SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২৩-১০-২০১৯ ১১:১৬:১৯

যোগাযোগ বাড়াতে আরও দুটি বিমান কেনা হবে : প্রধানমন্ত্রী

pm-airforce

আকাশপথে বিশ্বের দূরবর্তী গন্তব্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে চায় সরকার এ কথা উল্লেখে করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিমানের আধুনিকরণে কাজ করা হচ্ছে। বুধবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ বিমান এবং বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ আয়োজিত ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সঙ্গে আকাশ পথে যোগাযোগ স্থাপনে আরও দুটি উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এভিয়েশন খাতকে অর্থনৈতিকভাবে আরো লাভবান করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে শক্তিশালী বিমান বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

শেখ হাসিনা জানান, ভৌগলিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বিমান উড্ডয়নের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, কারিগরি ও কৌশলগত দিক নিয়ে গবেষণা চলে বিশ্বব্যাপী। ঊচ্চতর এই খাতে দেশের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও।

প্রধানমন্ত্রী তার দেয়া ভাষণে বলেন, জনগণের কষ্টে অর্জিত অর্থে কেনা বিমানের নিরাপদ উড্ডয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে আপনাদের যত্নবান হতে হবে। বিমান ভ্রমন নিরাপদ আরামদায়ক ও সহজতর করতে সরকার বদ্ধপরিকর।   

এর আগে সোমবার (২১ অক্টোবর) বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের যৌথ ব্যবস্থাপনায়  তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেইফটি সেমিনার হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, ঢাকায় শুরু হয়। তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এ সেমিনার উদ্বোধন করেন।

এ সেমিনারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নিরাপদ উড্ডয়ন পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা, নিয়ন্ত্রণ, তদন্ত, উড্ডয়ন ঝুঁকি হ্রাসকরণ এবং সর্বোপরি নিরাপদ উড্ডয়নের ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় করা। এবারের এ সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে “Team effort can ensure team safety”।

উড্ডয়ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, স্বাগতিক বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, চীন, মালয়েশিয়া, ভারত, তুরস্ক, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, সৌদি আরব, মিসর, ওমান, মরক্কো, নাইজেরিয়া এবং জিম্বাবুয়ের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা এ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন। এ সেমিনারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, কোস্ট গার্ড, এমআইএসটি, বাংলাদেশ আনবিক শক্তি কমিশন, পদ্মা ওয়েল কোম্পানি লি., ফ্লাইং ক্লাবসহ নভো এয়ার, ইউএস বাংলা, রিজেন্ট এয়ার ওয়েজ, মেঘনা এভিয়েশন গ্রুপ, আর অ্যান্ড আর অ্যাভিয়েশন, স্কয়ার ইত্যাদি সংস্থাসমূহসহ বাংলাদেশে বিদ্যমান সরকারি বেসরকারি সব এয়ারলাইন্স অংশগ্রহণ করে।