fair            

লেখকের চোখে আড্ডা কেমন?

দীর্ঘ সময়ের পরিচিত বা অল্প চেনা মানুষের কথোপকথন। যেখানে ভাগাভাগি হয় চিন্তা-অনুভূতি। জমে ওঠে আড্ডা। মানব ইতিহাসে হয়তো এমন সভ্যতা খুঁজে পাওয়া যাবে না, যারা আড্ডা ছাড়া তাদের সংস্কৃতি নিমার্ণ করতে পেয়েছে।

আর, যখন থেকে সাহিত্যে মানুষ মনের ভাব প্রকাশ করতে শুরু করেছে, তার পিছনে আড্ডা রেখেছে ভূমিকা।

এক সাহিত্যানুরাগী বলেন, যারা লিখতো, তাদের সমান যারা তাদের একটা আড্ডার জায়গা ছিল। সেখানে কথা বলতে বলতে তারা একটা লেখার বিষয়বস্তু খুঁজে পেতো। আবার অনেক লেখায় কিন্তু সেই আড্ডার বর্ণনাও দেখেছি।

আজ আড্ডা- বহুপক্ষের বদলে, ভার্চুয়াল জগতে হয়েছে বাক্সবন্দি। এখন তা শুধুই দ্বিপাক্ষিক।

এক আড্ডাবাজ বলেন, বিকেল হলেই বের হয়ে যেতাম আড্ডা দিতে। একটা সময় দেখা যেতো সন্ধ্যা ৭ থেকে ৮ টা পর্যন্ত আড্ডা দেয়া হতো। এখন এমন পর্যায়ে রয়েছে, যে রেস্টুরেন্টে বসে একটু কথা বলার পর সেখানেই চেকইন দেয়ার মধ্যে দিয়ে আড্ডা শেষ হয়ে যায়। 

আরেকজন বলেন, সাহিত্যে নিয়ে কথা না বললে, সাহিত্যের রূপ রস বের হয়ে আসবে না। 

লেখকের চোখে আড্ডা কেমন?

লেখক রুখসাৎ তানজীম বলেন, একটা আড্ডার মধ্যে কিন্তু এক একটা মানুষের জীবনের উপলদ্ধি, জীবনধারণ উঠে আসে। তখন আমরা এক একটা মানুষের জীবন সর্ম্পকে জানতে পারি। 

গীতিকার ও লেখক শহীদুল্লাহ ফরায়জী বলেন, একসাথে কথা বলার মধ্যে বহু মত ও পদ আহরণ করা সম্ভব হয়। সুতরাং আমরা যেন আবার আড্ডায় ফিরে আসি। আমরা যেন আড্ডার মধ্যে দিয়ে সমাজকে বিকশিত করি। 

সাহিত্যর রস হয়তো ভাগাভাগি করে না নিলে তার পূর্ণতা পাওয়া যায় না। তেমনি, লেখকও তার লেখার উপজীব্য খুঁজে পান এই আড্ডাতেই। আড্ডার গুরুত্ব তাই লেখক, পাঠক সবার কাছেই অপরিসীম।

প্রকাশিত বই
বই মেলার সংবাদ
বই মেলায় আড্ডা
book-fari-adda
b5
b4
b3
b2
b1
ভিডিও
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
SOMOY
fair            
somoy