচু জমিতে বোরো মৌসুমে ধানের সাথে মাছ চাষের যথেষ্ট সুযোগ আছে। সেচ ব্যবস্থা থাকলে উঁচু জমিতেও ধানের সাথে চাষ করা যায়। 
 


জমি নির্বাচন : যেসব জমিতে সারা বছর কিংবা কমপক্ষে ৪ থেকে ৬ মাস পানি থাকে বা ধরে রাখা যায় সেসব জমিতে ধানের সাথে অথবা ধানের পরে মাছ চাষের উপযোগী। জমির অংশ বিশেষ একটু বেশি নিচু অথবা জমির ভেতরে নালা কিংবা গর্ত আছে সেসব জমি গলদা চাষের জন্য বেশি উপযোগী। এঁটেল বা দো-আঁশ মাটির ধানক্ষেত সবচেয়ে ভালো। জমি বন্যামুক্ত হতে হবে। ধানক্ষেতের কাছাকাছি পানি সরবরাহ ও নির্গমন ব্যবস্থা থাকতে হবে। 


 জমির আইল তৈরি বা মেরামত : জমির আইল শক্ত, মজবুত ও উঁচু করতে হবে। আগে থেকে আইল বাঁধা থাকলে তা মেরামত করে নিতে হবে। জমির-তলা সমতল করতে হবে। সাধারণ বন্যায় যে পরিমাণ পানি হয় তার চেয়ে ৫০-৬০ সেন্টিমিটার উঁচু করে আইল তৈরি করা উচিত। মাছ ও গলদা চাষের জন্য পানির গভীরতা চাষ এলাকায় কমপক্ষে ১ মিটার হলে ভালো হয়। আইলের পাশে গোড়ার দিকে ৫০ সেন্টিমিটার এবং ওপরের দিকে ৩০ সেন্টিমিটার।


গর্ত বা নালা বা খাল খনন : ধানক্ষেতে মাছ ও গলদা চাষের জন্য আইল বা বাঁধের চারপাশে ভেতরের দিকে খাল অথবা সুবিধাজনক স্থানে এক বা একাধিক ডোবা বা গর্ত নির্মাণ করতে হবে।
 

জমির ঢালুর দিকে গর্ত বা ডোবা খনন করা উত্তম। মোট জমির শতকরা ১৫ ভাগ এলাকায় ডোবা ও নালা করতে হয়। ডোবা বা নালার গভীরতা ৫০-৬০ সেন্টিমিটার হলে ভালো হয়। ডোবার সাথে নালার সংযোগ থাকতে হবে। আইল থেকে নালা ১২০ সেন্টিমিটার দূরে থাকবে। নালা প্রশস্থ এবং হেলানোভাবে/ঢালু করে কাটতে হবে। মাছ বেশিরভাগ সময় এসব নিচু এলাকায় থাকবে এবং রাতে খাদ্য গ্রহণকালে কম পানি এলাকায় চলে আসবে। এ সব নিচু এলাকায় বা খালে পর্যাপ্ত পরিমাণে আশ্রয় স্থান তৈরি করে দিতে হবে। বর্ষার সময় ক্ষেত থেকে অতিরিক্ত পানি বের করার জন্য আইলের এক বা একাধিক স্থানে নির্গমন নালা রাখতে হবে। তলা থেকে ৩৫ সেন্টিমিটার উঁচুতে এ নালা করলে ক্ষেতে প্রয়োজন পরিমাণ পানি থাকবে। নির্গমন নালায় ৫ ইঞ্চি প্লাস্টিকের পাইপ বসিয়ে পাইপের মুখে তারের জাল দিতে হবে যাতে মাছ ও চিংড়ি বের না হতে পারে। 


৪. জমি তৈরি মাছের জন্য : ধানক্ষেতের উঁচু এলাকা ধানের জন্য এবং নিচু এলাকা গলদার জন্য উপযুক্তভাবে তৈরি করতে হবে। ধানের পরে গলদা চাষ করলে একইভাবে জমি তৈরি করতে হয়। প্রথমে জমির পানি নিকাশ করে শুকাতে হয়। প্রতি শতকে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে হালকা সেচ দেয়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫ কেজি হারে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। ধাপে ধাপে পানি সরবরাহ করা। প্ল্যাঙ্কটন উৎপাদনের জন্য নিয়মিত সার প্রয়োগ করতে হবে।


জমি তৈরি ধানের জন্য : জমিতে প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে ৩-৪টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি থকথকে কাদাময় করতে হবে। জমি মই দিয়ে সমতল করতে হবে। ময়লা আবর্জনা আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।


সার প্রয়োগ : সারের পরিমাণ ধানের জাতের ওপর নির্ভরশীল। উফশী জাতে যে পরিমাণ সার দিতে হয় গলদা চাষের জন্য এর চেয়ে ১৫% বেশি সার দিলে ভালো হয়।
 

সারণি : প্রতি হেক্টরে সারের পরিমাণ (কেজি)

সারের নাম  অনুমোদিত মাত্রা     ১৫% বাড়তি        মোট পরিমাণ       প্রয়োগ সময়

ইউরিয়া         ২০০                 ৩০                  ২৩০             তিন কিস্তিতে

টিএসপি        ১২০                  ১৮                  ১৩৮              শেষ চাষ

এমওপি         ৮০                   ১২                   ৯২               শেষ চাষ

জিপসাম        ৬০                    ৯                    ৬৯               শেষ চাষ


 ইউরিয়া ছাড়া অন্য সব সার সম্পূর্ণ জমি তৈরির শেষ চাষের সময় মাটিতে মিশিয়ে দিতে হয়। ইউরিয়া সমান তিনভাগ করে ধান রোপণের ১৫, ৩০ ও ৫৫ দিন পর ছিটিয়ে দিতে হবে। উপরি-প্রয়োগের সময় চিংড়িগুলো গর্ত ও নালায় নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।


ধানের জাত নির্বাচন : বোরো মৌসুমের জন্যÑ বিআর-১, বিআর-২, বিআর-৩, বিআর-৭, বিআর-৮, বিআর-৯, বিআর-১২, বিআর-১৪, বিআর-১৮, ব্রিধান-৩৫, ব্রিধান-৪৭ ও ব্রিধান-৫৫। আমন মৌসুমের জন্যÑ বিআর-৩, বিআর-৪, বিআর-১০, বিআর-১১, বিআর-২২, বিআর-২৩, ব্রিধান৪০, ব্রিধান৪১, ব্রিধান৪৪ ও ব্রিধান৫৬।
 

চারা রোপণ : কমপক্ষে এক মাস বয়সের চারা লাগানো দরকার। ধানের লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব প্রায় ২৫ সেন্টিমিটার এবং লাইনে গোছার দূরত্ব প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এরূপ ২/৩টি করে চারা-মুক্ত গোছাগুলো রোপণ করা যেতে পারে; তবে আরও ভালো হয় জোড়ায় জোড়ায় সারিগুলো স্থাপন করলে। জোড়ার ভেতরে সারি দুটির দূরত্ব কমিয়ে বা ১৫ সেন্টিমিটার করে, এক জোড়া থেকে অপর জোড়ার দূরত্ব বাড়িয়ে ৩৫ সেন্টিমিটার করা যায়। এতে মাছ ও চিংড়ির চলাফেরা সুবিধা হবে এবং পানিতে প্রচুর সূর্যালোক পড়বে। এভাবে মাছ ও চিংড়ির খাদ্য দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে তার দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুততর হবে।


পানি সরবরাহ : নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় থেকে ছেঁকে পানি সরবরাহ করলে ভালো হয়। প্রথম অবস্থায় ৫-৬ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করতে হয়। পরে ধান বৃদ্ধির অবস্থা অনুসারে পানি সরবরাহ করতে হয়। চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর ১০-১৫ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ির পোনা ছাড়তে হবে।


পোনা মজুদ : মাছ ও চিংড়ির পোনা ধানক্ষেতে ছাড়ার জন্য যেসব বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে-
পোনা ছাড়া ও মজুদের হার : ধানক্ষেতে শুধু চিংড়ির চাষ করতে হেক্টর-প্রতি ১০-১৫ হাজার পোনা ছাড়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫০-৬০টি পোনা ছাড়তে হয়। পোনা কমপক্ষে ৫ সেন্টিমিটার লম্বা হওয়া উচিত। মাছ চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকে রাজপুটি, নাইলোটিকা ও মিররকাপ ১০-১৫টি পোনা ছাড়তে হয়।


পোনা ছাড়ার নিয়ম : ক্ষেতে ধান রোপণের ২০-২৫ দিন পর চিংড়ির পোনা ছাড়া হয়। জমিতে ধানের চারা লেগে গিয়ে বেশ কিছুটা বেড়েছে এমন পর্যায়ই পোনা ছাড়া উপযুক্ত। কারণ খালি বা খোলা জমিতে পোনা না ছাড়াই ভালো। জমিতে পোনা ছাড়ার সবচেয়ে ভালো সময় সকাল ও বিকাল বেলা। যে পাত্রে পোনা আনা হয় তা ক্ষেতের পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখার পর যখন ক্ষেতের ও পাত্রের পানির তাপমাত্রা সমান হয় তখন পাত্রটি কাত করে আস্তে আস্তে পোনা ছাড়তে হবে। তাহলে পোনাগুলো তাপে কোনো আকস্মিক পরিবর্তনের শিকার হবে না।


পরিচর্যা : ধানক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষে কোনো বাড়তি খাবার না দিয়েও মাছ ও চিংড়ি উৎপাদন হতে পারে। মাছ ও চিংড়ি ধানক্ষেতের শ্যাওলা, পোকামাকড়, কিড়া ও পচনশীল দ্রব্যাদি খেয়ে থাকে। তবে কিছু খাবার প্রয়োগ করলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। এর জন্য শুরুতে চালের কুঁড়া ও গোবর ১ঃ৩ অনুপাত মিশিয়ে বল আকারে হেক্টর-প্রতি ১০ কেজি পরিমাণে প্রতি ৭ দিন পরপর গর্তে দিতে হবে। মাছ ও চিংড়ি ছাড়ার মাস খানেক পর থেকে, মোট মাছ ও চিংড়ির ওজন অনুমান করে ওজনের ৩-৫% হারে খৈল ও ভুসি বা কুঁড়া ১ঃ১ অনুপাতে মিশিয়ে একদিন পরপর গর্তে প্রয়োগ করতে হবে। এ উদ্দেশ্যে খৈল একরাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে গমের ভুসি বা চালের কুঁড়ার সাথে মিশিয়ে বল আকারে বিকালে কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে।


ধানের পরিচর্যা : ধানক্ষেতের বিভিন্ন পরিচর্যা, যেমন- আগাছা দমন, ইউরিয়া উপরি-প্রয়োগ, পর্যায়ক্রমে জমি শুকানো ও ভিজানো কাজগুলো প্রচলিত পদ্ধতিতে করা যায়। সারের উপরি-প্রয়োগের সময় যেন পরিখা বা গর্তে পানি থাকে, কিন্তু জমিতে বেশি পানি না থাকে এটা খেয়াল রাখতে হবে।


ধানের পোকা ও রোগ দমনের জন্যে কীটনাশক প্রয়োগ না করে জৈবিক দমন, বালাই-সহনশীল জাতের চাষ, আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে হাতজাল, আলোর ফাঁদ, সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ, কঞ্চি পুঁতে পাখি বসতে দেয়া, ডিমের গাদা নষ্ট করা যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে যায়।


মাছ ও চিংড়ি ধরা : ধান পাকা শুরু হলে ক্ষেতের পানি ধীরে ধীরে কমাতে হবে। এতে মাছ ও চিংড়িগুলো পরিখা বা গর্তে গিয়ে আশ্রয় নেবে। তখন প্রথমে ধান কেটে পরে চিংড়ি ধরতে হবে। কোনো কারণে ধান পাকার আগেই পানি শুকাতে শুরু করলে, ধান কাটার আগেও মাছ ও চিংড়ি ধরা যায়। আবার সুযোগ থাকলে এবং মাছ ও চিংড়ি বিক্রির আকারে না পৌঁছলে অর্থাৎ প্রতিটি যথাক্রমে ১০০ ও ৩৫ গ্রাম ওজনের না হলে ধান কাটার পরও মাছ ও চিংড়ি ক্ষেতে রেখে বড় করে নেয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে আবার পানি দিতে হবে।


মাছ ও চিংড়ির ফলন : বোরো ধান ক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করলে, বাড়তি খাবার ছাড়াই এর উৎপাদন হেক্টর-প্রতি প্রায় ২৮০ কেজি চিংড়ি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন প্রায় ৪০০ কেজি পর্যন্ত হয়। আমন ধান ক্ষেতে বাড়তি খাবার ছাড়া চিংড়ি হেক্টর-প্রতি ১০০-১৫০ কেজি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন ২০০-৩০০ কেজি হতে পারে। মাছ হেক্টর-প্রতি ২৫০-৩০০ কেজি হয়।
 

ধানের পর মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ : জমি থেকে বোরো  আমন ধান কাটার পর জমিতে পানি থাকলে অথবা পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। যেসব জমি ধান কাটার পর ১-২ মাস পতিত থাকার সম্ভাবনা থাকে সেসব জমিতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। ধানের পর মাছ ও চিংড়ি চাষের পদ্ধতি কিছু কিছু অংশ ধানের সাথে মাছ ও চিংড়ি চাষের মতো। সম্পূর্ণ কাজ কর্মগুলোকে তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত করা যায়। এগুলো হচ্ছে-
 

গর্ত ও নালা তৈরি : মাছ ও চিংড়ি উৎপাদনকালে এসব জমিতে প্রচুর পানি থাকে, আবার মাছ ও চিংড়ির সাথে ধান থাকে না সেজন্য এ জমিতে পরিখা বা গর্ত খননের প্রয়োজন নেই তবে মাছ ও চিংড়ি ধরার সুবিধার জন্য জমির নিচু স্থানে গর্ত খুঁড়ে রাখলে ভালো হয়।
 

সার প্রয়োগ : ধানের জন্য অনুমোদিত সার ধান চাষেই ব্যবহার করতে হবে। মাছ ও চিংড়ি চাষের জন্য অতিরিক্ত ১৫% হারে সার চিংড়ি চাষে প্রয়োগ করতে হবে।
সাবধানতা
 

ধানক্ষেতের পানি যেন শুকিয়ে না যায়, কিংবা এত কমে না যায় যে পানি বেশ গরম হয়ে উঠে। উভয় অবস্থায়ই চিংড়ি মারা যেতে পারে। ২. অতি বৃষ্টি অথবা অন্য কোনো কারণে যেন পানি জমে আইল উপচে না যায়। পানি উপচে পড়লে পানির সাথে চিংড়ি বের হয়ে যাবে। ৩. পানি নির্গমন পথে যেন তারের জাল বা বাঁশের বানা দৃঢ়ভাবে আটকে থাকে। অন্যথায় মাছ ও চিংড়ি পানির সাথে চলে যেতে পারে। ৪. ক্ষেতের পানি কমে গেলে সাপ, বড় ব্যাঙ, ইঁদুর ও শিয়াল ইত্যাদি প্রাণী মাছ ও চিংড়ি খেয়ে ফেলার আশংকা থাকে।


সূত্র: বাংলাদেশ সরকার কৃষি তথ্য সার্ভিস



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৩৯৭৫০৭ ৭৮১৬৪ ৩১৩৫৬৩ ৫৭৮০
বিস্তারিত
নওয়াজকে ফেরাতে মরিয়া ইমরান চীনে হেঁটে বেড়াচ্ছে ৭ হাজার টন ওজনের ভবন! (ভিডিও) নভেম্বরে ক্রিকেটে ফিরছেন মাশরাফী পুলিশও কোনো অপরাধ করে ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদ্মাসেতুতে বসেনি ৩৪তম স্প্যান,পাহারায় সেনাবাহিনী মুক্তির আগেই দেশে ফিরছেন সাকিব তিনদিন মর্গে পড়ে থাকার পর অজ্ঞাতপরিচয় বৃদ্ধের দাফন রায়হান হত্যা: কনস্টেবল হারুন ৫ দিনের রিমান্ডে বিকাশ অ্যাকাউন্ট ব্লক হলে নতুন পিন রিসেট করবেন যেভাবে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ করোনায় প্লাজমা চিকিৎসা কার্যকর নয়: ব্রিটিশ জার্নাল জলঢাকায় দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পঙ্গপালে দিশেহারা ইথিওপিয়া, খাদ্য সংকটে লাখ লাখ মানুষ পি কে হালদার দেশে ফিরছেন না ভারতে রুশ ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি রোহিঙ্গা গণহত্যার পূর্ণাঙ্গ নথি আইসিজে’তে পটুয়াখালী‌তে স্পিড‌বোট দুর্ঘটনায় মে‌রিন কো‌র্টে মামলা পদ্মায় ইলিশ ধরায় ১২ জেলের জেল-জরিমানা কোলকাতায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে অঞ্জলি দিলেন ভক্তরা বড়াইগ্রামে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার আটক ভাড়া কমছে শহরের অ্যাপার্টমেন্টে মেঘ-বৃষ্টি কাটলেই শীত আবারও মিয়ানমারের মানচিত্রে সেন্টমার্টিন! ঢাকেশ্বরী মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মেয়র তাপস ‘জোনভিত্তিক লকডাউনে কোনো ফল আসেনি’ গিনেস বুকে নাম লেখাতে চায় ১১ বছর বয়সী ঔপন্যাসিক! ২৯ অক্টোবর দিল্লির, ১ নভেম্বর কলকাতার ফ্লাইট চালু অটোপাসের সিদ্ধান্তে সমালোচনায় বিএনপি নেতারা রাবির সাবেক শিক্ষার্থীকে ছুরি মেরে হত্যা জাতিকে ধ্বংস করতেই অটো পাসের সিদ্ধান্ত: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী শপথ নিলেন চাঁদপুর পৌরসভার নবনির্বাচিতরা চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ব্যারিস্টার রফিক উল হক টিকা ক্রয়ে বিশ্বব্যাংকের ঋণ চায় বাংলাদেশ বিএনপি বেসামাল হয়ে মিথ্যাচার করছে: হানিফ অবশেষে সাতক্ষীরা মেডিকেলে জরুরি বিভাগ চালু স্থপতি আশিক ইমরানকে সম্মানজনক মেডেল দিল রাশিয়া চুল কেটে সিনেমা থেকে বাদ পড়লেন বাপ্পি চৌধুরী প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অপ্রয়োজনীয় ‘এসএমএস’ আসা বন্ধ করার নিয়ম কোডিং না জেনেও বানিয়ে ফেলুন শক্তিশালী অ্যাপ হালদায় ভাসছে ক্ষত-বিক্ষত ডলফিন, চর্বির লোভে হত্যা অবিরাম বৃ‌ষ্টি‌তে রোপা আমনের ব‌্যাপক ক্ষ‌তি পশ্চিমবঙ্গে মহাষ্টমীর অনুষ্ঠান এক ঘণ্টা পেছাচ্ছে ইউরোপ! বিভিন্ন জেলায় কুমারী পূজা থরে থরে সাজানো হাজার টাকার বান্ডিল, কিন্তু লাগবে না কাজে করোনা: এশিয়ার দ্বিতীয় ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ দেশে ফিরে গেলেন তিন কোচ ‘করোনায় বাংলাদেশের লোকেরা বেশি নির্দেশনা মেনেছে’ ‘রায়হান হত্যার প্রধান আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করা হবে’ রিয়ালের বিপক্ষে মেসির গোল নেই ৯০০ দিন! নেতার স্ত্রীর পরকীয়া দেখে ফেলায় প্রাণ গেল গৃহকর্মীর ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ কেটে গেছে নিম্নচাপ, নভেম্বরেই শীতের আগমন ‘আমি কিচ্ছু চাই না, আমার পুতেরে চাই’ রফিক-উল হকের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন রাজনীতিবিদরা করোনায় বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে আক্রান্ত নেত্রকোনায় মুজিব শতবর্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি যে কারণে জৌলুস কমেছে এল ক্লাসিকোর বাগেরহাটে সহস্রাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পিরোজপুরে ইলিশ ধরায় যুবকের কারাদণ্ড টেস্ট না খেলে পয়েন্ট ভাগে আপত্তি বিসিবির নাটোরে ভ্যানচালক হত্যা: অটোভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেফতার ২ মহানবী (সা.) কে অবমাননা: ফ্রান্সের পণ্য বয়কট কুয়েতে শেখ হাসিনা-খালেদা জিয়ার আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক জাতীয় ফুটবল দলের অনুশীলন শুরু ‘২০৩০ সালের মধ্যে ছয় লেনের মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের’ পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সরকার যা করবে ‘এল ক্লাসিকো’ লড়াইয়ে জিততে মরিয়া জিদান লোহা গলানোর পাত্র বিস্ফোরণ: দগ্ধ আরও ২ শ্রমিকের মৃত্যু ‘আমি ও বাবার অভিভাবক ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক’ রফিক-উল হকের মৃত্যুতে আইন অঙ্গনে শূন্যতা তৈরি হলো: আইনমন্ত্রী বান্দরবান সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত ‘দুই-তিন বছরে বাংলাদেশের সড়কে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হবে’ সিলেটে রায়হান হত্যা: আরেক কনস্টেবল হারুন গ্রেফতার ফের নেপালকে কব্জায় নিচ্ছে ভারত? ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫৫২ মন্দিরে মহাষ্টমী বেতন কমানের প্রস্তাবে রাজি রুট-মরগ্যানরা বিজিবির অভিযানে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের প্রথম জানাজা সম্পন্ন, মরদেহ বাসায় আইপিএল থেকে বিদায় মানছেন ধোনি! কীভাবে বুঝবেন আপনি টনসিল ইনফেকশনে ভুগছেন? এক যুগেও পুরোপুরি চালু হয়নি অনলাইন জিডি বৃষ্টিতে বগুড়ায় কমেছে সবজির সরবরাহ, দামও চড়া স্বামীর সঙ্গে মণ্ডপে অঞ্জলি দিলেন মিথিলা (ভিডিও) বিকেলে বনানী কবরস্থানে ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের দাফন নোয়াখালীতে স্ত্রী নির্যাতন মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার যেভাবে এল জিমেইলের নতুন লোগো কপিল দেবের শারীরিক অবস্থার উন্নতি অস্তিত্ব সংকটে পাবনার তাঁতশিল্প যশোরে যুবক হত্যা, নেপথ্যে ‘পরকীয়া’ দাবি স্বজনদের দুঃসময়ে এগিয়ে আসেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক: প্রধানমন্ত্রী রফিক-উল হকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক শহর ঘুমালেও মধ্যরাতে কর্মব্যস্ততা মেট্রোরেল প্রকল্পে বার্সা-রিয়াল ‘এল ক্লাসিকো’ মহারণ রাতে নওগাঁয় পাঞ্জা লড়াইয়ের জমকালো আয়োজন ‘কয়েকটি দেশে করোনা পরিস্থিতি খুবই বিপজ্জনক হবে’ শনিবারও থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে, আকাশ থাকবে মেঘলা আমিরাতে দুর্গোৎসব উদযাপন ৪০ ঘণ্টা পর শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি রুটে যান চলাচল শুরু
আরও সংবাদ...
দেশে বেড়েছে করোনায় আক্রান্ত, কমেছে মৃত্যু চেতনানাশক খাইয়ে ১৫ দিন ছাত্রকে বলাৎকার, মাদ্রাসাশিক্ষক আটক কমলো পেঁয়াজের দাম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন করোনার ভ্যাকসিন বানাতে প্রাণ যাবে লাখ লাখ হাঙরের নোয়াখালীতে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১১ লাখ ছুঁই ছুঁই ৫২ কেজির ভোলা ভেটকি ধরে রাতারাতি ধনী বৃদ্ধা! ফাঁসির রায়ের পর টাকা চাইলেন রিফাত, হাসলেনও দেশে টিকটক-লাইকি ঘিরে সুইমিং পার্টি, আড়ালে দেহ ব্যবসা (ভিডিও) তিন টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট! চার শিশুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা! বিকাশে ১০০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাবেন যেভাবে! ৪০ বছরেও যোগ্য বর না পাওয়ার কষ্টে নায়িকা পপি নামাজরত মাকে কুপিয়ে হত্যা করল ছেলে আবারো বিয়ে করলেন শমী কায়সার যুবকের পেটের ভেতর আস্ত মোবাইল! বখাটেদের পায়ে ধরে ‘বড় ভাই’ ডেকেও রক্ষা পাননি তরুণী (ভিডিও) চেক লেনদেনের নতুন নিয়ম সবচেয়ে কম দামে স্মার্টফোন আনল স্যামসাং কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের পর ছবি ফেসবুকে সকল কলেজ ক্যাম্পাসের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি শাহরুখকে টপকে গেলেন এরতুগ্রুল! সমুদ্রে জীবিত মিলল দুবছর আগে হারিয়ে যাওয়া নারী (ভিডিও) তিশা-ইরফানসহ ৪ জনকে আইনি নোটিশ রায় শুনে যা করলেন পাপিয়া রোববার গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় ‘মগজ-খেকো’ প্রাণী ধেয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রে, ৮ শহরে সতর্কতা শমী কায়সারের স্বামীর পরিচয় ১২টি তালা ভেঙে সন্তানসহ গৃহবধূকে উদ্ধার ওএসডি হলেন সেই ইউএনও ওয়াহিদা, স্বামীকেও বদলি পাক-ভারত সীমান্তে তুমুল লড়াই চলছে বিমানেই প্রসব, ফ্রি যাতায়াতের সুবিধা আজীবন দাঁতে পানের দাগ পড়েছে, মিনিটেই হবে ঝকঝকে ধর্ষণ মামলা: ‘মেয়েটির সঙ্গে মাত্র একবার কথা হয়েছিল’, বললেন ভিপি নুর ধর্ষণ করেন মামুন, সহায়তাকারী নুর: ঢাবি ছাত্রী নর্দমায় আটকে থাকা দৈত্যাকার ইঁদুর উদ্ধার! (ভিডিও) মুমূর্ষু স্বামীর জন্য রক্ত দেয়ার কথা বলে স্ত্রীকে ধর্ষণ এইচএসসি নিয়ে মন্ত্রীর কাছে ১৩ লাখ শিক্ষার্থীর পক্ষে নিবেদন আল্লামা শফীর জানাজার সময় ও স্থান মিন্নির ২১ যুক্তি মা হচ্ছেন পিয়া আনুশকাকে রশিদ খানের স্ত্রী দেখাচ্ছে গুগল! আমার চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ার ধ্বংস করেছেন অপু বিশ্বাস: মারুফ অভিনেতা দিলদারের মেয়ের বিয়ের ভিডিও ভাইরাল ধর্ষণের ভিডিও করে জিম্মি: ‘যখন ডাকব তখনই আসতে হবে’ কুটনামি না থাকায় বন্ধ হচ্ছে 'কাদম্বিনী' সিরিয়াল দেশের প্রথম ডিজিটাল রোডক্রস মিরপুরে এবার সুশান্তের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুললেন রিয়া দেশে ভাইরাল বিদেশি যুগলের ছবি
আরও সংবাদ...


মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে