SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১৮-০৪-২০১৯ ১২:৪৩:০৭

বর্জ্য সংরক্ষণে পদক্ষেপ নেই সিটি করপোরেশনের

first-wast-1

রাজধানীর বর্জ্য, আলাদাভাবে সংগ্রহ করে না সিটি করপোরেশন। এ কারণে লাভজনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা দুরূহ হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, মানুষ যেন বর্জ্য আলাদা আলাদা রাখে সে জন্য বছরব্যাপী সচেতনতা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতার পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে বর্জ্য আলাদা করার কাজ শুরু না করলে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাবে না।

নীল, সবুজ বা লাল বিন। কোনোটিতে পচনশীল বর্জ্য, কোনোটিতে রূপান্তরযোগ্য বর্জ্য আবার কোনটিতে ধাতব ও ই-বর্জ্য রাখে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জড়িত দেশ গুলো। এ উপায়ে বর্জ্যকে চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় নেয়া লাভজনক ও সহজতর।

কিন্তু রাজধানীর বাস্তবতা এর উল্টো। সব বর্জ্য রাখা হয় একসাথে। সাধারণ মানুষ যেমন জানেন না তেমনি আলাদা করে বর্জ্য সংরক্ষণে সিটি করপোরেশনের কোনো উদ্যোগ নেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্জ্যের উৎসস্থল ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ উভয়কেই সংরক্ষণের শুরু থেকে সচেতন হতে হবে। তা নাহলে ভাগাড়ে নিয়ে বর্জ্য জমা করা ছাড়া আর কোন ফল আসবে না।

বুয়েট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. রওশন মমতাজ বলেন, কোন আবর্জনাটা কি, তা রিকভার করা যাবে কিনা, তার কারণগুলো যদি আমরা বুঝতে পারি তাহলে আর এগুলো অপব্যবহার হবে না।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এ বছরের মে মাস থেকে বর্জ্য আলাদাভাবে সংরক্ষণে সচেতনতা কর্মসূচি পালন করা হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. জাহিদ হোসাইন বলেন, 'পরিকল্পনা আছে আলাদাভাবে সংরক্ষণে সচেতনতা কর্মসূচি পালন করবো, কিন্তু তার আগে আবর্জনাগুলোকে আগে আলাদা করে সংরক্ষণ করতে হবে।

ঢাকা সিটিতে দৈনিক প্রায় ৭হাজার টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়।

বর্জ্য সংগ্রহের প্রাথমিক ধাপটি সঠিকভাবে অনুসরণ করতে না পারলে ঢাকা সিটির বর্জ্য মিশ্রই থেকে যাবে। যা দিয়ে সার, বায়োগ্যাস বা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা অনেক ব্যয়সাধ্য। যার কারণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পাওয়া যাচ্ছে না দেশি-বিদেশি কোনো বিনিয়োগও। তাই সিটি করপোরেশনকে যথাযথ উদ্যোগ নেয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।