SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon আন্তর্জাতিক সময়

আপডেট- ০৮-১১-২০১৯ ১৮:০৬:২৮

ইয়েমেনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৮, আহত ১২

ইয়-ম-ন-ক-ষ-পণ-স-ত-র-হ-মল-য়-ন-হত-৮-আহত-১২

ইয়েমেনে হাউথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ১২ জন। এদিন, হাসপাতালেও হামলা চালিয়েছে বিদ্রোহীরা। 

এরমধ্যেই, হাউথিদের মোকাবিলায় দক্ষিণাঞ্চলীয় বিদ্রোহীদের সঙ্গে করা হাদি সরকারের শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে চীন, মিশর ও বাহরাইন।

বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের অন্তত তিনটি স্থানে হামলা চালায় হাউথিবিদ্রোহীরা। বন্দরনগরী আল মাখায়ে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিন বেসামরিক নাগরিকসহ হতাহত হয় অন্তত ২০ জন। 

হামলা চালানো হয় শরণার্থী শিবিরে। বাদ যায়নি ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্সের অস্থায়ী হাসপাতালও। তবে পরের দুটি হামলায় কেউ হতাহত হয়নি।

স্থানীয়রা বলছে, হাউথিদের হামলায় হাসপাতালের অবকাঠামোর অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে রোগীদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে পেরেছি, এটাই সবচেয়ে বড় সার্থকতা। ইয়েমেনে মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে হাউথিরা।

হাউথিদের মোকাবিলায় হাদি সরকার ও দক্ষিণাঞ্চলীয় বিদ্রোহীগোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রান্সিশনাল কাউন্সিলের মধ্যে মঙ্গলবার স্বাক্ষরিত চুক্তি পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাউদার্ন ট্রান্সিশনাল ইউনিটের মুখপাত্র নিজার হায়থাম বলেন, সৌদি আরব ও সযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তায় সরকার ও সাউদার্ন ট্রান্সিশনাল কাউন্সিলের শান্তিচুক্তি নতুন একটি অধ্যায়। আশা করি, প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠায় এ চুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

সংকট সমাধানে শান্তিচুক্তি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে প্রত্যাশা মিশর, বাহরাইন ও চীনের।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং বলেন, ইয়েমেনের সার্বভৌম্বত্ব ও অখণ্ডতাকে চীন সবসময় সমর্থন করে। আমরা চাই ইয়েমেন ইস্যুতে জড়িত সবাই দেশটির নাগরিকদের ইচ্ছাকে প্রধান্য দেবে। শান্তি, স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক উপায়কে অগ্রাধিকার দেবে।

চুক্তি অনুযায়ী সমানভাবে ক্ষমতার অংশীদার হবে হাদি সরকার ও দক্ষিণাঞ্চলের বিদ্রোহীরা। হাউথিবিরোধী লড়াইয়ে তাদের সহায়তা দিয়ে যাবে সৌদি জোট।

ইয়েমেনের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আবদে রাব্বু মানসুর হাদিকে ক্ষমতায় ফেরাতে ২০১৫ সালে হাউথিবিরোধী অভিযান শুরু করে সৌদি জোট। তাদের সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। চার বছরের গৃহযুদ্ধে লক্ষাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। চরম খাদ্য সংকটে ৮০ শতাংশ ইয়েমেনি।