SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ১১-০৭-২০১৯ ১৯:৪৪:৪৪

সৌদি খেজুর চাষ হচ্ছে ময়মনসিংহের ভালুকায়

mym-dates

ময়মনসিংহের ভালুকায় বাণিজ্যিকভাবে সৌদি খেজুরের বাগান করে দারুণ সফলতা পেয়েছেন পাড়াগাঁও গ্রামের আব্দুল মোতালেব। বাগানের সারি সারি গাছে ঝুলছে বাহারি জাতের খেজুর। সৌদি খেজুরের মতোই মোতালেবের বাগানের খেজুরের আকার ও স্বাদ। বাজারে এর চাহিদাও বেশ। খেজুর ও চারা বিক্রি করে প্রতিবছর তিনি আয় করছেন লাখ লাখ টাকা। মোতালেবের সফলতায় অন্যরাও এগিয়ে আসছেন খেজুর আবাদে।  

ভাগ্য বদল করতে ১৯৯৮ সালে সৌদি আরব গিয়ে তিনবছর পর ৩৫ কেজি বিভিন্ন জাতের খেজুর নিয়ে ফিরে আসেন ময়মনসিংহের ভালুকার প্রত্যন্ত গ্রামের যুবক আব্দুল মোতালেব। মাথায় একটাই চিন্তা দেশের মাটিতে ফলাবেন সৌদি খেজুর। ২০০১ সালে নিজের বাড়ির পাশে খেজুরের বাগান তৈরির কাজ শুরু করেন। নিজের বাগানে সৌদি খেজুর ফলিয়েই ভাগ্যবদল করেছেন মোতালেব। ৭৫টি চারা নিয়ে যাত্রা শুরু করা বাগানে এখন গাছ রয়েছে প্রায় আড়াই হাজার। বাগানের সারি সারি গাছে ঝুলছে খেজুরের কাদি। সৌদি খেজুরের মতোই তার বাগানের খেজুরের আকার ও স্বাদ হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও বেশ।

সত্ত্বাধিকারী  আব্দুল মোতালেব বলেন, এদিকে মোতালেবের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে এলাকার অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে গড়ে তুলেছেন খেজুর বাগান। এক্ষেত্রে ঋণ সুবিধা চান কৃষকেরা। তবে খেজুর বাগান তৈরিতে সহায়তার সুযোগ নেই বলে জানান স্থানীয় কৃষি কর্মর্কতা।

 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জেসমিন নাহার বলেন,আলাদা করে খেজুর চাষের কোন বিশেষ সুবিধা নেই। আমরা খেজুরচাষিদের যেভাবে সম্ভব সেভাবেই সাহায্যের চেষ্টা করব। 

মোতালেবের বাগানের প্রতি কেজি খেজুর বিক্রি হয় ২ থেকে ৩ হাজার টাকা। আর বীজ থেকে পাওয়া চারার দাম কম থাকলেও কলমের চারা বিক্রি হয় সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত।