SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon আন্তর্জাতিক সময়

আপডেট- ২০-০৬-২০১৯ ১৬:০৪:২১

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে উ. কোরিয়ায় চীনা প্রেসিডেন্ট

north-20june

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে দু'দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে উত্তর কোরিয়া পৌঁছেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এ সফরে দেশটির নেতার সঙ্গে যৌথ আলোচনায় পরমাণু নিরস্ত্রীকরণসহ বাণিজ্য ইস্যু গুরুত্ব পেতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। এরমধ্যেই, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সিউল সফরের আগে আরেকদফা আন্তঃকোরীয় সম্মেলন আয়োজনে উত্তর কোরিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এদিকে, পিয়ংইয়ংয়ের জন্য আলোচনার দরজা খোলা বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় সফরে উত্তর কোরিয়া পৌঁছান চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী পেং লিয়ুয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং হি-সহ শীর্ষ প্রতিনিধিরা। তাদের স্বাগত জানান উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তারা। দু'দিনের সফরে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ, বাণিজ্য, নিরাপত্তাসহ দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন তারা। চীন- উত্তর কোরিয়ার ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে ১৪ বছর পর কোনো চীনা প্রেসিডেন্টের প্রথম পিয়ংইয়ং সফর এটি।

উত্তর কোরিয়া সফরের কয়েকদিন পরই জাপানে জি-টোয়েন্টি সম্মেলনে অংশ নেবেন চীনা প্রেসিডেন্ট। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যকার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ আলোচনা ঘিরে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিয়ে ট্রাম্পকে সবশেষ তথ্য জানাতে পারেন জিনপিং। একইসঙ্গে উত্তর কোরিয়ার ওপর নিজেদের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং সুবিধা নিতে চাইবে বলেও ধারণা বিশ্লেষকদের।

জি-টোয়েন্টি সম্মেলন শেষে দক্ষিণ কোরিয়া সফর করবেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের ওই সফরের আগে আরেকদফা আন্তঃকোরীয় সম্মেলন আয়োজনে উত্তর কোরিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। ওয়াশিংটনে, উত্তর কোরিয়া বিষয়ক দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধির সঙ্গে এক আলোচনায় মার্কিন বিশেষ প্রতিনিধি বলেন, অতীতে পূর্বশর্ত ছাড়াই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

উত্তর কোরিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ প্রতিনিধি স্টিফেন বেইগুন বলেন, 'আলোচনার জন্য দরজা খোলা আছে। আমাদের আশা, অদূর ভবিষ্যতে বাস্তব সম্মতভাবে আবারও আলোচনায় ফিরতে পারবো আমরা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বহুবার বলেছেন, তিনি আশাবাদী সিঙ্গাপুর সম্মেলনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে উত্তর কোরিয়া। আমাদের দায়িত্ব পয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখা।'

এরমধ্যেই খাদ্য সংকটে থাকা উত্তর কোরীয়দের সহায়তায় ৫০ হাজার টন চাল পাঠানোর ঘোষাণা দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া। বুধবার দেশটির পুনরেকত্রীকরণমন্ত্রী জানান, জাতিসংঘের মাধ্যমে এ সহায়তা পাঠানো হবে। এর আগে, উত্তর কোরিয়ার নারী ও শিশুদের পুষ্টি ও চিকিৎসার জন্য ৮০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা দেয় সিউল।