SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon আন্তর্জাতিক সময়

আপডেট- ১৩-০৮-২০১৯ ১৭:০৪:০০

চালু হল হংকং এয়ারপোর্ট

received-1531612743543297

অপরাধী প্রত্যর্পণ বিল বাতিল ও গণতন্ত্রের দাবিতে তীব্র আন্দোলনের কারণে সব ফ্লাইট বাতিলের একদিন পর পুনরায় চালু হয়েছে হংকং এয়ারপোর্ট।

বিমান বন্দরের কার্যক্রম শুরু হলেও মঙ্গলবারের দেড়শ'র বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

সহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে হংকংকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অঞ্চলটির প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম। 

এদিকে, গেলো চারদিনে সহিংস বিক্ষোভ থেকে ১শ' ৪৯ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একইসঙ্গে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে সাদা পোশাকের পুলিশ মোতায়েনের কথাও স্বীকার করে তারা। বিক্ষোভের নামে সহিংস আন্দোলনকারীদের কঠোর হাতে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে হংকং প্রশাসন।

দশ সপ্তাহ ধরে সরকার বিরোধী তীব্র আন্দোলনের মুখে সোমবার বন্ধ হয়ে যায় হংকং বিমান বন্দরের সব কার্যক্রম। বিমান বন্দরে গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভের জেরে বাতিল করা হয় সব ফ্লাইট। দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পর্যটকরা।

যাত্রীরা বলছেন, একেবারে শেষ মুহূর্তে আমার ফ্লাইটটি বাতিল হয়ে যায়। কেউ কোনো সহযোগিতা করছে না। এয়ারলাইনের হেল্প লাইনে ফোন করা হলেও দীর্ঘক্ষণ আমাদের অপেক্ষায় রাখছেন। এমনকি সাড়া দিলেও কোনো ধরনের সহযোগিতা তারা আমাদের করতে পারছেন না।

প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর বিমান বন্দরের কার্যক্রম শুরু হলেও বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন্সের দেড়শ'র বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সোমবারের আন্দোলনের কারণে বিমান বন্দর বন্ধের পাশাপাশি কার্যত স্থবির হয়ে যায় এশিয়ার অন্যতম বাণিজ্যিক শহর হংকং। সোমবার বিমান বন্দরের স্থবিরতার কারণে অঞ্চলটির অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

যাত্রীরা বলছেন, হংকং ছাড়ার জন্য তৃতীয় বারের মতো চেষ্টা করছি। এছাড়া ভাষাগত সমস্যার কারণেও বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। আর কখনোই হংকং ভ্রমণের ইচ্ছে নেই।

অপরাধী প্রত্যর্পণ বিল বিরোধী আন্দোলন এখন রূপ নিয়েছে গণতন্ত্রের আন্দোলনে। গত চারদিনে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড়শ' জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একইসঙ্গে, সরকার বিরোধী আন্দোলনকারীদের দমাতে সাদা পোশাকধারী ছদ্মবেশী পুলিশ মোতায়েনের কথাও স্বীকার করে তারা।

হংকং পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার সটঃ তাং পিং কিয়ুং বলেন, আন্দোলনকারীদের মাঝে সাদা পোশাকধারী পুলিশ থাকলেও বেআইনি কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা আন্দোলনে কোনো ধরনের ঝামেলা করবেন না।

আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের রাবার বুলেটসহ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও গণ ধরপাকড়সহ পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে ব্যাপক তোপের মুখে পড়েছেন হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম।.

এর আগে রোববার সরকার বিরোধী আন্দোলনে পুলিশকে লক্ষ্য করে চালানো ককটেল হামলার নিন্দা জানিয়ে সহিংস আন্দোলন কঠোর হাতে দমনের হুঁশিয়ারি দেয় হংকংয়ের স্টেট কাউন্সিল অফিস।