SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ২৫-০৫-২০১৯ ০৮:৪১:০৮

এখনও দুর্যোগ ঝুঁকিতে সাতক্ষীরার লাখো মানুষ

sath-aila

২০০৯ সালের আজকের দিনে দেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় 'আইলা'। এর প্রভাবে সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় এখনো সুপেয় পানির অভাব, ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট ও স্বাস্থ্যসেবার নাজুক অবস্থা। সেইসঙ্গে বেড়িবাঁধ ও পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার সেন্টার না থাকায় দুর্যোগের ঝুঁকিতে আছেন কয়েক লাখ মানুষ। বরাবরের মতো সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

২০০৯ সালের ২৫ মে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় আইলার আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সাতক্ষীরার উপকূলীয় উপজেলা শ্যামনগর ও আশাশুনির মানুষের জীবন ব্যবস্থা। এতে প্রাণ হারান তিনটি ইউনিয়নের ৭৩ জন মানুষ। একইসঙ্গে ভেঙে পড়ে পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থা। সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়। সেই দু:সহ স্মৃতির ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। উন্নয়নের ছোঁয়াতো দূরে থাক বেড়িবাঁধে ভাঙন ধরায় ও পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় প্রতিনিয়ত দুর্যোগের আশঙ্কায় দিন কাটাতে হচ্ছে এখানকার উপকূলবাসীদের।

তারা বলেন, রাস্তাঘাট এখনও আগের অবস্থায়ই আছে। কিছু এলাকা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার হেটে পানি আনতে যেতে হয়।

যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ না থাকায় এলাকার মানুষের কোন উন্নয়ন হচ্ছেনা দাবি করে সরকারের সহায়তা চেয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরার ইউপি সদস্য মজিবর রহমান বলেন, বেড়িবাঁধের যে অবস্থা তাতে যখন তখন বন্যার পানি ভেতরে ঢুকতে পারে।

আর বরাবরের মতো সমস্যাগুলো সমাধানে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধগুলো সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপমন্ত্রী। এবার শুষ্ক মৌসুমে এর কাজ সম্পন্ন করা হবে।

জেলার উপকূলীয় ৮০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে ২৫ কিলোমিটার খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। দুই উপজেলায় ৫ লাখ মানুষের জন্য রয়েছে ১২৫টি সাইক্লোন শেল্টার।