SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon খেলার সময়

আপডেট- ২৩-০৪-২০১৯ ০২:১৩:০৮

দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

psg-champ-up

৫ ম্যাচ হাতে রেখেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলো প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। মোনাকোকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা উৎসবে মাতলো এমবাপ্পে-নেইমাররা। এ নিয়ে ৮ম বারের মতো ফ্রেঞ্চ লিগের শিরোপা জিতলো পারসিয়ানরা। রাতের আরেক ম্যাচে বুন্দেসলিগায় ফ্রেইবার্গকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড।

একটা ম্যাচ জিতলেই ৮ম বারের মতো শিরোপা উঠবে ঘরে, এমন সমীকরণ নিয়ে এর আগে টানা ৩ ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। মোনাকোর বিপক্ষে মাঠে নামার আগে তাই ভালোই দুশ্চিন্তায় ছিলেন থমাস টাচেল। তবে, ঘরের মাঠে লড়াই শুরু হওয়ার আগেই সুখবর চলে আসে পিএসজি শিবিরে। টুলজের মাঠে পয়েন্ট খুইয়েছে টেবিলের ২য় দল লিলে। ফলে, ২০১৮-১৯ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে পারসিয়ানরা।

শিরোপা জিতে যাওয়ার কারণেই হয়তো শুরু থেকেই বেশ উজ্জীবিত পিএসজি শিবির। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে মোনাকোর গোললাইনে। ফল আসতেও দেরি হয়নি। ১৫ মিনিটেই কাউন্টার অ্যাটাকে মুসা দিয়াবির পাস থেকে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

গোল খেয়ে আরো ছন্নছাড়া হয়ে পরে মোনাকো। অগোছালো আক্রমণে বিন্দুমাত্র পরীক্ষা নিতে পারেনি পারসিয়ানদের। ৩৮ মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফেলে পিএসজি। দানি আলভেসের অ্যাসিস্ট থেকে স্কোরশিটে আবারো নাম লেখান এমবাপ্পে।

ম্যাচের আগেই শিরোপা জয়ের খবরে অনেকটা ম্যারেম্যারে হয়ে যায় মাঠের লড়াই। যতটুকু আগ্রহ ছিলো তার পুরোভাগে ছিলেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার জুনিয়র। ইনজুরি কাটিয়ে অনুশীলনে ফেরায়, কখন তাকে মাঠে নামান টাচেল সেটাই ছিলো আগ্রহের বিষয়। দ্বিতীয়ার্ধ্বের শুরুতেই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। তিন মাসের ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে নামেন নেইমার।

৫৫ মিনিটেই নিজের হ্যাটট্রিকের সঙ্গে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন এমবাপ্পে। ২০ বছর বয়সী ফরাসী ফরোয়ার্ডের লিগ ওয়ানে এটি ৩০'তম গোল। ৮০ মিনিটে এক গোল হজম করে পারসিয়ানরা। মোনাকোর হয়ে স্কোর করেন গোলোভিন।

৩৩ ম্যাচে ২৭ জয় ও ৩ ড্র নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো লিগ ওয়ান চ্যাম্পিয়ন হলো পিএসজি।

বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। ফ্রেইবার্গকে ৪-০ গোলে হারিয়ে সমান ম্যাচে বায়ার্ন থেকে এক পয়েন্ট পিছিয়ে আছে তারা।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলো ডর্টমুন্ড। ১২ মিনিটেই প্রথম গোল পায় তারা। এরপর দ্বিতীয়ার্ধ্বে ৫৪ মিনিটে মার্কো রিউস ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দলের হয়ে।

পরে গোটজে এবং আলকেসার আরো ২ গোল করলে বড় জয় নিশ্চিত হয় বরুসিয়ার।