SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১৮-০৪-২০১৯ ১২:৪৪:০৯

বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে সময় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

bgmea

ভবন ভাঙতে সময় চেয়ে বর্তমান কমিটি আদালতে আর কোন আবেদন করেনি। শুধু তাই নয়, যারা আবেদন করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ারও দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ'র নতুন ভবনে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই দাবি করেন।

এছাড়া শিল্পের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে আগামী বাজেটে ৫ শতাংশ নগদ সহায়তার দাবি জানান তিনি।

গেল ৩ এপ্রিল উদ্বোধনের পর গত সোমবার থেকে রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন ভবনেই দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

সম্প্রতি নির্বাচনের মাধ্যমে সংগঠনটির পরিচালনা পরিষদেও এসেছে পরিবর্তন। তাই দায়িত্ব হস্তান্তরের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বর্তমান কমিটি।

সভায় তুলে ধরা হয় পোশাকখাতের সঙ্কট-সম্ভাবনার নানা দিক। শিল্প মালিকদের দাবি, ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মোট উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৩০ শতাংশ। একই সময়ে বন্ধ হয়ে গেছে ছোট ও মাঝারি আকারের ১২শ' কারখানা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের দরপতন হয়েছে ৭ দশমিক শুণ্য চার ও ৩ দশমিক ছয় চার শতাংশ। ডলারের বিপরীতে প্রতিযোগী দেশের মুদ্রার মান যখন অবমূল্যায়ন হয়েছে বেশ খানিকটা তখন স্থিতিশীল রয়েছে টাকার মান। এর ওপর রয়েছে ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদাহার। এসব কারণে হিমশিম খেতে থাকা পোশাক শিল্পের কাঙ্খিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে নগদ সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানান বিজিএমইএ'র সভাপতি।

বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে দেশের গার্মেন্টস শিল্পের অবস্থা ভালো না। যেহেতু আমাদের ডলার স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। আমরা একই সময়ে ৫১ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করেছি গত ডিসেম্বরে। এজন্য উদ্যোক্তাদের রক্ষার জন্য যারা শুধুমাত্র ফাইনাল এক্সপোর্ট করে তাদের জন্য ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেয়া হোক।

একই সময়ে, সংগঠনটির পুরাতন ভবন ভাঙতে এক বছরের সময় চাওয়া হয়েছে যা ৩ দিনের মধ্যে প্রত্যাহারের লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে, এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তার সাফ জবাব এ ব্যাপারে কোন আবেদন করেনি বর্তমান কমিটি।

সিদ্দিকুর রহমান বলেন, যেহেতু মুচলেকা দিয়েছিলাম, সেহেতু আমি কোনো আবেদন করিনি। যদি কেউ আবেদন করে থাকে তাহলে আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।

সভায়, যে সব কারখানা মালিক বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করেন, শিল্পের ভাবমূর্তির স্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান তিনি।