SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon খেলার সময়

আপডেট- ১১-০৭-২০১৯ ২১:৩৮:৪৬

আউট ‘না হয়েও’ ফিরতে হলো রয়কে

roy

কি দারুণ ব্যাটিংটাই না করছিলেন! স্কোরকার্ডে জেসন রয়ের নামের পাশে ৮৫ রান। তার সেঞ্চুরির অপেক্ষায় থাকা সমর্থকদের বুকটা হঠাৎ কেঁপে উঠলো প্যাট কামিন্সের বাউন্সে। রয় ফিরে আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনার দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে দেখতে হলো তার আঙুল তোলা। মুখভঙিতে ঘোর আপত্তি জানালেও রিভিউ না থাকায় তাকে বিদায় নিতে হলো। পরে অবশ্য টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, উইকেটের পেছনে অ্যালেক্স কারির গ্লাভসে যাওয়ার আগে রয়ের ব্যাট ছোয়নি বলটি।

২ উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে সাময়ীক স্বস্তি ফিরলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হতে দিচ্ছেন না মরগান এবং রুট।

স্কোর:
ইংল্যান্ড ১৬১/২ (২৩.৪)

জেসন রয় ৮৫ (৬৫)
জনি বেয়ারস্টো ৩৪ (৪৩)
জো রুট ২৫* (২৩)
ইয়ন মর্গান ৬* (১১)

বেয়ারস্টোকে হারিয়েও ফাইনাল দেখছে ইংল্যান্ড

অস্ট্রেলিয়ার দেয়া সহজ টার্গেটে নেমে সহজেই জয়ের পথে ইংল্যান্ড। অন্তত ১৭ ওভার শেষে এমনটাই দেখা যাচ্ছে। দুই ওপেনার জেসন রয় এবং জনি বেয়ারস্টো বেশ বিস্ফোরক মেজাজে। অর্ধশতক তুলে নিয়ে শতকের দিকে ছুটছেন রয়। তবে বেশ খরুচে বল করলেও বেয়ারস্টোকে তুলে নিয়ে ব্রেকথ্রু এনে দিয়েছেন মিচেল স্টার্ক।

স্কোর:
ইংল্যান্ড ১২৪/১ (১৭.২)

জেসন রয় ৭৯ (৬১)
জনি বেয়ারস্টো ৩৪ (৪৩)

বুক চিতিয়ে ‘যুদ্ধের’ পর স্মিথের আফসোস, ইংল্যান্ডের ছোট টার্গেট

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের সামনে মামুলি টার্গেট দাঁড় করিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগে ব্যাট করতে নেমে ২২৩ রানে অলআউট হয় অজিরা।

বল টেম্পারিংয়ের কলঙ্ক নিয়ে নিষেধাজ্ঞা খেটে আসার পরও কেন এত গুরুত্বের সঙ্গে কেন তাকে দলে নেয়া হলো সেটা আজ পরিস্কার করে দিলেন স্টিভ স্মিথ। টিভি ধারাভাষ্যকাররা কয়েকবার সাবেক অজি ব্যাটসম্যান মাইকেল হাসির উদাহরণ টেনেছেন। তবে যে উপমাই ব্যবহার করা হোক না কেনো, ইংলিশদের বোলিং তোপের বিপক্ষে স্মিথের ইনিংসটির ব্যাখ্যায় তা যথেষ্ট হওয়ার কথা নয়।

বার্মিংহামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। নিজের সিদ্ধান্তকে নিজেই ভুল প্রমাণিত করে শূন্য রানে বিদায় নিলেন ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই। অধিনায়কের পথ ধরলেন আরেক ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারও। ক্রিস ওকসের বাউন্সার সামলাতে না পেরে উইকেটের পেছনে জনি বেয়ারস্টোর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন মাত্র ৯ রানে। উসমান খাজার ইনজুরির সুবাদে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া পিটার হ্যান্ডসকম্বের বিদায়ে সংকটের অথৈ সাগরে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।

৬ ওভারে ১৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর অ্যালেক্স কারিকে নিয়ে হাল ধরেন স্টিভ স্মিথ। তাদের ১০৩ রানের জুটি ভাঙে ৪৬ রানে কারির বিদায়ে। স্মিথ হাত খুলতে শুরু করলেও আবার খোলসের মধ্যে ধুকে পড়তে হয় মার্কাস স্টইনিশ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবং প্যাট কামিন্সদের দ্রুত বিদায়ে।

শেষ দিকে মিচেল স্টার্ককে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকায় গতি আনছিলেন। কিন্তু তিন ওভার বাকি থাকতে স্মিথ যখন রান আউটের ফাঁদে পড়েন তখন তার সেঞ্চুরি পূরণ হতে বাকি ১৫ রান। ১১৯ বলে ৮৫ রানের লড়াকু ইনিংসটিতে মাত্র ৬টি বাউন্ডারি হাঁকান অজিদের সাবেক অধিনায়ক।

স্মিথের বিদায়ের পর নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলতেই পারেনি পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এক ওভার বাকি থাকতেই ২২৩ অলআউট হয় তারা।

বল হাতে ৩টি করে উইকেট তুলে নেন ক্রিস ওকস এবং আদিল রশিদ। এছাড়া জোফরে আর্চার ২টি এবং ১টি উইকেট নেন মার্ক উড।

স্কোর:
অস্ট্রেলিয়া ২২৩/১০ (৪৯)

ডেভিড ওয়ার্নার ৯ (১১)
অ্যারন ফিঞ্চ ০ (১)
স্টিভ স্মিথ ৮৫ (১১৯)
পিটার হ্যান্ডসকম্ব ৪ (১২)
অ্যালেক্স কারি ৪৬ (৭০)
মার্কাস স্টইনিশ ০ (২)
গ্নেন ম্যাক্সওয়েল ২২ (২৩)
প্যাট কামিন্স ৬ (১০)
মিচেল স্টার্ক ২৯ (৩৬)
জেসন বেহেনডরফ ১ (৪)
নাথান লায়ন ৫* (৬)

বোলার
ক্রিস ওকস ৮-০-২০-৩
জোফরে আর্চার ১০-০-৩২-২
বেন স্টোকস ৪-০-২২-০
মার্ক উড ৯-০-৪৫-১
লিয়াম প্লাঙ্কেট ৮-০-৪৪-০
আদিল রশিদ ১০-০-৫৪-৩

টার্গেট ২২৪।