SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১৬-০৭-২০১৯ ২০:৩০:০৫

১৪ কোম্পানির পাস্তুরিত দুধের ১০টিতেই মাত্রাতিরিক্ত সিসা

court-jpg-2

বিএসটিআই অনুমোদিত ১৪টি কোম্পানির পাস্তুরিত দুধের নমুনার মধ্যে ১০টিতেই সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি সিসা পাওয়া গেছে। এরমধ্যে তিনটি কোম্পানির দুধে সিসার পাশাপাশি পাওয়া গেছে ক্যাডমিয়াম। সায়েন্সল্যাব, আইসিডিডিআরবিসহ ৬টি ল্যাবে পরীক্ষা করে এমন রিপোর্ট হাইকোর্টে দাখিল করেছে সরকারি সংস্থা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। এ রিপোর্টের আলোকে দায়ী কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা আগামী ১০ দিনের মধ্যে জানাতে বলেছেন আদালত।

পাস্তুরিত এবং তরল দুধে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর উপাদান পাওয়ার বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত। একেক সংস্থার একেক গবেষণা রিপোর্টে জনমনে বিভ্রান্তি যেমন সৃষ্টি হয়েছে, ঠিক তেমনি উদ্বিগ্ন দেশের উচ্চ আদালত।

এমন প্রেক্ষাপটে সরকারি সংস্থা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ উচ্চ আদালতকে জানালো, বিএসটিআইয়ের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ১৪টি পাস্তুরিত দুধ কোম্পানির ১০ ব্রান্ডের দুধেই মিলেছে সহনীয় মাত্রার বেশি ক্ষতিকারক সিসা ও ক্যাডমিয়াম। বাজার থেকে নমুনা সংগ্রহ করে সাইন্সল্যাব, আইসিডিডিআরবিসহ ৬ ল্যাবে পরীক্ষা করে এ ফলাফল পেয়েছেন তারা।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইনজীবী ফরিদুল ইসলাম বলেন, তরল দুধের ৫০টা স্যাম্পল ৬টা ল্যাবে পরীক্ষা করেছি। পাস্তুরিত দুধের ১১টা স্যাম্পল ৬টা ল্যাবে পরীক্ষা করেছি। তার মধ্যে আমরা প্রত্যেকটা দুধে সিসা পেয়েছি। আমরা রিপোর্টের ভিত্তিতে নিরাপত্তা খাদ্য আইন অনুসারে এই কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবো। 

যদিও দুধের ৩০৫টি নমুনার মধ্যে মাত্র দুটি নমুনাতে ক্ষতিকারক উপাদান পেয়েছে বিএসটিআই। বিএসটিআইয়ের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ১০ দিনের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের রিপোর্টের আলোকে দায়ী কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা জানাতে বলেন উচ্চ আদালত।

বিএসটিআই’র আইনজীবী এম আর হাসান মামুন বলেন, পাস্তুরিত দুধের মধ্যে যেসব উপাদান পেয়েছে তা আমাদের রিপোর্টে মাত্রাতিরিক্ত ছিলো না। বাংলাদেশের মানুষ নিরাপদ দুধ পান করবে সেইটা আমাদের স্ট্যান্ডার্ড। 

নিরাপদ দুধের বিষয়ে কোন ছাড় নয় জানিয়ে, দুধ নিয়ে কোনো রাজনীতি থাকলেও জানাতে বলেছেন উচ্চ আদালত।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বলেছে তারা ১’শ মতো মামলা করেছে ভেজাল দুধের বিষয়ে। সে মামলার রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে বলেছেন আদালত।  

এছাড়া পশু চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন গাভীকে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া যাবে না বলেও আদেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।