SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ১১-১০-২০১৭ ০৭:৫৬:৪২

ভোলায় জেলেদের সরকারি সহায়তা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

bho-fisher-jpg-ed

ভোলায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযান চলার সময় জেলেদের সরকারি সহায়তা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ইলিশ শিকারের ওপর নির্ভরশীল জেলেরা গতবছর এ সময় ২০ কেজি করে সরকারি চাল পেলেও এ বছর এখন পর্যন্ত কোন বরাদ্দ পাননি। এ অবস্থায় সম্পূর্ণ কর্মহীন জেলে পরিবারের জন্য সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অবশ্য সরকারি বরাদ্দ পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা।

ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে পহেলা অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১শ’ ৯০ কিলোমিটার এলাকাসহ সারাদেশে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এতে কর্মহীন ভোলার ২ লক্ষাধিক জেলে পরিবারে অর্থনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। গত বছর অভিযানকালীন সময় দরিদ্র মৎস্যজীবীদের সরকারি সহায়তা হিসেবে ২০ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছিল।

তবে এবার অভিযানের ১০দিন পেরিয়ে গেলেও সরকারি কোন বরাদ্দ পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করে জেলেরা বলেন, ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ করা হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা কী করে খাব? আমাদের সামনে কোনো পথ খোলা নেই। সরকারি কোনো সহায়তা না পেলে আমাদের সংসার চালাতে খুব কষ্ট হবে।

এদিকে মা-ইলিশ রক্ষা অভিযান সফল করতে বেকার জেলেদের সরকারি সহায়তার মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তার আওতায় আনার দাবি জানিয়ে ইকোফিস প্রকল্পের ভোলা অফিসের ম্যানেজার সোহেল মাহমুদ বলেন, সরকারের উচিত এ অভিযানে কর্মহীন হয়ে পড়া জেলেদের সহায়তা করা। তবেই মা মাছ রক্ষার অভিযান পুরোপুরি সফল হবে।

বরাদ্দের প্রস্তাব ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে উল্লেখ করে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, জেলেদের সহায়তার জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দ এখানে আসবে। সেটা চাল না হয়ে অন্য কিছুও হতে পারে।

জেলার ১ লক্ষ ৩২ হাজার নিবন্ধিত জেলের মধ্যে গত বছর ৮৮ হাজার ১শ’ ১১ জনকে সরকারি সহায়তা দেয়া হয়েছিল।