মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
শাশ্বত সত্য
আপডেট
২৩-০৪-২০১৮, ১৪:০৮

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি
কৃষি প্রযুক্তি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। এখন কেউ এক ফসল ঘরে তোলে না। সাথী ফসল চাষ করে দুই ফসল বা তিন ফসলের লাভ পায় কৃষকেরা। ঠিক তেমনই একটি নতুন পদ্ধতি ধান ক্ষেতে মাছ চাষ। জমিতে ধান চাষ করতে গেলে পানি লাগেই। আর এই পানি ব্যবহার করে মাছ চাষ সম্ভব। শুধু মানতে কিছু নিয়ম। আর এই প্রতিবেদনটি তাদের জন্যে যারা ধানের পাশাপাশি মাছ চাষ করে বাড়তি আয় করতে চান। সেই সঙ্গে নিজের মাছ উৎপাদন করার ভাল লাগাটায় আলাদা কিছু। আমন ও বোরো মৌসুমে ধানের সাথে কার্প জাতীয় মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ করা যায়। বছরে এ চাষ দুইবার করা সম্ভব। হাওড় অথবা নিচু জমিতে বোরো মৌসুমে ধানের সাথে মাছ চাষের যথেষ্ট সুযোগ আছে। সেচ ব্যবস্থা থাকলে উঁচু জমিতেও ধানের সাথে চাষ করা যায়। 
 


জমি নির্বাচন : যেসব জমিতে সারা বছর কিংবা কমপক্ষে ৪ থেকে ৬ মাস পানি থাকে বা ধরে রাখা যায় সেসব জমিতে ধানের সাথে অথবা ধানের পরে মাছ চাষের উপযোগী। জমির অংশ বিশেষ একটু বেশি নিচু অথবা জমির ভেতরে নালা কিংবা গর্ত আছে সেসব জমি গলদা চাষের জন্য বেশি উপযোগী। এঁটেল বা দো-আঁশ মাটির ধানক্ষেত সবচেয়ে ভালো। জমি বন্যামুক্ত হতে হবে। ধানক্ষেতের কাছাকাছি পানি সরবরাহ ও নির্গমন ব্যবস্থা থাকতে হবে। 


 জমির আইল তৈরি বা মেরামত : জমির আইল শক্ত, মজবুত ও উঁচু করতে হবে। আগে থেকে আইল বাঁধা থাকলে তা মেরামত করে নিতে হবে। জমির-তলা সমতল করতে হবে। সাধারণ বন্যায় যে পরিমাণ পানি হয় তার চেয়ে ৫০-৬০ সেন্টিমিটার উঁচু করে আইল তৈরি করা উচিত। মাছ ও গলদা চাষের জন্য পানির গভীরতা চাষ এলাকায় কমপক্ষে ১ মিটার হলে ভালো হয়। আইলের পাশে গোড়ার দিকে ৫০ সেন্টিমিটার এবং ওপরের দিকে ৩০ সেন্টিমিটার।


গর্ত বা নালা বা খাল খনন : ধানক্ষেতে মাছ ও গলদা চাষের জন্য আইল বা বাঁধের চারপাশে ভেতরের দিকে খাল অথবা সুবিধাজনক স্থানে এক বা একাধিক ডোবা বা গর্ত নির্মাণ করতে হবে।
 


জমির ঢালুর দিকে গর্ত বা ডোবা খনন করা উত্তম। মোট জমির শতকরা ১৫ ভাগ এলাকায় ডোবা ও নালা করতে হয়। ডোবা বা নালার গভীরতা ৫০-৬০ সেন্টিমিটার হলে ভালো হয়। ডোবার সাথে নালার সংযোগ থাকতে হবে। আইল থেকে নালা ১২০ সেন্টিমিটার দূরে থাকবে। নালা প্রশস্থ এবং হেলানোভাবে/ঢালু করে কাটতে হবে। মাছ বেশিরভাগ সময় এসব নিচু এলাকায় থাকবে এবং রাতে খাদ্য গ্রহণকালে কম পানি এলাকায় চলে আসবে। এ সব নিচু এলাকায় বা খালে পর্যাপ্ত পরিমাণে আশ্রয় স্থান তৈরি করে দিতে হবে। বর্ষার সময় ক্ষেত থেকে অতিরিক্ত পানি বের করার জন্য আইলের এক বা একাধিক স্থানে নির্গমন নালা রাখতে হবে। তলা থেকে ৩৫ সেন্টিমিটার উঁচুতে এ নালা করলে ক্ষেতে প্রয়োজন পরিমাণ পানি থাকবে। নির্গমন নালায় ৫ ইঞ্চি প্লাস্টিকের পাইপ বসিয়ে পাইপের মুখে তারের জাল দিতে হবে যাতে মাছ ও চিংড়ি বের না হতে পারে। 


৪. জমি তৈরি মাছের জন্য : ধানক্ষেতের উঁচু এলাকা ধানের জন্য এবং নিচু এলাকা গলদার জন্য উপযুক্তভাবে তৈরি করতে হবে। ধানের পরে গলদা চাষ করলে একইভাবে জমি তৈরি করতে হয়। প্রথমে জমির পানি নিকাশ করে শুকাতে হয়। প্রতি শতকে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে হালকা সেচ দেয়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫ কেজি হারে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। ধাপে ধাপে পানি সরবরাহ করা। প্ল্যাঙ্কটন উৎপাদনের জন্য নিয়মিত সার প্রয়োগ করতে হবে।


জমি তৈরি ধানের জন্য : জমিতে প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে ৩-৪টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি থকথকে কাদাময় করতে হবে। জমি মই দিয়ে সমতল করতে হবে। ময়লা আবর্জনা আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।



সার প্রয়োগ : সারের পরিমাণ ধানের জাতের ওপর নির্ভরশীল। উফশী জাতে যে পরিমাণ সার দিতে হয় গলদা চাষের জন্য এর চেয়ে ১৫% বেশি সার দিলে ভালো হয়।
 

সারণি : প্রতি হেক্টরে সারের পরিমাণ (কেজি)

সারের নাম  অনুমোদিত মাত্রা     ১৫% বাড়তি        মোট পরিমাণ       প্রয়োগ সময়

ইউরিয়া         ২০০                 ৩০                  ২৩০             তিন কিস্তিতে

টিএসপি        ১২০                  ১৮                  ১৩৮              শেষ চাষ

এমওপি         ৮০                   ১২                   ৯২               শেষ চাষ

জিপসাম        ৬০                    ৯                    ৬৯               শেষ চাষ


 ইউরিয়া ছাড়া অন্য সব সার সম্পূর্ণ জমি তৈরির শেষ চাষের সময় মাটিতে মিশিয়ে দিতে হয়। ইউরিয়া সমান তিনভাগ করে ধান রোপণের ১৫, ৩০ ও ৫৫ দিন পর ছিটিয়ে দিতে হবে। উপরি-প্রয়োগের সময় চিংড়িগুলো গর্ত ও নালায় নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।


ধানের জাত নির্বাচন : বোরো মৌসুমের জন্যÑ বিআর-১, বিআর-২, বিআর-৩, বিআর-৭, বিআর-৮, বিআর-৯, বিআর-১২, বিআর-১৪, বিআর-১৮, ব্রিধান-৩৫, ব্রিধান-৪৭ ও ব্রিধান-৫৫। আমন মৌসুমের জন্যÑ বিআর-৩, বিআর-৪, বিআর-১০, বিআর-১১, বিআর-২২, বিআর-২৩, ব্রিধান৪০, ব্রিধান৪১, ব্রিধান৪৪ ও ব্রিধান৫৬।
 

চারা রোপণ : কমপক্ষে এক মাস বয়সের চারা লাগানো দরকার। ধানের লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব প্রায় ২৫ সেন্টিমিটার এবং লাইনে গোছার দূরত্ব প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এরূপ ২/৩টি করে চারা-মুক্ত গোছাগুলো রোপণ করা যেতে পারে; তবে আরও ভালো হয় জোড়ায় জোড়ায় সারিগুলো স্থাপন করলে। জোড়ার ভেতরে সারি দুটির দূরত্ব কমিয়ে বা ১৫ সেন্টিমিটার করে, এক জোড়া থেকে অপর জোড়ার দূরত্ব বাড়িয়ে ৩৫ সেন্টিমিটার করা যায়। এতে মাছ ও চিংড়ির চলাফেরা সুবিধা হবে এবং পানিতে প্রচুর সূর্যালোক পড়বে। এভাবে মাছ ও চিংড়ির খাদ্য দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে তার দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুততর হবে।


পানি সরবরাহ : নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় থেকে ছেঁকে পানি সরবরাহ করলে ভালো হয়। প্রথম অবস্থায় ৫-৬ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করতে হয়। পরে ধান বৃদ্ধির অবস্থা অনুসারে পানি সরবরাহ করতে হয়। চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর ১০-১৫ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ির পোনা ছাড়তে হবে।


পোনা মজুদ : মাছ ও চিংড়ির পোনা ধানক্ষেতে ছাড়ার জন্য যেসব বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে-
পোনা ছাড়া ও মজুদের হার : ধানক্ষেতে শুধু চিংড়ির চাষ করতে হেক্টর-প্রতি ১০-১৫ হাজার পোনা ছাড়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫০-৬০টি পোনা ছাড়তে হয়। পোনা কমপক্ষে ৫ সেন্টিমিটার লম্বা হওয়া উচিত। মাছ চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকে রাজপুটি, নাইলোটিকা ও মিররকাপ ১০-১৫টি পোনা ছাড়তে হয়।


পোনা ছাড়ার নিয়ম : ক্ষেতে ধান রোপণের ২০-২৫ দিন পর চিংড়ির পোনা ছাড়া হয়। জমিতে ধানের চারা লেগে গিয়ে বেশ কিছুটা বেড়েছে এমন পর্যায়ই পোনা ছাড়া উপযুক্ত। কারণ খালি বা খোলা জমিতে পোনা না ছাড়াই ভালো। জমিতে পোনা ছাড়ার সবচেয়ে ভালো সময় সকাল ও বিকাল বেলা। যে পাত্রে পোনা আনা হয় তা ক্ষেতের পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখার পর যখন ক্ষেতের ও পাত্রের পানির তাপমাত্রা সমান হয় তখন পাত্রটি কাত করে আস্তে আস্তে পোনা ছাড়তে হবে। তাহলে পোনাগুলো তাপে কোনো আকস্মিক পরিবর্তনের শিকার হবে না।


পরিচর্যা : ধানক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষে কোনো বাড়তি খাবার না দিয়েও মাছ ও চিংড়ি উৎপাদন হতে পারে। মাছ ও চিংড়ি ধানক্ষেতের শ্যাওলা, পোকামাকড়, কিড়া ও পচনশীল দ্রব্যাদি খেয়ে থাকে। তবে কিছু খাবার প্রয়োগ করলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। এর জন্য শুরুতে চালের কুঁড়া ও গোবর ১ঃ৩ অনুপাত মিশিয়ে বল আকারে হেক্টর-প্রতি ১০ কেজি পরিমাণে প্রতি ৭ দিন পরপর গর্তে দিতে হবে। মাছ ও চিংড়ি ছাড়ার মাস খানেক পর থেকে, মোট মাছ ও চিংড়ির ওজন অনুমান করে ওজনের ৩-৫% হারে খৈল ও ভুসি বা কুঁড়া ১ঃ১ অনুপাতে মিশিয়ে একদিন পরপর গর্তে প্রয়োগ করতে হবে। এ উদ্দেশ্যে খৈল একরাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে গমের ভুসি বা চালের কুঁড়ার সাথে মিশিয়ে বল আকারে বিকালে কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে।


ধানের পরিচর্যা : ধানক্ষেতের বিভিন্ন পরিচর্যা, যেমন- আগাছা দমন, ইউরিয়া উপরি-প্রয়োগ, পর্যায়ক্রমে জমি শুকানো ও ভিজানো কাজগুলো প্রচলিত পদ্ধতিতে করা যায়। সারের উপরি-প্রয়োগের সময় যেন পরিখা বা গর্তে পানি থাকে, কিন্তু জমিতে বেশি পানি না থাকে এটা খেয়াল রাখতে হবে।


ধানের পোকা ও রোগ দমনের জন্যে কীটনাশক প্রয়োগ না করে জৈবিক দমন, বালাই-সহনশীল জাতের চাষ, আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে হাতজাল, আলোর ফাঁদ, সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ, কঞ্চি পুঁতে পাখি বসতে দেয়া, ডিমের গাদা নষ্ট করা যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে যায়।


মাছ ও চিংড়ি ধরা : ধান পাকা শুরু হলে ক্ষেতের পানি ধীরে ধীরে কমাতে হবে। এতে মাছ ও চিংড়িগুলো পরিখা বা গর্তে গিয়ে আশ্রয় নেবে। তখন প্রথমে ধান কেটে পরে চিংড়ি ধরতে হবে। কোনো কারণে ধান পাকার আগেই পানি শুকাতে শুরু করলে, ধান কাটার আগেও মাছ ও চিংড়ি ধরা যায়। আবার সুযোগ থাকলে এবং মাছ ও চিংড়ি বিক্রির আকারে না পৌঁছলে অর্থাৎ প্রতিটি যথাক্রমে ১০০ ও ৩৫ গ্রাম ওজনের না হলে ধান কাটার পরও মাছ ও চিংড়ি ক্ষেতে রেখে বড় করে নেয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে আবার পানি দিতে হবে।


মাছ ও চিংড়ির ফলন : বোরো ধান ক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করলে, বাড়তি খাবার ছাড়াই এর উৎপাদন হেক্টর-প্রতি প্রায় ২৮০ কেজি চিংড়ি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন প্রায় ৪০০ কেজি পর্যন্ত হয়। আমন ধান ক্ষেতে বাড়তি খাবার ছাড়া চিংড়ি হেক্টর-প্রতি ১০০-১৫০ কেজি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন ২০০-৩০০ কেজি হতে পারে। মাছ হেক্টর-প্রতি ২৫০-৩০০ কেজি হয়।
 

ধানের পর মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ : জমি থেকে বোরো  আমন ধান কাটার পর জমিতে পানি থাকলে অথবা পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। যেসব জমি ধান কাটার পর ১-২ মাস পতিত থাকার সম্ভাবনা থাকে সেসব জমিতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। ধানের পর মাছ ও চিংড়ি চাষের পদ্ধতি কিছু কিছু অংশ ধানের সাথে মাছ ও চিংড়ি চাষের মতো। সম্পূর্ণ কাজ কর্মগুলোকে তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত করা যায়। এগুলো হচ্ছে-
 

গর্ত ও নালা তৈরি : মাছ ও চিংড়ি উৎপাদনকালে এসব জমিতে প্রচুর পানি থাকে, আবার মাছ ও চিংড়ির সাথে ধান থাকে না সেজন্য এ জমিতে পরিখা বা গর্ত খননের প্রয়োজন নেই তবে মাছ ও চিংড়ি ধরার সুবিধার জন্য জমির নিচু স্থানে গর্ত খুঁড়ে রাখলে ভালো হয়।
 

সার প্রয়োগ : ধানের জন্য অনুমোদিত সার ধান চাষেই ব্যবহার করতে হবে। মাছ ও চিংড়ি চাষের জন্য অতিরিক্ত ১৫% হারে সার চিংড়ি চাষে প্রয়োগ করতে হবে।
সাবধানতা
 

ধানক্ষেতের পানি যেন শুকিয়ে না যায়, কিংবা এত কমে না যায় যে পানি বেশ গরম হয়ে উঠে। উভয় অবস্থায়ই চিংড়ি মারা যেতে পারে। ২. অতি বৃষ্টি অথবা অন্য কোনো কারণে যেন পানি জমে আইল উপচে না যায়। পানি উপচে পড়লে পানির সাথে চিংড়ি বের হয়ে যাবে। ৩. পানি নির্গমন পথে যেন তারের জাল বা বাঁশের বানা দৃঢ়ভাবে আটকে থাকে। অন্যথায় মাছ ও চিংড়ি পানির সাথে চলে যেতে পারে। ৪. ক্ষেতের পানি কমে গেলে সাপ, বড় ব্যাঙ, ইঁদুর ও শিয়াল ইত্যাদি প্রাণী মাছ ও চিংড়ি খেয়ে ফেলার আশংকা থাকে।


সূত্র: বাংলাদেশ সরকার কৃষি তথ্য সার্ভিস




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু কোয়া:
৮৮ ৪৬ ৩৩ ২৬০২৩
বিস্তারিত
দেশকে এখনই লকডাউন করার দাবি বিএনপির ঢামেকে করোনা আইসোশেলন ওয়ার্ডে রোগীর মৃত্যু নারায়ণগঞ্জে আরো এক ব্যক্তির শরীরে করোনা, ২০৮ পরিবার লকডাউন নড়াইলে চলছে ভ্রাম্যমাণ স্বাস্থ্যসেবা প্রধানমন্ত্রী জনগণের মতামতে কিছুটা গুরুত্ব দিতে শুরু করেছেন: ফখরুল চিকিৎসকদের মন্তব্যে ক্ষেপলেন দ্রগবা-স্যামুয়েল তিন বন্ধু মিলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ফরিদপুরে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে ৩ মামলা, অস্ত্র উদ্ধার ইকুয়েডরে করোনা: মর্গে জায়গা নেই, ফ্রিজে রাখা হচ্ছে মরদেহ গাজীপুরে কর্মস্থলে গিয়ে বিপাকে পোশাক শ্রমিকরা ‘গেন্দা ফুল’ গানে অশ্লীলতা, বাদশাহর বিরুদ্ধে মামলা রাজবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী নিহত হাসপাতালের তিনতলা থেকে কোয়ারেন্টিনে থাকা যুবকের লাফ খাদ্য সহায়তা না পেয়ে শ্রমিকদের বিক্ষোভ করোনা: সন্তান জন্ম দিয়েই মা চলে গেলেন পরপারে করোনা: মোদির কাছে ওষুধ চাইলেন ট্রাম্প সড়কে প্রাণ গেল শিশুর রংপুরে ২০ হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে করোনা আতঙ্ক: ইউক্রেনে খোঁড়া হচ্ছে গণকবর ভারতজুড়ে ৯ মিনিটের আলোর লকডাউন! ৬৮ বছরে ৪র্থ ভাষণ আজ দেবেন রানি এলিজাবেথ মালিকদের টালবাহানায় বিপাকে লাখো পোশাকশ্রমিক ঢাকায় করোনা ঝুঁকিতে যে ৪ এলাকা প্রণোদনায় ঘুরবে অর্থনীতির চাকা ভারতে আটকা পড়া জাহাজগুলো দেশে ফিরছে আবারও বাড়ল ছুটি করোনা: সামাজিক সংক্রমণ এখনো এলাকাভিত্তিক করোনা আক্রান্ত: রাজধানীর টোলারবাগের ১১ জন, বাসাবোর ৯ ঢাকায় কাউকে ঢুকতে ও বের হতে দেবে না পুলিশ দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ বাংলাদেশে করোনায় নতুন আক্রান্ত ১৮ জন, মোট ৮৮ ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে লকডাউনেই জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তে তুমুল সংঘর্ষ, নিহত ৯ এপ্রিলের শেষেই নিয়ন্ত্রণে আসবে করোনা! লকডাউনে খাদ্য-ওষুধ ঠিকমতো সরবরাহের তাগিদ জাতিসংঘের চাকরিহারা প্রবাসীদের প্রণোদনা দেবে সরকার সামাজিক দূরত্ব মেনে ভিডিও কলে বিয়ে! করোনা আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ধূমপায়ীদের ঝুঁকিই বেশি চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা দিল কানাডা সব খাতের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্যই সহায়তা থাকছে: অর্থমন্ত্রী বিমানের ফ্লাইট বন্ধের সময়সীমা বাড়ল করোনায় আরো মৃত্যু হবে, দেশ শিগগিরই মুক্ত হবে না: ট্রাম্প আবারো তরুণদের সতর্ক করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা লালমোহন-তজুমুদ্দিনের ১৫ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ গরম ইস্ত্রি দিয়ে ‘করোনা মারছেন’ ক্যাশিয়ার (ভিডিও) করোনার দুর্বলতা ‘খুঁজে পেয়েছেন’ গবেষকরা সাতক্ষীরায় একজনকে কুপিয়ে হত্যা বিশ্বব্যাপী ‘করোনা ছড়ানোয়’ চীনের শাস্তি দাবি নেত্রকোনার চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করোনা আক্রান্তের নতুন রেকর্ড ভারতে করোনায় আক্রান্ত তাবলিগের লোকদের গুলি করা উচিত: রাজ ঠাকরে বিজিএমইএ'র কড়া সমালোচনা করেছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা মোবাইলের নেটওয়ার্কে করোনা ছড়ায় গুজবে টেলিকম স্থাপনায় হামলা নির্দেশনার পরও অনেক পোশাক কারখানাই খোলা ভারতে করোনা আতঙ্কে নারীর আত্মহত্যা সঠিক সময়ে সঠিক ডায়েট করছেন তো? সদরপুরে দোকান খোলা রাখায় ১৭ ব্যবসায়ীকে জরিমানা বাসায় বসে ইউটিউবেই দেখুন ভিন্ন স্বাদের এই ১০ মুভি করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: শেখ হাসিনা বিষণ্ণতা নয়, কোয়ারেন্টাইনে গঠনমূলক কাজের পরামর্শ করোনা আতঙ্ক, কেউই নিরাপদে নেই: ইমরান করোনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ছে ইতালিতে কোন খাতে কত প্রণোদনা ‘মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসীদের আইন মেনে চলার অনুরোধ’ কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের জন্য নিজের অফিস-বাড়ি ছেড়ে দিলেন শাহরুখ স্কুলে কোয়ারেন্টাইন নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১ ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করোনা: দেশে ৮৯ শতাংশ রোগীর বিদেশ ভ্রমণের ইতিহাস নেই করোনায় মৃত্যুর হারে এশিয়ায় প্রথম বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জের সুচিন্তানগর লকডাউন, ১২ জন কোয়ারেন্টাইনে অভাবে-অনাহারে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মানুষ বরিস জনসনের অন্তঃসত্ত্বা হবু স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত অবশেষে বন্ধ কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুট মার্চের বেতন পাবেন শ্রমিকরা গাজীপুরে ঝুঁকি নিয়েই চিকিৎসা করছেন চিকিৎসক-নার্সরা বেঁচে উঠবে এই আশায় ভাইয়ের পচা লাশ আগলে রাখলেন বোন ব্রিটেনে জীবন বাজি রেখে সেবা দিচ্ছেন বাংলাদেশিরা করোনায় মৃত্যুর নতুন রেকর্ড যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় স্পেনে ৭৪৯ জনের মৃত্যু করোনায় আক্রান্ত ১২ লক্ষাধিক, শীর্ষ পাঁচে নেই চীন খুলনা মেডিকেলে চালু হচ্ছে করোনা শনাক্তকরণ মেশিন লাশের স্তূপ! (ভিডিও) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে পুড়ল ২৪ অটোরিকশা অ্যাম্বুলেন্সেই মারা গেল নবজাতক, প্রসূতিকে ভর্তি নিল না হাসপাতাল! প্রেমের জট ছাড়বে তুলার, বিবাহিত জীবনে আনন্দ ধনুর উকুন মারার ওষুধে ৪৮ ঘণ্টায় করোনার মৃত্যু: অস্ট্রেলিয়ার গবেষক ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান সংকটে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট করোনার প্রভাবে রোজায় পণ্যের ঘাটতি থাকবে না ৩০ ডিগ্রির বেশি তাপমাত্রায় করোনা বিস্তার করে না, দাবি গবেষকদের হাতেগোনা বেসরকারি হাসপাতালে চলছে করোনা চিকিৎসা বার্সার সহ-সভাপতি জার্দি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত স্থবিরতার মাধ্যেই অনুশীলনে মাঠে নেমেছে ফ্রাঙ্কফুর্ট চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকেই ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস করোনা সচেতনতা প্রচারণায় পিছিয়ে নেই নারী ফুটবলাররা মাশরাফীর ‘নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন’ ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা সেবা দিবে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সাহায্যে এগিয়ে এলেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা বিভিন্ন হাসপাতালে ২০ লাখ টাকার টেস্টিং কিট দেবেন সাকিব করোনায় অসহায়দের পাশে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ না করলে চার্জ আদায় করতে পারবে না ব্যাংক রাতের আঁধারে মধ্যবিত্ত পরিবারে দরজায় নক করে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
আরও সংবাদ...
দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা বাংলাদেশে প্রথম তিন করোনা রোগী শনাক্ত কোটি টাকা জমা থাকলেও ফেরত পাবেন এক লাখ! দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮ করোনা সংক্রমণে সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম গোপনে জিকে শামীমের জামিন মোদিকে কটুক্তি করে কারাগারে ময়মনসিংহের যুবক নামাজ পড়তে মসজিদে কম আসাই ভাল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ধূমপায়ীরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন করোনায় অত্যধিক গোমূত্র পান করে হাসপাতালে বাবা রামদেব, ফেসবুকে ছড়ানো হলো ছবি পাপিয়ার ফোনে শিল্পপতি আমলা ও নেতাদের নগ্ন ভিডিও! ধেয়ে আসছে ৪ কিলোমিটারের বিশাল গ্রহাণু, এক আঘাতেই শেষ মানবসভ্যতা করোনায় সফল কিউবার ওষুধ ‘আলফা টু-বি’, কিনছে বহু দেশ অশ্লীল ভিডিওতে ঠাঁসা পাপিয়ার মোবাইল ফোন করোনায় একা মরতে চান না, তাই ভাইরাস ছড়াতে ঘুরলেন শহরে ১৯ বছরের আফগান যুদ্ধে পরাজয় মানল যুক্তরাষ্ট্র নোয়াখালীতে ছাত্রলীগ নেতা হত্যার আসামি শিবিরকর্মী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত বাংলাদেশে করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যু দেশে করোনা ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন’ পর্যায়ে করোনার বেশি ঝুঁকিতে রক্তের ‘এ’ গ্রুপ, কমে 'ও' ‘আমরা করোনার ভ্যাকসিন পেয়ে গেছি’ কোয়ারেন্টাইনে ৪০ জন: স্বাস্থ্য সচিব সারোয়ারসহ তিন জনের বিচারিক ক্ষমতা বাতিল চেয়ে রিট পাপিয়া-তুহিনের ভিডিও ফাঁস করোনায় কোন দেশে কত মানুষ মরতে পারে, জানালেন গবেষকরা ভারতে করোনা সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি সৌদি ফেরত যুবকের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে, জানালো চীন জিকে শামীমের জামিনের কথা জানেই না রাষ্ট্রপক্ষ ১২ রুশ তরুণীর জন্যই ধরা পাপিয়া! করোনা আক্রান্ত ৬০ হাজার মানুষ এখন সুস্থ নাম বলছেন পাপিয়া, ফেঁসে যাচ্ছেন ভিআইপিরা করোনায় স্বস্তির বাণী দিল নাসা ২৮ মার্চ মাঠে নামছেন সাকিব করোনার ‘উৎপত্তিস্থল’ উহানে সুখবর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত ইরানের সেই হামলায় ১২০ মার্কিন সেনা নিহত! খুলনায় ছাত্রলীগ নেতা খুন একসঙ্গে ‘দুই স্বামী’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীর, ফেনসিডিল খাওয়ার দৃশ্য ভাইরাল মুজিববর্ষে ২০০ টাকার নোট সেব্রিনা ফ্লোরাসহ ৩ জনকে আইনি নোটিশ আম্বানির সম্পদে করোনার হানা, হারালেন শীর্ষ ধনীর মুকুট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কার সুইজারল্যান্ডের! সারোয়ার আলমের ফেসবুক স্ট্যাটাস মুহূর্তেই ভাইরাল বাংলাদেশে নতুন দুই করোনা রোগী শনাক্ত যুবকের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত, ৪ ঘণ্টায় ১২শ’ টাকা নিয়েছিলেন সোনিয়া অহংকারে পতন হচ্ছে রাণু মন্ডলের খদ্দেরদের প্রথমে যেখানে নিয়ে যেতেন পাপিয়া ১৭ মার্চ ঢাকায় আসছেন মোদি গণপরিহনে যাতায়াত ফ্রি করে দিলো ইউরোপের দেশ
আরও সংবাদ...


মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TVEnglish DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে