SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ৩০-০৯-২০১৯ ১০:১৩:২৭

হুমকির মুখে পদ্মা পাড়ের ৮ লাখ মানুষ

kush-padma

বর্ষার পানি নামা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে আগ্রাসীরূপে প্রমত্তা পদ্মা। কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও দৌলতপুর উপজেলায় দুটি পয়েন্টে ভাঙন দেখা দেয়ায় হুমকির মুখে নদী পাড়ের ৩৭টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। ইতোমধ্যে বিলীন হয়েছে ২ হাজার হেক্টর ফসলি জমি।

এ অবস্থায় শিগগিরই নদীতে ব্লক ফেলা হবে বলে জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা। আর ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে দ্রুত ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক। 

উজানের পানি নেমে আসায় ভয়ংকর রূপ নিয়েছে পদ্মা। হুমকির মুখে রয়েছে প্রায় ৮ লাখ মানুষের নানা স্থাপনা ও ফসলি জমি। কুষ্টিয়া কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে তলিয়ে গেছে ২ হাজার হেক্টর জমির ফসল। জেলা প্রশাসক জানান, বাস্তুহারা হচ্ছে পদ্মাপাড়ের কুমারখালী ও দৌলতপুর উপজেলার ৩৭টি গ্রামের ১০ হাজার পরিবার। শেষ সম্বলটুকু হারানোর ভয়ে রয়েছেন ভাঙন কবলিতরা।

ভাঙন কবলিতরা বলেন, আমরা অসহায় ও গরিব। আমাদের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। ছেলেমেয়ে নিয়ে কোথায় যাব জানি না। নতুন জমি কিনে বাড়ি করব সে সামর্থ্যও আমাদের নেই।

কুষ্টিয়ায় পদ্মার ছোবলে ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্যসহ আর্থিক সহায়তার কথা জানান জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন। তিনি বলেন, বেশ কিছু পরিবার সমস্যার মধ্যে আছে। যা আমরা সরকারের নজরে এনেছি। 

কয়েকদিনের মধ্যে ব্লক দিয়ে ভাঙন রোধ করা হবে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পিযুষ কুণ্ডু বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের যে অবকাঠামোগুলো আছে সেগুলোর কোনো ক্ষতি হয়নি। মানুষের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় আমরা সে ব্যবস্থা নিচ্ছি। 

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, পদ্মার হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও গড়াই ব্রিজ পয়েন্টে ১৪ দশমিক ৪ মিটার পানি প্রবাহ হচ্ছে যা বিপদ সীমার ১৫ সেন্টিমিটার কম।