SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon আন্তর্জাতিক সময়

আপডেট- ২৪-০৫-২০১৯ ১৬:৪৫:৫৩

‘নয়া ভারত’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন মোদি

modi

ইতিহাস সৃষ্টি করে দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মসনদে বসতে যাচ্ছেন নিজেকে 'চৌকিদার' দাবি করা নরেন্দ্র মোদি। নিরঙ্কুশ বিজয়লাভের পর 'নয়া ভারত' গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন গুজরাটের এ সন্তান। তবে, নিজ যোগ্যতাবলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি বিশ্ব দরবারে ভারতকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াকে মোদির সফলতা হিসেবে দেখছেন অনেকে।

এক সময়ের চা-ওয়ালা দ্বিতীয়বারের মতো বসতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর আসনে। ভারতের রাজনীতিতে নরেন্দ্র মোদির অভাবনীয় উত্থান জন্ম দিয়েছে অনেক বিস্ময়ের।

১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গুজরাটের ভাদনগরের এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মোদি। ছোটবেলায় বাবার চায়ের দোকানে কাজ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে লেখাপড়া চালিয়ে যান। ১৯৭০ সালে তিনি নাম লেখান বিজেপির মূল সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -আরএসএস'এ।

দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ে পলিটিক্যাল সায়েন্সে অনার্স এবং গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিভাগে মাস্টার্স শেষ করা মোদির রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু হয় ১৯৮৫ সালে বিজেপি'তে যোগদানের মধ্য দিয়ে। ২০০১ সালে কেশুভাই প্যাটেল অসুস্থতার জন্য গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিলে তার জায়গা নেন মোদি। মাত্র এক বছরের মাথায় গুজরাটের গোধরায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় হাজারো প্রাণহানির জন্য মোদির দিকে উঠেছে অনেক আঙুল। ভারতজুড়ে তার পদত্যাগের দাবি উঠলেও পদত্যাগও করেন তিনি। ২০০২ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় আসেন। এরপর ২০০৭ ও ২০১২ সালেও গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

২০১৪ সালে বিপুল ভোটে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মোদির উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে বিশ্বজুড়ে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতেও মোদির ভূমিকা সাফল্য পেয়েছে।

মোদি দেশের নিরাপত্তা নিয়ে বেশ কাজ করছেন। বিশেষ করে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের শেকড় উপড়ে ফেলতে যে পদক্ষেপ নিয়েছে এতে সাধারণ মানুষের সমর্থন পেয়েছেন।

প্রত্যেকটি মানুষের ভালো খারাপ দিক রয়েছে। কিন্তুর মোদির কৌশল খুবই পরিষ্কার। এই জন্য জনগণ একজন নেতা হিসেবে তাকে পছন্দ করেন।

দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের নেতৃত্ব দেয়ার দায়িত্ব নিতে চলেছে মোদি। তার সামনে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংকটসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মোদি বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতীয় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা অব্যাহত রাখলে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ভূ-রাজনৈতিক জোট এবং বন্ধুত্বের পালাবদল দেখা যেতে পারে।