SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ১১-১০-২০১৭ ০৮:০২:০২

আমন ফলাতে ব্যস্ত দিনাজপুরের কৃষকরা

dinaj-paddy-jpg-ed

বন্যায় আমনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বেশি দামে চারা কিনে বাড়তি মজুরি দিয়ে আমন ফসল ফলাতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন দিনাজপুরের কৃষকেরা। যে দিকে চোখ যা সারা মাঠ জুড়ে আমনের সবুজ ক্ষেত। গত এক মাস আগেও ছিল ভিন্ন চিত্র। বন্যায় আমন রোপা পচে নষ্টে হওয়া ঘুম চলে গিয়েছিল কৃষকের চোখের। কৃষি বিভাগের দাবি, চাষিদের পাশে থেকে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সব রকম সহযোগিতা দিয়েছে তারা।

সাম্প্রতিক বন্যায় দিনাজপুরে প্রধান ফসল আমন রোপা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কৃষকরা আতংকিত হয়ে পড়ে। নষ্ট হওয়া আমন রোপা পুনরায় রোপণ করা সম্ভব হবে কি না এ নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন। বীজতলা ছিলনা। ঋণ করে বেশি দামে চারা কিনে জমিতে রোপণ করেন তারা। এখন চলছে নিড়ানির কাজ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ২৫ একর জমিতে দ্রুত বর্ধনশীল লেট ভ্যারাইটি আমন জাতের বীজতলা তৈরি করে বিতরণ করেছে কৃষি বিভাগ। তবে কষ্টের মধ্যেও কৃষকদের আশা ধানের ফলন ভালো হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বলেন, আগের ফসল সব নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন করে বীজ কিনে রোপণ করেছি আমরা। ফলন বেশ ভালোই হয়েছে।

বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে  ৪ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আমন ধান আবাদ হয়েছে বলে দাবি করে দিনাজপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা বলেন, এলাকায় প্রায় আট হাজার হেক্টর আমন চাষ হয়েছে। পূর্বের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারব বলে আশাবাদী আমরা।

চাষিদের পাশে থেকে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষি বিভাগ সব রকম সহযোগিতা করেছে বলে জানিয়ে কৃষি খামার বাড়ির অতিরিক্ত পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ আবুল হাসিম বলেন, চাষিদের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য সকল ধরনের সহায়তা দিয়েছি আমরা। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমাদের করণীয়গুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

বন্যায় দিনাজপুরে সরকারি হিসেবে ৩৫ হাজার হেক্টর জমির আমন রোপা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়। এবার আমন আবাদ হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার হেক্টর জমিতে। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৮ লাখ মেট্রিক টন চাল।