শাশ্বত সত্য
আপডেট
২৩-০৪-২০১৮, ১৪:০৮

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি
কৃষি প্রযুক্তি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। এখন কেউ এক ফসল ঘরে তোলে না। সাথী ফসল চাষ করে দুই ফসল বা তিন ফসলের লাভ পায় কৃষকেরা। ঠিক তেমনই একটি নতুন পদ্ধতি ধান ক্ষেতে মাছ চাষ। জমিতে ধান চাষ করতে গেলে পানি লাগেই। আর এই পানি ব্যবহার করে মাছ চাষ সম্ভব। শুধু মানতে কিছু নিয়ম। আর এই প্রতিবেদনটি তাদের জন্যে যারা ধানের পাশাপাশি মাছ চাষ করে বাড়তি আয় করতে চান। সেই সঙ্গে নিজের মাছ উৎপাদন করার ভাল লাগাটায় আলাদা কিছু। আমন ও বোরো মৌসুমে ধানের সাথে কার্প জাতীয় মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ করা যায়। বছরে এ চাষ দুইবার করা সম্ভব। হাওড় অথবা নিচু জমিতে বোরো মৌসুমে ধানের সাথে মাছ চাষের যথেষ্ট সুযোগ আছে। সেচ ব্যবস্থা থাকলে উঁচু জমিতেও ধানের সাথে চাষ করা যায়। 
 


জমি নির্বাচন : যেসব জমিতে সারা বছর কিংবা কমপক্ষে ৪ থেকে ৬ মাস পানি থাকে বা ধরে রাখা যায় সেসব জমিতে ধানের সাথে অথবা ধানের পরে মাছ চাষের উপযোগী। জমির অংশ বিশেষ একটু বেশি নিচু অথবা জমির ভেতরে নালা কিংবা গর্ত আছে সেসব জমি গলদা চাষের জন্য বেশি উপযোগী। এঁটেল বা দো-আঁশ মাটির ধানক্ষেত সবচেয়ে ভালো। জমি বন্যামুক্ত হতে হবে। ধানক্ষেতের কাছাকাছি পানি সরবরাহ ও নির্গমন ব্যবস্থা থাকতে হবে। 


 জমির আইল তৈরি বা মেরামত : জমির আইল শক্ত, মজবুত ও উঁচু করতে হবে। আগে থেকে আইল বাঁধা থাকলে তা মেরামত করে নিতে হবে। জমির-তলা সমতল করতে হবে। সাধারণ বন্যায় যে পরিমাণ পানি হয় তার চেয়ে ৫০-৬০ সেন্টিমিটার উঁচু করে আইল তৈরি করা উচিত। মাছ ও গলদা চাষের জন্য পানির গভীরতা চাষ এলাকায় কমপক্ষে ১ মিটার হলে ভালো হয়। আইলের পাশে গোড়ার দিকে ৫০ সেন্টিমিটার এবং ওপরের দিকে ৩০ সেন্টিমিটার।


গর্ত বা নালা বা খাল খনন : ধানক্ষেতে মাছ ও গলদা চাষের জন্য আইল বা বাঁধের চারপাশে ভেতরের দিকে খাল অথবা সুবিধাজনক স্থানে এক বা একাধিক ডোবা বা গর্ত নির্মাণ করতে হবে।
 

জমির ঢালুর দিকে গর্ত বা ডোবা খনন করা উত্তম। মোট জমির শতকরা ১৫ ভাগ এলাকায় ডোবা ও নালা করতে হয়। ডোবা বা নালার গভীরতা ৫০-৬০ সেন্টিমিটার হলে ভালো হয়। ডোবার সাথে নালার সংযোগ থাকতে হবে। আইল থেকে নালা ১২০ সেন্টিমিটার দূরে থাকবে। নালা প্রশস্থ এবং হেলানোভাবে/ঢালু করে কাটতে হবে। মাছ বেশিরভাগ সময় এসব নিচু এলাকায় থাকবে এবং রাতে খাদ্য গ্রহণকালে কম পানি এলাকায় চলে আসবে। এ সব নিচু এলাকায় বা খালে পর্যাপ্ত পরিমাণে আশ্রয় স্থান তৈরি করে দিতে হবে। বর্ষার সময় ক্ষেত থেকে অতিরিক্ত পানি বের করার জন্য আইলের এক বা একাধিক স্থানে নির্গমন নালা রাখতে হবে। তলা থেকে ৩৫ সেন্টিমিটার উঁচুতে এ নালা করলে ক্ষেতে প্রয়োজন পরিমাণ পানি থাকবে। নির্গমন নালায় ৫ ইঞ্চি প্লাস্টিকের পাইপ বসিয়ে পাইপের মুখে তারের জাল দিতে হবে যাতে মাছ ও চিংড়ি বের না হতে পারে। 


৪. জমি তৈরি মাছের জন্য : ধানক্ষেতের উঁচু এলাকা ধানের জন্য এবং নিচু এলাকা গলদার জন্য উপযুক্তভাবে তৈরি করতে হবে। ধানের পরে গলদা চাষ করলে একইভাবে জমি তৈরি করতে হয়। প্রথমে জমির পানি নিকাশ করে শুকাতে হয়। প্রতি শতকে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে হালকা সেচ দেয়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫ কেজি হারে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। ধাপে ধাপে পানি সরবরাহ করা। প্ল্যাঙ্কটন উৎপাদনের জন্য নিয়মিত সার প্রয়োগ করতে হবে।


জমি তৈরি ধানের জন্য : জমিতে প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে ৩-৪টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি থকথকে কাদাময় করতে হবে। জমি মই দিয়ে সমতল করতে হবে। ময়লা আবর্জনা আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।


সার প্রয়োগ : সারের পরিমাণ ধানের জাতের ওপর নির্ভরশীল। উফশী জাতে যে পরিমাণ সার দিতে হয় গলদা চাষের জন্য এর চেয়ে ১৫% বেশি সার দিলে ভালো হয়।
 

সারণি : প্রতি হেক্টরে সারের পরিমাণ (কেজি)

সারের নাম  অনুমোদিত মাত্রা     ১৫% বাড়তি        মোট পরিমাণ       প্রয়োগ সময়

ইউরিয়া         ২০০                 ৩০                  ২৩০             তিন কিস্তিতে

টিএসপি        ১২০                  ১৮                  ১৩৮              শেষ চাষ

এমওপি         ৮০                   ১২                   ৯২               শেষ চাষ

জিপসাম        ৬০                    ৯                    ৬৯               শেষ চাষ


 ইউরিয়া ছাড়া অন্য সব সার সম্পূর্ণ জমি তৈরির শেষ চাষের সময় মাটিতে মিশিয়ে দিতে হয়। ইউরিয়া সমান তিনভাগ করে ধান রোপণের ১৫, ৩০ ও ৫৫ দিন পর ছিটিয়ে দিতে হবে। উপরি-প্রয়োগের সময় চিংড়িগুলো গর্ত ও নালায় নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।


ধানের জাত নির্বাচন : বোরো মৌসুমের জন্যÑ বিআর-১, বিআর-২, বিআর-৩, বিআর-৭, বিআর-৮, বিআর-৯, বিআর-১২, বিআর-১৪, বিআর-১৮, ব্রিধান-৩৫, ব্রিধান-৪৭ ও ব্রিধান-৫৫। আমন মৌসুমের জন্যÑ বিআর-৩, বিআর-৪, বিআর-১০, বিআর-১১, বিআর-২২, বিআর-২৩, ব্রিধান৪০, ব্রিধান৪১, ব্রিধান৪৪ ও ব্রিধান৫৬।
 

চারা রোপণ : কমপক্ষে এক মাস বয়সের চারা লাগানো দরকার। ধানের লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব প্রায় ২৫ সেন্টিমিটার এবং লাইনে গোছার দূরত্ব প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এরূপ ২/৩টি করে চারা-মুক্ত গোছাগুলো রোপণ করা যেতে পারে; তবে আরও ভালো হয় জোড়ায় জোড়ায় সারিগুলো স্থাপন করলে। জোড়ার ভেতরে সারি দুটির দূরত্ব কমিয়ে বা ১৫ সেন্টিমিটার করে, এক জোড়া থেকে অপর জোড়ার দূরত্ব বাড়িয়ে ৩৫ সেন্টিমিটার করা যায়। এতে মাছ ও চিংড়ির চলাফেরা সুবিধা হবে এবং পানিতে প্রচুর সূর্যালোক পড়বে। এভাবে মাছ ও চিংড়ির খাদ্য দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে তার দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুততর হবে।


পানি সরবরাহ : নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় থেকে ছেঁকে পানি সরবরাহ করলে ভালো হয়। প্রথম অবস্থায় ৫-৬ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করতে হয়। পরে ধান বৃদ্ধির অবস্থা অনুসারে পানি সরবরাহ করতে হয়। চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর ১০-১৫ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ির পোনা ছাড়তে হবে।


পোনা মজুদ : মাছ ও চিংড়ির পোনা ধানক্ষেতে ছাড়ার জন্য যেসব বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে-
পোনা ছাড়া ও মজুদের হার : ধানক্ষেতে শুধু চিংড়ির চাষ করতে হেক্টর-প্রতি ১০-১৫ হাজার পোনা ছাড়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫০-৬০টি পোনা ছাড়তে হয়। পোনা কমপক্ষে ৫ সেন্টিমিটার লম্বা হওয়া উচিত। মাছ চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকে রাজপুটি, নাইলোটিকা ও মিররকাপ ১০-১৫টি পোনা ছাড়তে হয়।


পোনা ছাড়ার নিয়ম : ক্ষেতে ধান রোপণের ২০-২৫ দিন পর চিংড়ির পোনা ছাড়া হয়। জমিতে ধানের চারা লেগে গিয়ে বেশ কিছুটা বেড়েছে এমন পর্যায়ই পোনা ছাড়া উপযুক্ত। কারণ খালি বা খোলা জমিতে পোনা না ছাড়াই ভালো। জমিতে পোনা ছাড়ার সবচেয়ে ভালো সময় সকাল ও বিকাল বেলা। যে পাত্রে পোনা আনা হয় তা ক্ষেতের পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখার পর যখন ক্ষেতের ও পাত্রের পানির তাপমাত্রা সমান হয় তখন পাত্রটি কাত করে আস্তে আস্তে পোনা ছাড়তে হবে। তাহলে পোনাগুলো তাপে কোনো আকস্মিক পরিবর্তনের শিকার হবে না।


পরিচর্যা : ধানক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষে কোনো বাড়তি খাবার না দিয়েও মাছ ও চিংড়ি উৎপাদন হতে পারে। মাছ ও চিংড়ি ধানক্ষেতের শ্যাওলা, পোকামাকড়, কিড়া ও পচনশীল দ্রব্যাদি খেয়ে থাকে। তবে কিছু খাবার প্রয়োগ করলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। এর জন্য শুরুতে চালের কুঁড়া ও গোবর ১ঃ৩ অনুপাত মিশিয়ে বল আকারে হেক্টর-প্রতি ১০ কেজি পরিমাণে প্রতি ৭ দিন পরপর গর্তে দিতে হবে। মাছ ও চিংড়ি ছাড়ার মাস খানেক পর থেকে, মোট মাছ ও চিংড়ির ওজন অনুমান করে ওজনের ৩-৫% হারে খৈল ও ভুসি বা কুঁড়া ১ঃ১ অনুপাতে মিশিয়ে একদিন পরপর গর্তে প্রয়োগ করতে হবে। এ উদ্দেশ্যে খৈল একরাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে গমের ভুসি বা চালের কুঁড়ার সাথে মিশিয়ে বল আকারে বিকালে কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে।


ধানের পরিচর্যা : ধানক্ষেতের বিভিন্ন পরিচর্যা, যেমন- আগাছা দমন, ইউরিয়া উপরি-প্রয়োগ, পর্যায়ক্রমে জমি শুকানো ও ভিজানো কাজগুলো প্রচলিত পদ্ধতিতে করা যায়। সারের উপরি-প্রয়োগের সময় যেন পরিখা বা গর্তে পানি থাকে, কিন্তু জমিতে বেশি পানি না থাকে এটা খেয়াল রাখতে হবে।


ধানের পোকা ও রোগ দমনের জন্যে কীটনাশক প্রয়োগ না করে জৈবিক দমন, বালাই-সহনশীল জাতের চাষ, আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে হাতজাল, আলোর ফাঁদ, সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ, কঞ্চি পুঁতে পাখি বসতে দেয়া, ডিমের গাদা নষ্ট করা যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে যায়।


মাছ ও চিংড়ি ধরা : ধান পাকা শুরু হলে ক্ষেতের পানি ধীরে ধীরে কমাতে হবে। এতে মাছ ও চিংড়িগুলো পরিখা বা গর্তে গিয়ে আশ্রয় নেবে। তখন প্রথমে ধান কেটে পরে চিংড়ি ধরতে হবে। কোনো কারণে ধান পাকার আগেই পানি শুকাতে শুরু করলে, ধান কাটার আগেও মাছ ও চিংড়ি ধরা যায়। আবার সুযোগ থাকলে এবং মাছ ও চিংড়ি বিক্রির আকারে না পৌঁছলে অর্থাৎ প্রতিটি যথাক্রমে ১০০ ও ৩৫ গ্রাম ওজনের না হলে ধান কাটার পরও মাছ ও চিংড়ি ক্ষেতে রেখে বড় করে নেয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে আবার পানি দিতে হবে।


মাছ ও চিংড়ির ফলন : বোরো ধান ক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করলে, বাড়তি খাবার ছাড়াই এর উৎপাদন হেক্টর-প্রতি প্রায় ২৮০ কেজি চিংড়ি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন প্রায় ৪০০ কেজি পর্যন্ত হয়। আমন ধান ক্ষেতে বাড়তি খাবার ছাড়া চিংড়ি হেক্টর-প্রতি ১০০-১৫০ কেজি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন ২০০-৩০০ কেজি হতে পারে। মাছ হেক্টর-প্রতি ২৫০-৩০০ কেজি হয়।
 

ধানের পর মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ : জমি থেকে বোরো  আমন ধান কাটার পর জমিতে পানি থাকলে অথবা পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। যেসব জমি ধান কাটার পর ১-২ মাস পতিত থাকার সম্ভাবনা থাকে সেসব জমিতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। ধানের পর মাছ ও চিংড়ি চাষের পদ্ধতি কিছু কিছু অংশ ধানের সাথে মাছ ও চিংড়ি চাষের মতো। সম্পূর্ণ কাজ কর্মগুলোকে তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত করা যায়। এগুলো হচ্ছে-
 

গর্ত ও নালা তৈরি : মাছ ও চিংড়ি উৎপাদনকালে এসব জমিতে প্রচুর পানি থাকে, আবার মাছ ও চিংড়ির সাথে ধান থাকে না সেজন্য এ জমিতে পরিখা বা গর্ত খননের প্রয়োজন নেই তবে মাছ ও চিংড়ি ধরার সুবিধার জন্য জমির নিচু স্থানে গর্ত খুঁড়ে রাখলে ভালো হয়।
 

সার প্রয়োগ : ধানের জন্য অনুমোদিত সার ধান চাষেই ব্যবহার করতে হবে। মাছ ও চিংড়ি চাষের জন্য অতিরিক্ত ১৫% হারে সার চিংড়ি চাষে প্রয়োগ করতে হবে।
সাবধানতা
 

ধানক্ষেতের পানি যেন শুকিয়ে না যায়, কিংবা এত কমে না যায় যে পানি বেশ গরম হয়ে উঠে। উভয় অবস্থায়ই চিংড়ি মারা যেতে পারে। ২. অতি বৃষ্টি অথবা অন্য কোনো কারণে যেন পানি জমে আইল উপচে না যায়। পানি উপচে পড়লে পানির সাথে চিংড়ি বের হয়ে যাবে। ৩. পানি নির্গমন পথে যেন তারের জাল বা বাঁশের বানা দৃঢ়ভাবে আটকে থাকে। অন্যথায় মাছ ও চিংড়ি পানির সাথে চলে যেতে পারে। ৪. ক্ষেতের পানি কমে গেলে সাপ, বড় ব্যাঙ, ইঁদুর ও শিয়াল ইত্যাদি প্রাণী মাছ ও চিংড়ি খেয়ে ফেলার আশংকা থাকে।


সূত্র: বাংলাদেশ সরকার কৃষি তথ্য সার্ভিস



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৫২৬৪৮৫ ৪৭৫০০ ৪৭১১২৩ ৭৮৬২
বিস্তারিত
এরদোয়ান-ম্যাক্রোঁর প্রেমপত্র মিউজিকে বেঁচে যায় ২ হাজার তিমির প্রাণ! নাসার মতো প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশে! আয়ারল্যান্ডে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ, অনলাইন গেমসে আসক্ত শিশুরা ছাগলের দড়িতে ভ্যান উল্টে প্রাণ গেল নারীর 'কারা আসবে ভ্যাকসিনের আওতায় সেটা নির্ধারণই বড় চ্যালেঞ্জ' অনলাইন নিলামে উঠছে ১১শ’ টন পেঁয়াজ! যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি সামরিক শক্তিতে বাংলাদেশ ৪৫তম সবার আগে ভোট দিলেন কাদের মির্জা করোনায় বিশ্বে একদিনে ১৪ হাজারের বেশি প্রাণহানি দ্বিতীয় ধাপে ৬০ পৌরসভায় ভোট চলছে ১৬ জানুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল সিংহের চরম অর্থকষ্টের দিনে পরকীয়ার তছনছ মিথুনের সংসার শনিবার ঢাকার যেসব এলাকায় না যাওয়ায় ভালো চাল আমদানির উদ্যোগে উধাও মিলারদের ধান সংকট, কমছে দামও দলকে শিরোপা উপহার দিতে বদ্ধ পরিকর রাশফোর্ড দুঃসময় পেছনে ফেলার লক্ষ্যে মাঠে নামবে চেলসি এমন উচ্চতার নারী হাই জাম্পার আগে দেখেনি বাংলাদেশ পেস আক্রমণেই ভরসা রাখতে চায় উইন্ডিজ সিনিয়রদের অনুপস্থিতিতে দলে জায়গা পাকা করতে চান সুনিল আমব্রিস উইন্ডিজের বিপক্ষে অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণদের সুযোগের তাগিদ এসএসসি ০৬ ও এইচএসসি ০৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্ম জয়ন্তী উদযাপন বরিশালে মেয়র ও প্রতিমন্ত্রীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ! করোনা যেসব পণ্যকে করেছে নিত্যসঙ্গী সামরিক শক্তিতে অগ্রগতি বাংলাদেশের কাদের মির্জার পৌরসভায় ভোট পর্যবেক্ষণে এত সাংবাদিক! কোমায় থাকা রোগীর খাওয়ার পানির বিল ৯ লাখ টাকা! করোনার ছুটিতে শিক্ষার্থীদের বাসায় থাকার নির্দেশ দেশের দ্রুততম মানবী শিরিন, মানব ইসমাইল কাটল বাফুফের ভেন্যু জটিলতা বাফুফের চাপের মুখে আর্চারির আত্মসমর্পণ ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে ধরা ৪ মাদক ব্যবসায়ী পুতুলের পেটে ভরে ইয়াবা পাচার, আটক ৭ আমজাদ ছিলেন দল ও মতের ঊর্ধ্বে জনতার নেতা: মির্জা ফখরুল ধর্ষণ মামলা মীমাংসার জন্য ডেকে নিয়ে আবারও ‘ধর্ষণ’, গ্রেফতার ২ বুটজোড়া তুলে রাখলেন রুনি আলোচিত মঞ্জুর হত্যা: ৪০ বছর পর এরশাদকে অব্যাহতি নজিরবিহীন শক্তি দেখাল ইরান গোপনে পেছন দরজা দিয়ে পালালেন বেরোবি’র ভিসি! ঐতিহ্যবাহী হুমগুটি খেলায় মানুষের ঢল শিশু কল্যাণ তহবিলের অর্থ কেলেঙ্কারি: নেদারল্যান্ডস সরকারের পদত্যাগ ভ্যাকসিনের দাম নিয়ে ‘অপপ্রচার’ দিনাজপুরে পারিবারিক কলহে দুই স্বামীকে হত্যার অভিযোগ আরো আকর্ষণীয় ফিচারে লুডু গেম, খেলতে পারবেন ছয়জন ডিক্সনের অধীনে তৈরি হবে নকিয়া-মটোরোলার স্মার্টফোন বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখতে আসতে চান বেলজিয়ামের রাজা মন্দির রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় পাকিস্তানে ১২ পুলিশ বহিষ্কার বহুবিবাহ নিরুৎসাহিত করতে তালেবানের ডিক্রি টেকনাফে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ জনপ্রিয় হচ্ছে তুরস্কের ‘বিপ’ মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে দু’পক্ষের ধস্তাধস্তি, নিহত ১ রোনালদো যা পারেননি তাই করলেন ব্রুনো পাঁচ নেতাকর্মীকে হাজতে দেখতে গিয়ে বিএনপি নেতা আটক ৫২ পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী হলেন যারা বদলে গেছে রাঙামাটির পলওয়ে পার্ক রাজধানীতে তিন লাখ জাল টাকাসহ আটক ২ সুনামগঞ্জে ‘পাখি খেকো’ বন বিড়াল আটক পিস্তল দিয়ে কাটলেন জন্মদিনের কেক, অতঃপর... (ভিডিও) দিল্লিতে ছেলেকে জোর করে মেয়ে বানিয়ে টানা ৩ বছর ধর্ষণ! ফাইজারের টিকা বর্জনের আহ্বান চীনা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কুমিল্লায় পথশিশুরা ড্যান্ডির নেশায় আসক্ত হচ্ছে প্রতিটি কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে নির্বাচনী সরঞ্জাম বগুড়ায় বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ২ যেমন হতে পারে উইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে দল সব গানের মালিকানা হারালেন শাকিরা ঠাকুরগাঁও রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের অদ্ভুত রেকর্ড পেইনকিলার খেয়ে নেমেও দলকে উদ্ধার করতে পারেননি র‍্যামোস বাইডেনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকছে চমক পৌরসভা নির্বাচন: এবার ব্যালট যাচ্ছে দেরিতে নিজের সংগঠন থেকে ‘গণবন্ধু’ উপাধি পেলেন নুর! সিনেমা স্টাইলে ভ্যানচালক সেজে আসামি ধরল পুলিশ বাইডেনের অভিষেকে চমক দিচ্ছে টুইটার বইমেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি অনেকে লুটপাট করে পিঠ বাঁচাতে নৌকায় উঠতে চায়: তথ্যমন্ত্রী হাসপাতালের কেউ আগায়নি, সিঁড়িতেই সন্তান প্রসব! লঙ্কার মাটিতে ইংলিশদের দাপট গলায় চোখে আঘাতের চিহ্ন, হাত কামড়েছে শিয়াল আমিরাতে ভ্রমণ ভিসায় সুখবর বিদায়ক্ষণে শাওমিসহ একাধিক চীনা সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা ট্রাম্পের! রাস্তার পাশে পলিথিনে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ! নারীরা দেশ শাসনের অযোগ্য: দুতার্তে শুকাচ্ছে ‘টাকার গাছ’, কোমর ভাঙছে কৃষকের! স্পেনের রাস্তায় জমে আছে বরফ, বন্ধ যান চলাচল রাজনৈতিক সঙ্কটে ইতালি ‘জিনজিয়াংয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সম্ভবত গণহত্যা চালিয়েছে চীন’ তিন যাত্রীর সনদ নেই, তার্কিশ এয়ারলাইন্সকে তিন লাখ টাকা জরিমানা গাছে ঝুলছিল রাজু’র মরদেহ ভ্যাকসিন নিয়ে ভালো আছেন প্রবাসীরা ভারতে টিকা দেওয়া শুরু হচ্ছে শনিবার ছুটি বাড়ল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হাসপাতালের বেডে কুকুরের ঘুম, ভিডিও ভাইরাল মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে দাম হারাল শাওমির শেয়ার রাস্তায় মানুষের সঙ্গে খেলছে চিতাবাঘ! (ভিডিও) জানতে চান পোষা প্রাণীর আবেগ-অনুভুতি? যৌন হয়রানির অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন বাবর লাবুশানের সেঞ্চুরিতে সুবিধাজনক অবস্থায় অজিরা সুশান্তের জন্মদিনে ভক্তদের কাছে যে আবেদন বোন শ্বেতার বাংলাদেশিকে গুলি করে মারল বিএসএফ
আরও সংবাদ...
জন্ম তারিখ অনুযায়ী কেমন যাবে আগামী বছর, দেখে নিন মেদভুঁড়ি বাড়ে যে কারণে সমালোচকদের জবাব দিলেন ভাইরাল সেই টম ইমাম আল্লামা শফিকে হত্যার অভিযোগে মামুনুলের বিরুদ্ধে মামলা ফর্সা হওয়ার ক্রিম মাখলেই সর্বনাশ! আবারও প্রভার ভিডিও ভাইরাল! বিয়ের নামে প্রতারণা করে ২০ কোটি টাকার মালিক জান্নাত! জন্মতারিখ অনুযায়ী কেমন যাবে ২০২১ সাল বোনের গর্ভে জন্ম নিল আরেক বোন! মেয়েদের যেসব অভ্যাস পুরুষদের আকৃষ্ট করে অবশেষে বিক্রি হলো মাইকেল জ্যাকসনের সেই রাজকীয় বাড়ি বিমান উড়ার আগ মুহূর্তে পাখায় উঠে পড়লেন এক ব্যক্তি (ভিডিও) ফুটপাতেই ১০ বছর ভিক্ষুক জীবন পুলিশের শুটারের! জাঙ্গিয়া নিয়ে অসতর্ক হলে পুরুষত্ব হারানোর ঝুঁকি নববর্ষ উদযাপন করতে গিয়ে যুবকের করুণ মৃত্যু বিজয় দিবসে বিজিবির মিষ্টি নিয়ে লাশ দিল বিএসএফ তৃতীয় সন্তানের বাবা হচ্ছেন সাকিব! পদ্মা সেতুতে টোল দিতে থামাতে হবে না গাড়ি অনুষ্ঠানে গান বাজালে জানাজা বা বিয়ে না পড়ানোর ঘোষণা নরমাল ডেলিভারির পরও জোর করে সিজার! ‘ভ্যাকসিন নিলে ছেলেরা মেয়ে কণ্ঠে কথা বলবে, মেয়েদের দাড়িও উঠবে’ কিনতে হবে না, ভাড়ায় স্মার্টফোন দেবে স্যামসাং! হার্ট অ্যাটাকের ১ মাস আগেই দেহে এই ৫টি সিগনাল দেয়! স্কুল-কলেজে ছুটি বাড়ছে কোহলিকে ঢাকায় আশ্রয় দিতে চান ভক্তরা গৃহবধূকে হত্যার পর চামড়া ছিলে লবণ লাগানোর বর্ণনা দিলেন স্বামী মা-বাবার সামনেই কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ শ্বশুর হারালেন সাকিব নববধূ তাসলিমার স্বপ্ন ভেসে গেল মেঘনায়! দেওয়ানবাগী পীর মারা গেছেন পছন্দের পাত্র-পাত্রীকে বিয়েতে পরিবারকে রাজি করানোর ১০ উপায় মৃত অভিনেত্রীর দেহে মিলল ২ লিটার মদ নুসরাতের পোশাক বদলানোর ভিডিও ভাইরাল গুরুতর অসুস্থ তামিম ইকবাল গ্রামীণের গ্রাহকদের জন্য সুখবর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সময় জানালেন মন্ত্রী পরকীয়ায় শাশুড়ি, জানলেন স্ত্রী, কোপালেন স্বামী! নিউজিল্যান্ডে সরকারি-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যৌন সহিংসতার ভয়ঙ্কর তথ্য ১১ মাসে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখল বিশ্ব ‘সুন্নতের জন্য যদি আমার ফাঁসি হয় তাতে খুশি’ সংসার ভাঙছে ‘মোহর’-এর! প্রভাসের ‘সিক্রেট ক্রাশ’ ৪০ বছরের রাভিনা! গুগলের ভুলে রাস্তা হারিয়ে বরফে জমে তরুণের মৃত্যু বাংলাদেশেও করোনার নতুন ধরন শনাক্ত! ইউটিউবে আজহারী, ভিডিও না দিয়েও সাবস্ক্রাইবারের ঢল হেফাজত মহাসচিব কাসেমী মারা গেছেন লকডাউনে জন্মনিরোধক সামগ্রী বিক্রির হিড়িক কাদাজলে নেমে মাছ ধরলেন নায়ক সাইমন নতুন ধরনের করোনা ভাইরাসে উচ্চহারে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা দেশে তৈরি প্রথম গাড়ি আনল পিএইচপি
আরও সংবাদ...

মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে