SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon খেলার সময়

আপডেট- ১৬-০৪-২০১৯ ০৩:৫১:৫৮

ডিপিএলে আবাহনী-রূপগঞ্জের জয়

dpl-match

সাইফুদ্দিনের বোলিং তাণ্ডবে সুপার লিগে বড় জয় পেয়েছে আবাহনী। প্রাইম দোলেশ্বরকে তারা হারিয়েছে ১৬৫ রানের বিশাল ব্যবধানে। নাঈম ইসলামের সেঞ্চুরিতে জয় পেয়েছে টেবিল টপার লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জও। মোহামেডানকে তারা হারিয়েছে ৪৬ রানে। দিনের আরেক ম্যাচে প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব।

সময়টা বিশ্বকাপের। এই সময়ে জাতীয় দলের আশেপাশে থাকা সবারই লক্ষ্য নিজের অস্তিত্ব জানান দেয়া। যেমনটা দিলেন সাইফুদ্দিন। নিজের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন প্রাইম দোলেশ্বরকে।

শুরুতে নেমেই অবশ্য হোঁচট খায় আবাহনী। ধারাবাহিক জহুরুল ফেরেন মাত্র ১ রান করে। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ স্কোয়াড সদস্য সৌম্য আর মিরাজের সংগ্রহ যথাক্রমে ২ ও ৫। তবে আবাহনীকে রক্ষা করেছেন ভারতীয় রিক্রুট ওয়াসিম জাফর আর নাজমুল শান্ত। দুজনে গড়েছেন ১৪৬ রানের জুটি।

৭১ রান করে জাফরের বিদায়ের পর, শান্তও বিদায় নেন ৭০ করে। এরপর মিথুনের ৪১ আর শেষদিকে মাশরাফীর ঝোড়ো ২৪ রানের সুবাদে ২৫১ রানের সংগ্রহ পায় আবাহনী।

জবাব দিতে নেমে সাইফুদ্দিনের বোলিং ঝড়ে লণ্ডভণ্ড দোলেশ্বর। শূন্য রানে ইমরানউজ্জামানের বিদায়ে শুরু। একে একে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান, মার্শাল আইয়ুব, ফরহাদ রেজারা। প্রথম ৫টি উইকেটের সবকটিই তুলে নেন সাইফুদ্দিন। ৬ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন এই অলরাউন্ডার। শুরুর ধাক্কা সামলাতে না পেরে মাত্র ৮৬ রানেই গুটিয়ে যায় দোলেশ্বর।

বিকেএসপিতে শুভসূচনা পায়নি রূপগঞ্জও। পুরো আসরে দুর্দান্ত মেহেদি মারুফ ও মোহাম্মদ নাইমের উদ্বোধনী জুটি এদিন শুরুতেই ভেঙে যায়। তবে দলটিকে টেনে নিয়েছেন অভিজ্ঞরা। তৃতীয় উইকেটে মুমিনুল ও নাইম ইসলাম গড়েন ১০৭ রানের জুটি। মুমিনুল ৭৮ করে ফিরলে, নাঈম ইসলামের সঙ্গে যোগ দেন শাহরিয়ার নাফিস। ৬৮ রান আসে শাহরিয়ার নাফিসের ব্যাট থেকে। আর ১০৮ রানের ঝলমলে একটি ইনিং খেলেন নাঈম ইসলাম। দল পায় ৩১৩ রানের বড় সংগ্রহ।

জবাব দিতে নেমে লিটন ফেরেন ২৪ রান করে। ইরফান শুক্কুর ও রকিবুল ফিফটি হাঁকালেও, আশরাফুল-অভিষেকরা দিতে পারেননি যোগ্য সমর্থন। ফলে ২৬৭ রানে গুটিয়ে যায় মোহামেডান। ৪৬ রানের জয় নিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের পথে আরো একধাপ এগিয়ে গেল রূপগঞ্জ।

ফতুল্লায় রুবেল মিয়া ও আরিফুল হকের ফিফটিতে ২৩৬ রানের মাঝারি সংগ্রহ পায় প্রাইম ব্যাংক। জবাব দিতে নেমে নাসির হোসেনের অনবদ্য সেঞ্চুরি আর ইলিয়াস সানির ফিফটিতে, ৬ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় শেখ জামাল।