শাশ্বত সত্য
আপডেট
২৩-০৪-২০১৮, ১৪:০৮

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি

ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, দুই ফসলেই অর্থপ্রাপ্তি
কৃষি প্রযুক্তি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। এখন কেউ এক ফসল ঘরে তোলে না। সাথী ফসল চাষ করে দুই ফসল বা তিন ফসলের লাভ পায় কৃষকেরা। ঠিক তেমনই একটি নতুন পদ্ধতি ধান ক্ষেতে মাছ চাষ। জমিতে ধান চাষ করতে গেলে পানি লাগেই। আর এই পানি ব্যবহার করে মাছ চাষ সম্ভব। শুধু মানতে কিছু নিয়ম। আর এই প্রতিবেদনটি তাদের জন্যে যারা ধানের পাশাপাশি মাছ চাষ করে বাড়তি আয় করতে চান। সেই সঙ্গে নিজের মাছ উৎপাদন করার ভাল লাগাটায় আলাদা কিছু। আমন ও বোরো মৌসুমে ধানের সাথে কার্প জাতীয় মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ করা যায়। বছরে এ চাষ দুইবার করা সম্ভব। হাওড় অথবা নিচু জমিতে বোরো মৌসুমে ধানের সাথে মাছ চাষের যথেষ্ট সুযোগ আছে। সেচ ব্যবস্থা থাকলে উঁচু জমিতেও ধানের সাথে চাষ করা যায়। 
 


জমি নির্বাচন : যেসব জমিতে সারা বছর কিংবা কমপক্ষে ৪ থেকে ৬ মাস পানি থাকে বা ধরে রাখা যায় সেসব জমিতে ধানের সাথে অথবা ধানের পরে মাছ চাষের উপযোগী। জমির অংশ বিশেষ একটু বেশি নিচু অথবা জমির ভেতরে নালা কিংবা গর্ত আছে সেসব জমি গলদা চাষের জন্য বেশি উপযোগী। এঁটেল বা দো-আঁশ মাটির ধানক্ষেত সবচেয়ে ভালো। জমি বন্যামুক্ত হতে হবে। ধানক্ষেতের কাছাকাছি পানি সরবরাহ ও নির্গমন ব্যবস্থা থাকতে হবে। 


 জমির আইল তৈরি বা মেরামত : জমির আইল শক্ত, মজবুত ও উঁচু করতে হবে। আগে থেকে আইল বাঁধা থাকলে তা মেরামত করে নিতে হবে। জমির-তলা সমতল করতে হবে। সাধারণ বন্যায় যে পরিমাণ পানি হয় তার চেয়ে ৫০-৬০ সেন্টিমিটার উঁচু করে আইল তৈরি করা উচিত। মাছ ও গলদা চাষের জন্য পানির গভীরতা চাষ এলাকায় কমপক্ষে ১ মিটার হলে ভালো হয়। আইলের পাশে গোড়ার দিকে ৫০ সেন্টিমিটার এবং ওপরের দিকে ৩০ সেন্টিমিটার।


গর্ত বা নালা বা খাল খনন : ধানক্ষেতে মাছ ও গলদা চাষের জন্য আইল বা বাঁধের চারপাশে ভেতরের দিকে খাল অথবা সুবিধাজনক স্থানে এক বা একাধিক ডোবা বা গর্ত নির্মাণ করতে হবে।
 


জমির ঢালুর দিকে গর্ত বা ডোবা খনন করা উত্তম। মোট জমির শতকরা ১৫ ভাগ এলাকায় ডোবা ও নালা করতে হয়। ডোবা বা নালার গভীরতা ৫০-৬০ সেন্টিমিটার হলে ভালো হয়। ডোবার সাথে নালার সংযোগ থাকতে হবে। আইল থেকে নালা ১২০ সেন্টিমিটার দূরে থাকবে। নালা প্রশস্থ এবং হেলানোভাবে/ঢালু করে কাটতে হবে। মাছ বেশিরভাগ সময় এসব নিচু এলাকায় থাকবে এবং রাতে খাদ্য গ্রহণকালে কম পানি এলাকায় চলে আসবে। এ সব নিচু এলাকায় বা খালে পর্যাপ্ত পরিমাণে আশ্রয় স্থান তৈরি করে দিতে হবে। বর্ষার সময় ক্ষেত থেকে অতিরিক্ত পানি বের করার জন্য আইলের এক বা একাধিক স্থানে নির্গমন নালা রাখতে হবে। তলা থেকে ৩৫ সেন্টিমিটার উঁচুতে এ নালা করলে ক্ষেতে প্রয়োজন পরিমাণ পানি থাকবে। নির্গমন নালায় ৫ ইঞ্চি প্লাস্টিকের পাইপ বসিয়ে পাইপের মুখে তারের জাল দিতে হবে যাতে মাছ ও চিংড়ি বের না হতে পারে। 


৪. জমি তৈরি মাছের জন্য : ধানক্ষেতের উঁচু এলাকা ধানের জন্য এবং নিচু এলাকা গলদার জন্য উপযুক্তভাবে তৈরি করতে হবে। ধানের পরে গলদা চাষ করলে একইভাবে জমি তৈরি করতে হয়। প্রথমে জমির পানি নিকাশ করে শুকাতে হয়। প্রতি শতকে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে হালকা সেচ দেয়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫ কেজি হারে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। ধাপে ধাপে পানি সরবরাহ করা। প্ল্যাঙ্কটন উৎপাদনের জন্য নিয়মিত সার প্রয়োগ করতে হবে।


জমি তৈরি ধানের জন্য : জমিতে প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে ৩-৪টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি থকথকে কাদাময় করতে হবে। জমি মই দিয়ে সমতল করতে হবে। ময়লা আবর্জনা আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।


সার প্রয়োগ : সারের পরিমাণ ধানের জাতের ওপর নির্ভরশীল। উফশী জাতে যে পরিমাণ সার দিতে হয় গলদা চাষের জন্য এর চেয়ে ১৫% বেশি সার দিলে ভালো হয়।
 

সারণি : প্রতি হেক্টরে সারের পরিমাণ (কেজি)

সারের নাম  অনুমোদিত মাত্রা     ১৫% বাড়তি        মোট পরিমাণ       প্রয়োগ সময়

ইউরিয়া         ২০০                 ৩০                  ২৩০             তিন কিস্তিতে

টিএসপি        ১২০                  ১৮                  ১৩৮              শেষ চাষ

এমওপি         ৮০                   ১২                   ৯২               শেষ চাষ

জিপসাম        ৬০                    ৯                    ৬৯               শেষ চাষ


 ইউরিয়া ছাড়া অন্য সব সার সম্পূর্ণ জমি তৈরির শেষ চাষের সময় মাটিতে মিশিয়ে দিতে হয়। ইউরিয়া সমান তিনভাগ করে ধান রোপণের ১৫, ৩০ ও ৫৫ দিন পর ছিটিয়ে দিতে হবে। উপরি-প্রয়োগের সময় চিংড়িগুলো গর্ত ও নালায় নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।


ধানের জাত নির্বাচন : বোরো মৌসুমের জন্যÑ বিআর-১, বিআর-২, বিআর-৩, বিআর-৭, বিআর-৮, বিআর-৯, বিআর-১২, বিআর-১৪, বিআর-১৮, ব্রিধান-৩৫, ব্রিধান-৪৭ ও ব্রিধান-৫৫। আমন মৌসুমের জন্যÑ বিআর-৩, বিআর-৪, বিআর-১০, বিআর-১১, বিআর-২২, বিআর-২৩, ব্রিধান৪০, ব্রিধান৪১, ব্রিধান৪৪ ও ব্রিধান৫৬।
 

চারা রোপণ : কমপক্ষে এক মাস বয়সের চারা লাগানো দরকার। ধানের লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব প্রায় ২৫ সেন্টিমিটার এবং লাইনে গোছার দূরত্ব প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এরূপ ২/৩টি করে চারা-মুক্ত গোছাগুলো রোপণ করা যেতে পারে; তবে আরও ভালো হয় জোড়ায় জোড়ায় সারিগুলো স্থাপন করলে। জোড়ার ভেতরে সারি দুটির দূরত্ব কমিয়ে বা ১৫ সেন্টিমিটার করে, এক জোড়া থেকে অপর জোড়ার দূরত্ব বাড়িয়ে ৩৫ সেন্টিমিটার করা যায়। এতে মাছ ও চিংড়ির চলাফেরা সুবিধা হবে এবং পানিতে প্রচুর সূর্যালোক পড়বে। এভাবে মাছ ও চিংড়ির খাদ্য দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে তার দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুততর হবে।


পানি সরবরাহ : নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় থেকে ছেঁকে পানি সরবরাহ করলে ভালো হয়। প্রথম অবস্থায় ৫-৬ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করতে হয়। পরে ধান বৃদ্ধির অবস্থা অনুসারে পানি সরবরাহ করতে হয়। চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর ১০-১৫ সেন্টিমিটার পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ির পোনা ছাড়তে হবে।


পোনা মজুদ : মাছ ও চিংড়ির পোনা ধানক্ষেতে ছাড়ার জন্য যেসব বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে-
পোনা ছাড়া ও মজুদের হার : ধানক্ষেতে শুধু চিংড়ির চাষ করতে হেক্টর-প্রতি ১০-১৫ হাজার পোনা ছাড়া যেতে পারে। প্রতি শতকে ৫০-৬০টি পোনা ছাড়তে হয়। পোনা কমপক্ষে ৫ সেন্টিমিটার লম্বা হওয়া উচিত। মাছ চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকে রাজপুটি, নাইলোটিকা ও মিররকাপ ১০-১৫টি পোনা ছাড়তে হয়।


পোনা ছাড়ার নিয়ম : ক্ষেতে ধান রোপণের ২০-২৫ দিন পর চিংড়ির পোনা ছাড়া হয়। জমিতে ধানের চারা লেগে গিয়ে বেশ কিছুটা বেড়েছে এমন পর্যায়ই পোনা ছাড়া উপযুক্ত। কারণ খালি বা খোলা জমিতে পোনা না ছাড়াই ভালো। জমিতে পোনা ছাড়ার সবচেয়ে ভালো সময় সকাল ও বিকাল বেলা। যে পাত্রে পোনা আনা হয় তা ক্ষেতের পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখার পর যখন ক্ষেতের ও পাত্রের পানির তাপমাত্রা সমান হয় তখন পাত্রটি কাত করে আস্তে আস্তে পোনা ছাড়তে হবে। তাহলে পোনাগুলো তাপে কোনো আকস্মিক পরিবর্তনের শিকার হবে না।


পরিচর্যা : ধানক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষে কোনো বাড়তি খাবার না দিয়েও মাছ ও চিংড়ি উৎপাদন হতে পারে। মাছ ও চিংড়ি ধানক্ষেতের শ্যাওলা, পোকামাকড়, কিড়া ও পচনশীল দ্রব্যাদি খেয়ে থাকে। তবে কিছু খাবার প্রয়োগ করলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। এর জন্য শুরুতে চালের কুঁড়া ও গোবর ১ঃ৩ অনুপাত মিশিয়ে বল আকারে হেক্টর-প্রতি ১০ কেজি পরিমাণে প্রতি ৭ দিন পরপর গর্তে দিতে হবে। মাছ ও চিংড়ি ছাড়ার মাস খানেক পর থেকে, মোট মাছ ও চিংড়ির ওজন অনুমান করে ওজনের ৩-৫% হারে খৈল ও ভুসি বা কুঁড়া ১ঃ১ অনুপাতে মিশিয়ে একদিন পরপর গর্তে প্রয়োগ করতে হবে। এ উদ্দেশ্যে খৈল একরাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে গমের ভুসি বা চালের কুঁড়ার সাথে মিশিয়ে বল আকারে বিকালে কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে।


ধানের পরিচর্যা : ধানক্ষেতের বিভিন্ন পরিচর্যা, যেমন- আগাছা দমন, ইউরিয়া উপরি-প্রয়োগ, পর্যায়ক্রমে জমি শুকানো ও ভিজানো কাজগুলো প্রচলিত পদ্ধতিতে করা যায়। সারের উপরি-প্রয়োগের সময় যেন পরিখা বা গর্তে পানি থাকে, কিন্তু জমিতে বেশি পানি না থাকে এটা খেয়াল রাখতে হবে।


ধানের পোকা ও রোগ দমনের জন্যে কীটনাশক প্রয়োগ না করে জৈবিক দমন, বালাই-সহনশীল জাতের চাষ, আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে হাতজাল, আলোর ফাঁদ, সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ, কঞ্চি পুঁতে পাখি বসতে দেয়া, ডিমের গাদা নষ্ট করা যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে যায়।


মাছ ও চিংড়ি ধরা : ধান পাকা শুরু হলে ক্ষেতের পানি ধীরে ধীরে কমাতে হবে। এতে মাছ ও চিংড়িগুলো পরিখা বা গর্তে গিয়ে আশ্রয় নেবে। তখন প্রথমে ধান কেটে পরে চিংড়ি ধরতে হবে। কোনো কারণে ধান পাকার আগেই পানি শুকাতে শুরু করলে, ধান কাটার আগেও মাছ ও চিংড়ি ধরা যায়। আবার সুযোগ থাকলে এবং মাছ ও চিংড়ি বিক্রির আকারে না পৌঁছলে অর্থাৎ প্রতিটি যথাক্রমে ১০০ ও ৩৫ গ্রাম ওজনের না হলে ধান কাটার পরও মাছ ও চিংড়ি ক্ষেতে রেখে বড় করে নেয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে আবার পানি দিতে হবে।


মাছ ও চিংড়ির ফলন : বোরো ধান ক্ষেতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করলে, বাড়তি খাবার ছাড়াই এর উৎপাদন হেক্টর-প্রতি প্রায় ২৮০ কেজি চিংড়ি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন প্রায় ৪০০ কেজি পর্যন্ত হয়। আমন ধান ক্ষেতে বাড়তি খাবার ছাড়া চিংড়ি হেক্টর-প্রতি ১০০-১৫০ কেজি হয়। খাবার দিলে উৎপাদন ২০০-৩০০ কেজি হতে পারে। মাছ হেক্টর-প্রতি ২৫০-৩০০ কেজি হয়।
 

ধানের পর মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ : জমি থেকে বোরো  আমন ধান কাটার পর জমিতে পানি থাকলে অথবা পানি সরবরাহ করে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। যেসব জমি ধান কাটার পর ১-২ মাস পতিত থাকার সম্ভাবনা থাকে সেসব জমিতে মাছ ও চিংড়ি চাষ করা যায়। ধানের পর মাছ ও চিংড়ি চাষের পদ্ধতি কিছু কিছু অংশ ধানের সাথে মাছ ও চিংড়ি চাষের মতো। সম্পূর্ণ কাজ কর্মগুলোকে তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত করা যায়। এগুলো হচ্ছে-
 

গর্ত ও নালা তৈরি : মাছ ও চিংড়ি উৎপাদনকালে এসব জমিতে প্রচুর পানি থাকে, আবার মাছ ও চিংড়ির সাথে ধান থাকে না সেজন্য এ জমিতে পরিখা বা গর্ত খননের প্রয়োজন নেই তবে মাছ ও চিংড়ি ধরার সুবিধার জন্য জমির নিচু স্থানে গর্ত খুঁড়ে রাখলে ভালো হয়।
 

সার প্রয়োগ : ধানের জন্য অনুমোদিত সার ধান চাষেই ব্যবহার করতে হবে। মাছ ও চিংড়ি চাষের জন্য অতিরিক্ত ১৫% হারে সার চিংড়ি চাষে প্রয়োগ করতে হবে।
সাবধানতা
 

ধানক্ষেতের পানি যেন শুকিয়ে না যায়, কিংবা এত কমে না যায় যে পানি বেশ গরম হয়ে উঠে। উভয় অবস্থায়ই চিংড়ি মারা যেতে পারে। ২. অতি বৃষ্টি অথবা অন্য কোনো কারণে যেন পানি জমে আইল উপচে না যায়। পানি উপচে পড়লে পানির সাথে চিংড়ি বের হয়ে যাবে। ৩. পানি নির্গমন পথে যেন তারের জাল বা বাঁশের বানা দৃঢ়ভাবে আটকে থাকে। অন্যথায় মাছ ও চিংড়ি পানির সাথে চলে যেতে পারে। ৪. ক্ষেতের পানি কমে গেলে সাপ, বড় ব্যাঙ, ইঁদুর ও শিয়াল ইত্যাদি প্রাণী মাছ ও চিংড়ি খেয়ে ফেলার আশংকা থাকে।


সূত্র: বাংলাদেশ সরকার কৃষি তথ্য সার্ভিস



DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট
আক্রান্ত চিকিৎসাধীন সুস্থ মৃত্যু
৩৫৬৭৬৭ ৮৯৭৪৩ ২৬৭০২৪ ৫০৯৩
বিস্তারিত
জয় দিয়ে মৌসুম শুরু ইন্টার মিলানের রামোসের পেনাল্টিতে রিয়ালের কষ্টার্জিত জয় ৩ গোলে পিছিয়ে থেকেও হার এড়ালো চেলসি প্রথম জয় পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স হিন্দু ভাইয়ের মুখাগ্নি করলেন মুসলিম বোন জলবায়ু রক্ষায় 'ফ্রাইডে ফর ফিউচার' করোনার রেশ কাটাতে খেলাধুলায় ঝুঁকছেন আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশিরা সিংহের লেজ নিয়ে নাড়াচাড়া করবেন না: ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি আশুগঞ্জে ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মীর হাত পা বাধা রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার নির্বাচনী ডামাডোল, প্রান্তিক পর্যায়ে প্রচারণা শেষে ঢাকায় মতবিনিময় ফুটবল বিশ্বকাপে ৫০টি দেশ খেলানো হবে প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে হওয়ায় তরুণের আত্মহত্যা শেষ হলো শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক অনলাইন দাবা প্রতিযোগিতা রাদ-৫০০ মিসাইল প্রদর্শন করলো ইরান মেয়াদোত্তীর্ণ আকামাধারীরা কুয়েতে প্রবেশ করতে পারবেন না সুপার সানডেতে লেস্টার সিটির প্রতিপক্ষ ম্যানসিটি সংগীত পরিচালক শওকত আলী ইমন গ্রেফতার ৪ নয় ৩ বছরে ইতালিয়ান পাসপোর্ট! ৩৮০ কোটি টাকা জিততে কোর্টে নামছেন টেনিস তারকারা কক্সবাজারের ৮ থানায় নতুন ওসি নিয়োগ শুটিংয়ের ফাঁকে মাদক সেবন করতেন সুশান্ত: দাবি সারা-শ্রদ্ধার কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যা টিম হোটেল ছাড়ছেন ক্রিকেটাররা ভাসুরের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা কোদাল দিয়ে চুল কেটে দিলো কিশোরকে, রাতভর নির্যাতন! (ভিডিও) দেশে শুরু হচ্ছে ক্রিকেট আমির খানের দেহরক্ষী ছিলেন ‘আদালতে’র কেডি পাঠক বদলে যাচ্ছে উইকিপিডিয়া ঝিনাইদহে সহস্রাধিক ইয়াবাসহ ২ নারী আটক নোয়াখালীতে ভুয়া এনএসআই কর্মকর্তা আটক জামানত ছাড়াই পাবেন ৫০ হাজার টাকা ঋণ! ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু করোনা ভ্যাকসিনকে বৈশ্বিক সম্পদ বিবেচনা করা প্রয়োজন: শেখ হাসিনা ফরিদপুর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুম গ্রেফতার ভারতের ভ্যাকসিন সমগ্র মানবজাতির জন্য: মোদি আইএস কে অর্থ সরবরাহ করেছিল ডয়েচ ব্যাংক? বিভিন্ন অপরাধে ২৮টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ২০১৯ সালে বাংলাদেশে ৮ হাজার কোটি সিগারেট বিক্রি! ৮ অক্টোবর থেকে ইতালির সঙ্গে বিমান চলাচল করোনায় মৃত্যুঝুঁকি কমায় ভিটামিন ডি, দাবি গবেষকদের নাটকীয় জয় পেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মেসিকে পাল্টা জবাব দিলেন কোম্যান জিহাদি বইসহ ওলামা মাশায়েখের দুই সদস্য আটক এমসি কলেজে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধে চালু হয়েছিল ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ টিকেট দেড়শ’, অপেক্ষায় কয়েক হাজার সৌদি যাত্রী! ফতুল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ২০ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা ৩২ সৌদি প্রবাসীকে রেখেই উড়ল উড়োজাহাজ! কুমিল্লায় ৪ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করোনা রোধে কার্যকর রেশম কাপড়ের মাস্ক, দাবি গবেষকদের সমুদ্র সৈকতে অর্ধগলিত লাশ সৌদিতে আরও একটি বিশেষ ফ্লাইটের ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে সুয়ারেজ এখন অ্যাতলেটিকোর ফেসবুকে অ্যাক্টিভ ধর্ষণের আসামিরা, খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ! কৃষি কর্মকর্তার ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল ‘ডুব’ নিয়ে এনসিবি’কে কী জানালেন রাকুলপ্রীত ‘গণধর্ষণ যারা ঘটিয়েছে তারা ছাত্রলীগের নেতা না’ ধনকুবের থেকে পথে বসার উপক্রম ‘অনিল আম্বানি’র চীনের অস্ত্র পাকিস্তান ড্রোনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে কাশ্মীরে! ‘ইসরাইলের সঙ্গে চুক্তি ইসলামের ক্ষতিসাধনের হাতিয়ার’ দুর্গাপুরে বজ্রপাতে শিক্ষার্থীর মৃত্যু প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে স্কুলছাত্রী সুন্দরব‌নের অভয়ারণ্য থে‌কে ৫ জেলে আটক মাদক মামালায় জিজ্ঞাসাবাদে কী বললেন শ্রদ্ধা কাপুর? মুমূর্ষু স্বামীর জন্য রক্ত দেয়ার কথা বলে স্ত্রীকে ধর্ষণ মাত্র ৭ দিনে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে ৬.৮ শতাংশ! রইলেন কেবল মেসি! দফায়-দফায় বন্যায় নিঃস্ব লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম বাংলাদেশকে ২০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক ভারতের মুসলিমবিরোধী নৃশংসতা, বিশ্ববাসীকে সতর্ক করলেন ইমরান খান খুলনার পথে পথে মাইকেল জ্যাকসন! নারী-শিশুসহ ৬২ জনকে হত্যা করল হাউথিরা জিভে জল আনবে ইলিশের কোরমা সময় ৩ ঘণ্টা, করোনা নেগেটিভ সনদ নিয়েই দৌড়! শ্রীবরদীতে গৃহকর্মী নির্যাতন, আ.লীগ নেতার স্ত্রী গ্রেফতার পদ্মায় নৌকাডুবির ঘটনায় ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা পরিবেশ রক্ষায় জার্মানিতে 'ফ্রাইডে ফর ফিউচার' সমাবেশ তরুণীকে গণধর্ষণ: এমসি কলেজে বিক্ষোভ শিক্ষার্থীদের গণফোরামে ভাঙন! কাকলী প্রধানের ১০০ নদীর উন্মুক্ত আলোকচিত্র প্রদর্শনী রোববার সংসারের খরচ কমানোর ১৫ উপায় মিশরে সরকার পতনের দাবির মিছিলে পুলিশের গুলি নীলা হত্যাকাণ্ডে আসামি মিজানুর ৭ দিনের রিমান্ডে কুকুর অপসারণের বিরোধিতা করে রাজধানীতে মানববন্ধন নেত্রকোনায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু গ্যাসের ব্যথা-না হার্টের, বুঝবেন যেভাবে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ উপ-নির্বাচনে দু’জনেরই প্রার্থিতা বৈধ প্যারিসে ছুরি হামলায় পাকিস্তানি তরুণসহ আটক ৭ চাকরি হারাচ্ছেন মাদকসক্ত ২৬ পুলিশ ‘মাদকে জড়িত’ মেয়ে সারার পাশে আছেন সাইফ হালিমার শেষ সম্বলটুকুও কেড়ে নিল যমুনা কৃষি সংস্কার বিলের বিরুদ্ধে ভারতজুড়ে কৃষক বিক্ষোভ রাজশাহীতে আরও ৫৬ জনের করোনা শনাক্ত অবশেষে মাদকের বিষয়ে মুখ খুললেন করণ জোহর গোপালগঞ্জে অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার সোনালী ব্যাংকে চাকরির সুযোগ রাজশাহীতে অস্ত্রসহ দুই ব্যবসায়ী গ্রেফতার নোয়াখালীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার সুইসাইড নোট লিখে কলেজছাত্রীর ‘আত্মহত্যা’ নরসিংদীতে ভূমিহীন ৪০ পরিবারে জমির দলিল হস্তান্তর
আরও সংবাদ...
ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশি নাগরিকরা ভ্রমণ করতে পারবেন যে ৪১ দেশ ভারত থেকে লন্ডন যেতে বাস সার্ভিস চালু ৩০ মিনিটে এনআইডির অসুন্দর ছবি বদলে ফেলুন বাংলাদেশকে ১৬ আনাই ফাঁকি দিয়েছে ভারত! ডাচ্-বাংলা-আইবিএলসহ ৫ ব্যাংকে লেনদেন সীমিত করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমকে নোটিশ মোবাইল কিনতে শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার টাকা করে ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত বাইকার ফারহানা ‘নববধূ’ নয়, বিয়ে তিন বছর আগে, রয়েছে সন্তানও ‘দুই আর দুই পাঁচ’ বলছেন শাহেদ ডাল-আলু ভর্তা খেয়ে মাকে টাকা পাঠান সৌদি প্রবাসী কিশোর (ভিডিও) দেখা মিলল বিশ্বের সবচেয়ে বড় নীল তিমির (ভিডিও) ওয়াইফাই ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর কৌশল আল বুখারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হলেন ড. ইউনূস দু'বোনের মারামারিতে দেরিতে ছাড়ল বিমান (ভিডিও) শিক্ষার্থীদের এক হাজার করে টাকা দেবে সরকার চেয়ার ছেড়ে পালালেন জায়েদ খান! মিয়া খলিফাকে খুঁজছে মার্কিন সেনারা (ভিডিও) সুশান্তের মৃত্যু: ‘আওয়াজ আসলেই তালা ভাঙা বন্ধ করে দিও’ (ভিডিও) মসজিদের একটি এসিও বিস্ফোরিত হয়নি এক সপ্তাহ পরেই বদলে যাচ্ছে ফেসবুক, বাধ্যতামূলক নতুন ডিজাইন ঘুষের ৫০ হাজার টাকা না দেয়ায় ঝরল ১৮ প্রাণ, শঙ্কা আরো! গ্রিসের ছয়টি যুদ্ধবিমানকে তুরস্কের ধাওয়া (ভিডিও) খোঁজ মিলেছে অভিনেতা শুভর মেসি-বার্সা ইস্যুতে নাটকীয় মোড়! পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত সাপের দেখা মিলল সমুদ্রে জয়কে সাতদিনের আলটিমেটাম, নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে মামলা এবার ভারতের প্রদেশের মালিকানা দাবি করল চীন মেয়েসহ দেশ ছাড়লেন মিথিলা গভীর রাতে বাসভবনে ঢুকে ইউএনওকে হাতুড়ি পেটা জাদুকরি পরিবর্তন ঘটে সকালে কুসুম গরম লেবু পানিতে দেশে পাঁচ রকম করোনা ভাইরাসের সন্ধান চাঁদে পড়ছে মরচে! বাংলাদেশি ভ্যাকসিন কবে আসবে জানালেন আসিফ মাহমুদ লাইভ কনসার্টে টাকা ছুঁড়লেন দর্শক, উচিৎ শিক্ষা দিলেন অরিজিৎ (ভিডিও) দেশে বিমান তৈরি শুরু হবে ২০২১ সালে (ভিডিও) তুরস্ককে চারদিকে ঘিরে ফেলছে ফ্রান্স? পছন্দের রঙ বলে দেয় ব্যক্তিত্ব কেমন আড়াইহাজারে এশিয়ার সবচেয়ে বড় বিদেশি বিনিয়োগ! মোবাইল কিনতে ‘ঋণ’ দিচ্ছে রবি ইসরায়েল-আমিরাতের চুক্তি, মুখ খুললো সৌদি শোক দিবসে তারকাদের আচরণে সমালোচনার ঝড় সময় টিভিতে তিন ক্যাটাগরিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সুশান্ত হত্যায় নাম জড়াল ভারতীয় খেলোয়াড়ের! নতুন নিয়মে ট্রেনের টিকিট-ভ্রমণ করবেন যেভাবে রিয়াকে জড়িয়ে ধরা মহেশ ভাটের ভিডিও ভাইরাল দেশে আরো একটি গাধার জন্ম সুশান্তের মৃত্যু: সন্দীপের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট প্রকাশ তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান এসি বিস্ফোরণের কারণ ও রক্ষা পেতে যা করবেন প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতির নির্দেশ
আরও সংবাদ...


মেনে চলি

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  EnglishLive TV DMCA.com Protection Status
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
উপরে