Close (x)
শাশ্বত সত্য
আপডেট
২৩-০৪-২০১৮, ১৪:০৮

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি
কৃষি প্রযুক্তি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। এখন কেউ এক ফসল ঘরে তোলে না। সাথী ফসল চাষ করে দুই ফসল বা তিন ফসলের লাভ পায় কৃষকেরা। ঠিক তেমনই একটি নতুন পদ্ধতি ধান ক্ষেতে মাছ চাষ। জমিতে ধান চাষ করতে গেলে পানি লাগেই। আর এই পানি ব্যবহার করে মাছ চাষ সম্ভব। শুধু মানতে কিছু নিয়ম। আর এই প্রতিবেদনটি তাদের জন্যে যারা ধানের পাশাপাশি মাছ চাষ করে বাড়তি আয় করতে চান। সেই সঙ্গে নিজের মাছ উৎপাদন করার ভাল লাগাটায় আলাদা কিছু। আমন ও বোরো মৌসুমে ধানের সাথে কার্প জাতীয় মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ করা যায়। বছরে এ চাষ দুইবার করা সম্ভব। হাওড় অথবা নিচু জমিতে বোরো মৌসুমে ধানের সাথে মাছ চাষের যথেষ্ট সুযোগ আছে। সেচ ব্যবস্থা থাকলে উঁচু জমিতেও ধানের সাথে চাষ করা যায়। 
 


জমি নির্বাচন : যেসব জমিতে সারা বছর কিংবা কমপক্ষে ৪ থেকে ৬ মাস পানি থাকে বা ধরে রাখা যায় সেসব জমিতে ধানের সাথে অথবা ধানের পরে মাছ চাষের উপযোগী। জমির অংশ বিশেষ একটু বেশি নিচু অথবা জমির ভেতরে নালা কিংবা গর্ত আছে সেসব জমি গলদা চাষের জন্য বেশি উপযোগী। এঁটেল বা দো-আঁশ মাটির ধানক্ষেত সবচেয়ে ভালো। জমি বন্যামুক্ত হতে হবে। ধানক্ষেতের কাছাকাছি পানি সরবরাহ ও নির্গমন ব্যবস্থা থাকতে হবে। 


 জমির আইল তৈরি বা মেরামত : জমির আইল শক্ত, মজবুত ও উঁচু করতে হবে। আগে থেকে আইল বাঁধা থাকলে তা মেরামত করে নিতে হবে। জমির-তলা সমতল করতে হবে। সাধারণ বন্যায় যে পরিমাণ পানি হয় তার চেয়ে ৫০-৬০ সেন্টিমিটার উঁচু করে আইল তৈরি করা উচিত। মাছ ও গলদা চাষের জন্য পানির গভীরতা চাষ এলাকায় কমপক্ষে ১ মিটার হলে ভালো হয়। আইলের পাশে গোড়ার দিকে ৫০ সেন্টিমিটার এবং ওপরের দিকে ৩০ সেন্টিমিটার।


গর্ত বা নালা বা খাল খনন : ধানক্ষেতে মাছ ও গলদা চাষের জন্য আইল বা বাঁধের চারপাশে ভেতরের দিকে খাল অথবা সুবিধাজনক স্থানে এক বা একাধিক ডোবা বা গর্ত নির্মাণ করতে হবে।
 


জমির ঢালুর দিকে গর্ত বা ডোবা খনন করা উত্তম। মোট জমির শতকরা ১৫ ভাগ এলাকায় ডোবা ও নালা করতে হয়। ডোবা বা নালার গভীরতা ৫০-৬০ সেন্টিমিটার হলে ভালো হয়। ডোবার সাথে নালার সংযোগ থাকতে হবে। আইল থেকে নালা ১২০ সেন্টিমিটার দূরে থাকবে। নালা প্রশস্থ এবং হেলানোভাবে/ঢালু করে কাটতে হবে। মাছ বেশিরভাগ সময় এসব নিচু এলাকায় থাকবে এবং রাতে খাদ্য গ্রহণকালে কম পানি এলাকায় চলে আসবে। এ সব নিচু এলাকায় বা খালে পর্যাপ্ত পরিমাণে আশ্রয় স্থান তৈরি করে দিতে হবে। বর্ষার সময় ক্ষেত থেকে অতিরিক্ত পানি বের করার জন্য আইলের এক বা একাধিক স্থানে নির্গমন নালা রাখতে হবে। তলা থেকে ৩৫ সেন্টিমিটার উঁচুতে এ নালা করলে ক্ষেতে প্রয়োজন পরিমাণ পানি থাকবে। নির্গমন নালায় ৫ ইঞ্চি প্লাস্টিকের পাইপ বসিয়ে পাইপের মুখে তারের জাল দিতে হবে যাতে মাছ ও চিংড়ি বের না হতে পারে। 


৪. জমি তৈরি মাছের জন্য : ধানক্ষেতের উঁচু এলাকা ধানের জন্য এবং নিচু এলাকা গলদার জন্য উপযুক্তভাবে তৈরি করতে হবে। ধানের পরে গলদা চাষ করলে একইভাবে জমি তৈরি করতে হয়। প্রথমে জমির পানি নিকাশ করে শুকাতে হয়। প্রতি শতকে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে হালকা সেচ দেয়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫ কেজি হারে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। ধাপে ধাপে পানি সরবরাহ করা। প্ল্যাঙ্কটন উৎপাদনের জন্য নিয়মিত সার প্রয়োগ করতে হবে।


জমি তৈরি ধানের জন্য : জমিতে প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে ৩-৪টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি থকথকে কাদাময় করতে হবে। জমি মই দিয়ে সমতল করতে হবে। ময়লা আবর্জনা আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।


সার প্রয়োগ : সারের পরিমাণ ধানের জাতের ওপর নির্ভরশীল। উফশী জাতে যে পরিমাণ সার দিতে হয় গলদা চাষের জন্য এর চেয়ে ১৫% বেশি সার দিলে ভালো হয়।
 

সারণি : প্রতি হেক্টরে সারের পরিমাণ (কেজি)

সারের নাম  অনুমোদিত মাত্রা     ১৫% বাড়তি        মোট পরিমাণ       প্রয়োগ সময়

ইউরিয়া         ২০০                 ৩০                  ২৩০             তিন কিস্তিতে

টিএসপি        ১২০                  ১৮                  ১৩৮              শেষ চাষ

এমওপি         ৮০                   ১২                   ৯২               শেষ চাষ

জিপসাম        ৬০                    ৯                    ৬৯               শেষ চাষ


 ইউরিয়া ছাড়া অন্য সব সার সম্পূর্ণ জমি তৈরির শেষ চাষের সময় মাটিতে মিশিয়ে দিতে হয়। ইউরিয়া সমান তিনভাগ করে ধান রোপণের ১৫, ৩০ ও ৫৫ দিন পর ছিটিয়ে দিতে হবে। উপরি-প্রয়োগের সময় চিংড়িগুলো গর্ত ও নালায় নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।


ধানের জাত নির্বাচন : বোরো মৌসুমের জন্যÑ বিআর-১, বিআর-২, বিআর-৩, বিআর-৭, বিআর-৮, বিআর-৯, বিআর-১২, বিআর-১৪, বিআর-১৮, ব্রিধান-৩৫, ব্রিধান-৪৭ ও ব্রিধান-৫৫। আমন মৌসুমের জন্যÑ বিআর-৩, বিআর-৪, বিআর-১০, বিআর-১১, বিআর-২২, বিআর-২৩, ব্রিধান৪০, ব্রিধান৪১, ব্রিধান৪৪ ও ব্রিধান৫৬।
 

চারা রোপণ : কমপক্ষে এক মাস বয়সের চারা লাগানো দরকার। ধানের লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব প্রায় ২৫ সেন্টিমিটার এবং লাইনে গোছার দূরত্ব প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এরূপ ২/৩টি করে চারা-মুক্ত গোছাগুলো রোপণ করা যেতে পারে; তবে আরও ভালো হয় জোড়ায় জোড়ায় সারিগুলো স্থাপন করলে। জোড়ার ভেতরে সারি দুটির দূরত্ব কমিয়ে বা ১৫ সেন্টিমিটার করে, এক জোড়া থেকে অপর জোড়ার দূরত্ব বাড়িয়ে ৩৫ সেন্টিমিটার করা যায়। এতে মাছ ও চিংড়ির চলাফেরা সুবিধা হবে এবং পানিতে প্রচুর সূর্যালোক পড়বে। এভাবে মাছ ও চিংড়ির খাদ্য দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে তার দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুততর হবে।


পানি সরবরাহ : নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় থেকে ছেঁকে পানি সরবরাহ করলে ভালো হয়। প্রথম অবস্থায় ৫-৬ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করতে হয়। পরে ধান বৃদ্ধির অবস্থা অনুসারে পানি সরবরাহ করতে হয়। চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর ১০-১৫ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ির পোনা ছাড়তে হবে।


পোনা মজুদ : মাছ ও চিংড়ির পোনা ধানক্ষেতে ছাড়ার জন্য যেসব বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে-
পোনা ছাড়া ও মজুদের হার : ধানক্ষেতে শুধু চিংড়ির চাষ করতে হেক্টর-প্রতি ১০-১৫ হাজার পোনা ছাড়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫০-৬০টি পোনা ছাড়তে হয়। পোনা কমপক্ষে ৫ সেন্টিমিটার লম্বা হওয়া উচিত। মাছ চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকে রাজপুটি, নাইলোটিকা ও মিররকাপ ১০-১৫টি পোনা ছাড়তে হয়।


পোনা ছাড়ার নিয়ম : ক্ষেতে ধান রোপণের ২০-২৫ দিন পর চিংড়ির পোনা ছাড়া হয়। জমিতে ধানের চারা লেগে গিয়ে বেশ কিছুটা বেড়েছে এমন পর্যায়ই পোনা ছাড়া উপযুক্ত। কারণ খালি বা খোলা জমিতে পোনা না ছাড়াই ভালো। জমিতে পোনা ছাড়ার সবচেয়ে ভালো সময় সকাল ও বিকাল বেলা। যে পাত্রে পোনা আনা হয় তা ক্ষেতের পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখার পর যখন ক্ষেতের ও পাত্রের পানির তাপমাত্রা সমান হয় তখন পাত্রটি কাত করে আস্তে আস্তে পোনা ছাড়তে হবে। তাহলে পোনাগুলো তাপে কোনো আকস্মিক পরিবর্তনের শিকার হবে না।


পরিচর্যা : ধানক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষে কোনো বাড়তি খাবার না দিয়েও মাছ ও চিংড়ি উৎপাদন হতে পারে। মাছ ও চিংড়ি ধানক্ষেতের শ্যাওলা, পোকামাকড়, কিড়া ও পচনশীল দ্রব্যাদি খেয়ে থাকে। তবে কিছু খাবার প্রয়োগ করলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। এর জন্য শুরুতে চালের কুঁড়া ও গোবর ১ঃ৩ অনুপাত মিশিয়ে বল আকারে হেক্টর-প্রতি ১০ কেজি পরিমাণে প্রতি ৭ দিন পরপর গর্তে দিতে হবে। মাছ ও চিংড়ি ছাড়ার মাস খানেক পর থেকে, মোট মাছ ও চিংড়ির ওজন অনুমান করে ওজনের ৩-৫% হারে খৈল ও ভুসি বা কুঁড়া ১ঃ১ অনুপাতে মিশিয়ে একদিন পরপর গর্তে প্রয়োগ করতে হবে। এ উদ্দেশ্যে খৈল একরাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে গমের ভুসি বা চালের কুঁড়ার সাথে মিশিয়ে বল আকারে বিকালে কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে।


ধানের পরিচর্যা : ধানক্ষেতের বিভিন্ন পরিচর্যা, যেমন- আগাছা দমন, ইউরিয়া উপরি-প্রয়োগ, পর্যায়ক্রমে জমি শুকানো ও ভিজানো কাজগুলো প্রচলিত পদ্ধতিতে করা যায়। সারের উপরি-প্রয়োগের সময় যেন পরিখা বা গর্তে পানি থাকে, কিন্তু জমিতে বেশি পানি না থাকে এটা খেয়াল রাখতে হবে।


ধানের পোকা ও রোগ দমনের জন্যে কীটনাশক প্রয়োগ না করে জৈবিক দমন, বালাই-সহনশীল জাতের চাষ, আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে হাতজাল, আলোর ফাঁদ, সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ, কঞ্চি পুঁতে পাখি বসতে দেয়া, ডিমের গাদা নষ্ট করা যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে যায়।


মাছ ও চিংড়ি ধরা : ধান পাকা শুরু হলে ক্ষেতের পানি ধীরে ধীরে কমাতে হবে। এতে মাছ ও চিংড়িগুলো পরিখা বা গর্তে গিয়ে আশ্রয় নেবে। তখন প্রথমে ধান কেটে পরে চিংড়ি ধরতে হবে। কোনো কারণে ধান পাকার আগেই পানি শুকাতে শুরু করলে, ধান কাটার আগেও মাছ ও চিংড়ি ধরা যায়। আবার সুযোগ থাকলে এবং মাছ ও চিংড়ি বিক্রির আকারে না পৌঁছলে অর্থাৎ প্রতিটি যথাক্রমে ১০০ ও ৩৫ গ্রাম ওজনের না হলে ধান কাটার পরও মাছ ও চিংড়ি ক্ষেতে রেখে বড় করে নেয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে আবার পানি দিতে হবে।


মাছ ও চিংড়ির ফলন : বোরো ধান ক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করলে, বাড়তি খাবার ছাড়াই এর উৎপাদন হেক্টর-প্রতি প্রায় ২৮০ কেজি চিংড়ি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন প্রায় ৪০০ কেজি পর্যন্ত হয়। আমন ধান ক্ষেতে বাড়তি খাবার ছাড়া চিংড়ি হেক্টর-প্রতি ১০০-১৫০ কেজি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন ২০০-৩০০ কেজি হতে পারে। মাছ হেক্টর-প্রতি ২৫০-৩০০ কেজি হয়।
 

ধানের পর মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ : জমি থেকে বোরো  আমন ধান কাটার পর জমিতে পানি থাকলে অথবা পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। যেসব জমি ধান কাটার পর ১-২ মাস পতিত থাকার সম্ভাবনা থাকে সেসব জমিতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। ধানের পর মাছ ও চিংড়ি চাষের পদ্ধতি কিছু কিছু অংশ ধানের সাথে মাছ ও চিংড়ি চাষের মতো। সম্পূর্ণ কাজ কর্মগুলোকে তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত করা যায়। এগুলো হচ্ছে-
 

গর্ত ও নালা তৈরি : মাছ ও চিংড়ি উৎপাদনকালে এসব জমিতে প্রচুর পানি থাকে, আবার মাছ ও চিংড়ির সাথে ধান থাকে না সেজন্য এ জমিতে পরিখা বা গর্ত খননের প্রয়োজন নেই তবে মাছ ও চিংড়ি ধরার সুবিধার জন্য জমির নিচু স্থানে গর্ত খুঁড়ে রাখলে ভালো হয়।
 

সার প্রয়োগ : ধানের জন্য অনুমোদিত সার ধান চাষেই ব্যবহার করতে হবে। মাছ ও চিংড়ি চাষের জন্য অতিরিক্ত ১৫% হারে সার চিংড়ি চাষে প্রয়োগ করতে হবে।
সাবধানতা
 

ধানক্ষেতের পানি যেন শুকিয়ে না যায়, কিংবা এত কমে না যায় যে পানি বেশ গরম হয়ে উঠে। উভয় অবস্থায়ই চিংড়ি মারা যেতে পারে। ২. অতি বৃষ্টি অথবা অন্য কোনো কারণে যেন পানি জমে আইল উপচে না যায়। পানি উপচে পড়লে পানির সাথে চিংড়ি বের হয়ে যাবে। ৩. পানি নির্গমন পথে যেন তারের জাল বা বাঁশের বানা দৃঢ়ভাবে আটকে থাকে। অন্যথায় মাছ ও চিংড়ি পানির সাথে চলে যেতে পারে। ৪. ক্ষেতের পানি কমে গেলে সাপ, বড় ব্যাঙ, ইঁদুর ও শিয়াল ইত্যাদি প্রাণী মাছ ও চিংড়ি খেয়ে ফেলার আশংকা থাকে।


সূত্র: বাংলাদেশ সরকার কৃষি তথ্য সার্ভিস



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৪৬০৬১৯ ৭৮১৫৪ ৩৭৫৮৮৫ ৬৫৮০
বিস্তারিত
বিতর্কিত আইনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র ফ্রান্স রেকর্ড তাপমাত্রায় নাভিশ্বাসে অস্ট্রেলিয়া, দাবানলের সতর্কবার্তা ‘মিথ্যা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়েছিলেন বাবর আজম’ একসঙ্গে ৪০ কৃষককে জবাই করে হত্যা সাগরতীরে মিলছে স্বর্ণ, কুড়াচ্ছেন সবাই রাতে ছাত্রীদের কক্ষে ঢুকে যৌন হয়রানি করত স্বাধীন বিডিজেএর সভাপতি আমীন, সাধারণ সম্পাদক সৈকত কৃষকের নামে পণ্য নেওয়ার অভিযোগ কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৮৫ হাজার কোটি টাকা দিলেও হিজাব ছাড়ব না: হালিমা ছত্তিশগড়ে মাওবাদী হামলায় নিরাপত্তা সদস্য নিহত, আহত ৯ বাবা-মা আছে, তবুও কাগজে-কলমে ওরা এতিম! রাহ্মণপাড়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন তারা সেতুধসে দুই বছর পানিতে, কুমিল্লায় মানুষের দুর্ভোগ পদ্মা-যমুনায় পাওয়া মাছের দাম কম, হতাশ জেলেরা দ্রতই নামছে দেশের তাপমাত্রা টিভিতে খেলার সূচি ভারতের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া পাল্টাপাল্টি রাষ্ট্রদূত বহিষ্কারে উত্তপ্ত মন্টেনিগ্রো-সার্বিয়া দেশের সবচেয়ে বড় রেলসেতু নির্মাণকাজ শুরু হচ্ছে বিশ্বে বেড়েই চলছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা চিনিকল শ্রমিকদের বেতনের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন মিথুনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ভুল বোঝাবুঝি কর্কটের ২৯ নভেম্বর: আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল রোববার ঢাকার যেসব স্থানে যাবেন না পরমাণুবিজ্ঞানী হত্যায় ক্ষোভে ফুসে উঠেছে গোটা ইরান প্রথম দেখাতেই সুন্দরী ক্রিস্টিনার প্রেমে পড়েন ম্যারাডোনা বিয়ের পিঁড়িতে ‘মির্জাপুর-২’ সিরিজের অভিনেতা চট্টগ্রামের বিপক্ষে খুলনার লজ্জাজনক হার আবারো হোঁচট খেলো রিয়াল মাদ্রিদ ঠিক সময়ে মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ গেমস, প্রত্যাশা কর্তাদের রোনালদোবিহীন ম্যাচে য়্যুভেন্তাসের হোঁচট স্টুটগার্টকে হারিয়ে আবারো শীর্ষস্থানে বায়ার্ন কাতারে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচেও বাংলাদেশের হার অঙ্কুশের স্ত্রী দর্শনা! হাইভোল্টেজ ম্যাচে চেলসির বিপক্ষে লড়বে টটেনহ্যাম নারীদের ঋতুচক্রকালীন ব্যথা প্রশমনের নতুন সম্ভাবনা ২০২০ সালে বিচ্ছেদ হলো যাদের স্বাধীন ও টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র চায় বাংলাদেশ ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাংচুর রোহিঙ্গা গণহত্যা: মামলা লড়তে ৫ লাখ ডলার দিল বাংলাদেশ মৌলভীবাজারে তৃতীয় লিঙ্গের একজনের লাশ উদ্ধার অবশেষে ইপিএলে জয় পেল ম্যানসিটি সাংবাদিকের পা ভেঙে দিল ওরা ২য় প্রস্তুতি ম্যাচেও হারল বাংলাদেশ ফিরলেন মেসি স্বামীর পরকীয়ার বলি হলেন নিলুফা যে কোনো মূল্যে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বার্সেলোনা হিলিতে ফেন্সিডিলসহ আটক ২ ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার দিলেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শুভ্র হত্যা: মামলার আরেক আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আ.লীগ নেতা স্বামীকে দা দিয়ে কোপালেন স্ত্রী ভ্যাকসিন পরিবহনে ইউনাইটেড এয়ার বিজ্ঞাপন ছাড়া ইউটিউব ভিডিও দেখবেন যেভাবে বরগুনায় পুলিশ কর্মকর্তার বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন অনলাইনে জুয়া খেলায় ৩ জুয়াড়ি আটক, ১২ লাখ টাকা উদ্ধার জমি-জমার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের দলিল গাজীপুরে বেপরোয়া ট্রাক কেড়ে নিল পুলিশের প্রাণ অবশেষে তামিমের ব্যাটে হাসি, জয় বরিশালের ১২ হাজারে ছয়মাসের সন্তান বিক্রি করে পলাতক মা-বাবা ‘নদী কমিশন নৌ মন্ত্রণালয়ের বেতনভোগী বলেই আমার বিরুদ্ধে রিপোর্ট’ ঢাকার যুবক ঝালকাঠিতে খুন, বাবা-মেয়ে গ্রেফতার ছোট্ট সাব্বিরকে ২২ হাজার টাকায় বিক্রি করলেন দাদা ‘গাইবান্ধা শিল্পকলা একাডেমি নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে’ উত্তরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা আরও কমবে রাতে টাইগ্রের মেকেল্লেতে অভিযান জোরদার ইথিওপিয়ার মসজিদের কক্ষে প্রেমিকার সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধরা ইমাম আরও আপডেট হচ্ছে টেসলার সেলফ ড্রাইভিং সফটওয়্যার ছেলের নামে ফুটবল টুর্নামেন্ট, খেলোয়াড়দের পেটালেন ইউএনও! ডিজলাইকে চাপা হিরো আলমের ‘বাবু খাইছো’ মৌলভীবাজারে ‘চশমা পরা’ হনুমান উদ্ধার নিঃসঙ্গ হাতিকে বাঁচাতে পাকিস্তানে আমেরিকান পপ গায়িকা (ভিডিও) লিভারপুলের কপাল কতটা খারাপ! চট্টগ্রামের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক: তাজুল ইসলাম মালয়েশিয়ান যুবককে মারধর: বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ খালপাড়ে পড়ে থাকা কার্টনে দুই কন্যাশিশুর লাশ নারিকেল দেওয়ার কথা বলে শিশুকে ধর্ষণ, আটক ১ বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে করোনার থাবা প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রেমিক কারাগারে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় যুবক কারাগারে বিক্রির জন্য ১০ লাখ ভ্যাকসিন আনছে বেক্সিমকো বঙ্গবন্ধু দূরপাল্লার সাঁতারে প্রথম সেনাবাহিনী 'তোমাদের ঘাড় মটকে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করব নয়ত পাকিস্তান পাঠাব' ম্যারাডোনাকে নিয়ে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন সাবেক ফুটবলার প্রবাসীদের জন্য সুখবর দিল কাতার সরকার বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতার দলে বড় ধাক্কা যুবলীগ হবে সন্ত্রাস ও দুর্নীতিবাজ মুক্ত: নিক্সন চৌধুরী চীনের সড়কে চলছে ফাইভ জি বাস সরাইলে স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক সংস্কার কাজ শুরু ফারিয়া-অপুর বিয়ে কেন ভাঙল? নদী কমিশনের প্রতিবেদন মনগড়া, দাবি আসলামুল হকের ‘কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো নতুন করে সাজানো হবে’ বাংলাদেশ-ভারত থেকেই বিশ্বে করোনা ছড়িয়েছে, দাবি চীনা বিজ্ঞানীদের বড়দিনের আগেই ভ্যাকসিন সরবরাহের প্রস্তুতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মাওলানা স্বামীর সঙ্গে সানার গাড়িতে ঘোরার ভিডিও ভাইরাল ২৫ পৌরসভায় আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা নানা আচারে কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন পরকীয়ায় ধরা পুলিশ কনস্টেবল দুই জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ কোম্পানীগঞ্জে কলেজছাত্র অপহরণের অভিযোগ প্লট বাণিজ্য থেকে সোনা চোরাচালান, গোল্ডেন মনিরের বিচরণ সবখানে!
আরও সংবাদ...
বাংলাদেশিদের দেড় ঘণ্টার হামলায় ধরাশয়ী ফ্রান্সের সেই ওয়েবসাইট হেলিকপ্টারে বিয়ে করতে গেলেন রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকৌশলী ফ্রান্সে হামলা চলছে, দেখুন লাইভ ভিডিও ২০২১ সালে যেসব জিমেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে ভোটে জিতেই স্ত্রী-কন্যাকে হারান বাইডেন রামপালের কাজ বুঝিয়ে দেয়ার আগেই দেউলিয়া ভারতীয় কোম্পানি চুপিসারেই মৌলানাকে বিয়ে করলেন অভিনেত্রী সানা! (ভিডিও) গুগল ম্যাপে ধরা পড়ল বাংলাদেশি সেই জাহাজ ‘ভালোবাসার কথা বলতে না পারা মানুষটাই জীবন সঙ্গিনী’ ধর্ষণের শিকার তরুণীকে বিয়ে করলেন ‘ছোটবেলার প্রেমিক’ টয়লেটের পানি দিয়ে ফুচকার টক বানানোর সময় বিক্রেতা ধরা ৩০০ টাকা নিয়ে শহরে এসে কোটি টাকার মালিক! নতুন চুল গজানোর ঘরোয়া উপায় শুধু ধর্ষণ নয়, কাটাছেঁড়া মৃতদেহের সঙ্গে সেলফি তুলতো মুন্না ফ্রান্সে কিছুক্ষণের মধ্যেই বড় হামলার ঘোষণা নায়িকা শ্রাব‌ন্তী‌কে কুপ্রস্তাব: রিমান্ডে যা বললেন সেই যুবক সেলফি তুলতে চাওয়ায় ভক্তের ফোন ছুড়ে মারলেন সাকিব অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক ক্রিকেটার সজিবের আত্মহত্যা মুসলমানদের অনুভূতি বুঝতে পেরেছি: ম্যাক্রোঁ মেয়র লিটনের মেয়ে, ছাত্রলীগ নেত্রী অর্ণার বিয়ে মাছেও করোনাভাইরাস! বন্ধ হচ্ছে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট নবম-দশম শ্রেণিতে কোনো বিভাগ থাকছে না: শিক্ষামন্ত্রী তৃতীয় স্বামীর সঙ্গেও থাকছেন না শ্রাবন্তী! এক দিনেই মুকেশ হারালেন ৬০ হাজার কোটি টাকা! মার্কিন নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশে কত দূর? উচ্চশিক্ষার জন্য রাজধানীতে এসে লাশ হলেন মুন্না যে ৭ মানসিক ব্যাধি মানুষকে যৌন অপরাধী বানায় মুসলিমদের বড় সুখবর দিলেন বাইডেন চট্টগ্রামে বিরল শিশুর জন্ম সাকিবকে হুমকির ঘটনায় কঙ্গনার বিস্ফোরক মন্তব্য কাজলের প্রতিরাতে খরচ ৩৩ লাখ টাকা! অভিনেত্রী লীনা মারা গেছেন দেড় লাখ টাকার শাড়ি, ৯০০ বছর ধরে বুনছে এক পরিবার! অক্সফোর্ডের মুনজেরিন ঢাবিতেও প্রথম শ্রেণিতে প্রথম বাইডেনের ‘ভক্ত’ হয়ে গেছেন ফখরুল ‘সবকিছু শেষ হওয়ার পথে’ : বাইডেনের উপদেষ্টা অপুকে নিয়ে উড়াল দিলেন নিরব! নোটিশ প্রত্যাহার করে জনস্বাস্থ্য পরিচালকের দুঃখ প্রকাশ র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলমকে বদলি ছেলের পোস্টে ফের আলোচনায় শ্রাবন্তী জীবিত গরুর অণ্ডকোষ-ভুঁড়ি খেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কিশোর! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ল ‘আইসিইউ’তে ৯ তারকা! মিথিলাকে মণ্ডপে নিয়ে বিপাকে সৃজিত হাসপাতালের কর্মচারীদের মারধরে এএসপির মৃত্যু, ভিডিও প্রকাশ জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার ভারতী সিং সোনায় মোড়ানো আড়াই হাজার বছর আগের ১০০ কফিন উদ্ধার বাইডেনের সমর্থনে ৭ লাখ মানুষ হত্যা কানাডায় পাহাড় কিনলেন অক্ষয় কুমার
আরও সংবাদ...


মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে
X