SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ০৬-১২-২০১৭ ০৫:২৪:৫৬

নারায়ণগঞ্জে খাল বেদখল, ভোগান্তিতে মানুষ

ngonj-canel-jpg-ooo

নারায়ণগঞ্জে কল্যাণী খালসহ শাখা খালগুলো দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ অর্ধ-শতাধিক স্থাপনা। এতে খাল সরু হয়ে ময়লা-আবর্জনা জমে সদর উপজেলা ও ফতুল্লার শিল্পাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় নাকাল নগরবাসী। তবে শিগগিরই অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে খাল পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা।

নারায়ণগঞ্জের কল্যাণী খাল। স্থানীয়ভাবে যেটি কাইল্যানী খাল নামে পরিচিত। ফতুল্লার মাসদাইর পুলিশ লাইন থেকে শুরু হওয়া এই খাল শাসনগাঁও হয়ে কাশিপুর বুড়িগঙ্গা নদীতে মিশেছে। এক সময় বড় বড় নৌকা চলাচল করত এই খালে। কিন্তু কালের বিবর্তনে, খালটি বেদখল হয়ে যাওয়ায় এখন জরাজীর্ণ। অবৈধভাবে দোকানপাট, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান আর দ্বি-তল ভবন গড়ে তোলায় খালটিতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা প্রায় বন্ধ। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই মাসদাইর, শাসনগাঁও, ফাজিলপুরসহ কয়েকটি শিল্পনগরীর রাস্তায় দেখা দেয় জলাবদ্ধতা

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও শিল্প মালিকরা অবৈধভাবে খাল দখল করায় পানি বুড়িগঙ্গায় পৌঁছাতে পারে না। ফলে জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হয় এলাকাবাসীসহ কয়েক লাখ শ্রমিককে।

খালের প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখলকারীদের উচ্ছেদের দাবি জানান জনপ্রতিনিধিরা।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ জানান, 'এ বিসিকে আড়াই তিন লাখ শ্রমিক প্রতিদিন যাতায়াত করে, সে রাস্তায় এখন হাঁটু পানি। শুধুমাত্র এই কল্যাণী খাল বেদখল হওয়ায়।'

নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার এনায়েতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান জানান, 'মোবাইল কোর্ট বসলে, আমরা এখানে বসে উচ্ছেদ করে দিবো।'

অবশ্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ, 'খাল পরিদর্শন করে দখলকারীদের চিহ্নিত করা হয়েছে। শিগগিরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।'

নারায়ণগঞ্জ জেলায় মোট ২২টি বড় খাল রয়েছে। এর মধ্যে কল্যাণী খাল অন্যতম। প্রায় ৯০ ফুট প্রশস্ত এই খালের সাথে ৯টি শাখা খালের সংযোগ রয়েছে।

কেএস