SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১৮-০৬-২০১৯ ১৮:৪৭:৫২

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংসের নির্দেশ আদালতের

hc-fruit1-jpg-2

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বাজার থেকে জব্দ করে ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ চিহ্নিত করতে একটি সমন্বিত কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে। এদিকে ফলে রাসায়নিক মেশানোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে এবং সারাবছর অভিযান পরিচালনা করতে বলেছেন উচ্চ আদালত।

দুইশটি ওষুধের দোকান পর্যবেক্ষণ করে ৯৩ শতাংশ ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ থাকার কথা উঠে আসে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক রিপোর্টে। এই রিপোর্ট ধরেই হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিটটি দায়ের করা হয়।

সোমবার (১৭ জুন) রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে, এক মাসের মধ্যে বাজার থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করার নির্দেশ দিলেন উচ্চ আদালত। ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে দায়ী ফার্মেসিগুলোর বিরুদ্ধে।

রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন বলেন, কারা এগুলোর সাথে জড়িত আছে, তারা কি পদক্ষেপ নিয়েছেন উচ্ছেদ করার জন্য সে সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়। সারা বাংলাদেশে এক মাসের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ন ওষুধ তুলে নষ্ট করার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

একই আদালত ফলে ক্ষতিকারক রাসায়নিক প্রতিরোধে বিএসটিআই-এর ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। রাসায়নিক মেশানো বন্ধে সারাদেশে অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোর্শেদ বলেন, ফলমূলে কেমিক্যাল মেশানোর ফলে কিডনি, লিভার ও ক্যান্সার হওয়ার কারণ হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষের বাঁচাটাই দায় হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে আদালত কঠোর হওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। 

বিএসটিআই’র আইনজীবী সরকার এম আর হাসান মামুন বলেন, ঢাকা শহরে যে আটটি এন্ট্রি পয়েন্টে ফলের যে ট্রাক আসে সেখানে আমরা এবং র‌্যাব মিলে চেক করি যাতে কোন ফলে ফরমালিন যুক্ত খাবার ঢাকা শহরে আসে কিনা। 

আড়ং-এ অভিযান পরিচালনাকারী ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তাকে বদলি পরে বদলির আদেশ প্রত্যাহারের ঘটনার কড়া সমালোচনাও করেন উচ্চ আদালত।