SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাণিজ্য সময়

আপডেট- ১২-০১-২০১৯ ০৯:৫১:০৩

মিলারদের কারসাজিতে চালের দাম বৃদ্ধির অভিযোগ

dinaj-rice

গত এক সপ্তাহে হঠাৎ করে দিনাজপুরে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। এতে মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভবান হলেও কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না চাষিরা। মিল মালিকদের দাবি, বাজারে ধানের দাম বাড়ায় চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও মিলারদের কারসাজিতে বেড়েছে দাম।

দিনাজপুরের বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। আর চিকন চাল মিনিকেট, বস্তা প্রতি বেড়েছে আড়াইশো টাকা পর্যন্ত। আগে যার দাম ছিল ১ হাজার ৪০০ টাকা এখন সেই চাল বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪৬০ টাকায়। গুটিস্বর্ণ প্রতি বস্তা এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫৫০ টাকায় আগে ছিল ১৪৫০ টাকা। আটাশ চাল প্রতি বস্তা এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০০ টাকা আগে ছিল ১৭৫০ টাকা। উনত্রিশ প্রতি বস্তা এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮৫০ টাকা আগে ছিল ১৭০০ টাকা। মিনিকেট প্রতি বস্তা এখন বিক্রি হচ্ছে ২৩৫০ টাকা আগে ছিল ২১০০ টাকা।

হঠাৎ করেই ধানের মৌসুমে চালের এই মূল্য বৃদ্ধিতে স্বল্প ও নিম্ন আয়ের ক্রেতারা ক্ষুব্ধ। তারা বলেন, চাল কিনতে এসে দেখি আগের মাসের ‍তুলনায় চালের দাম কেজিতে তিন থেকে চার টাকা বেড়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে ধানের দাম পাচ্ছেন না তারা অথচ চালের দাম বাড়িয়ে দিয়ে মিলাররা লাভবান হচ্ছেন।

আর চালের মূল্য বৃদ্ধির জন্য ধানের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি চালকল মালিকদের কিছুটা কারসাজি রয়েছে বলে মনে করছেন খুচরা বিক্রেতা।

তবে মিলারদের দাবি, সরকারের ক্রয় অভিযান এবং ধানের বাজার বৃদ্ধির কারণে চালের দাম বেড়েছে।

এক মিলার বলেন, আগে চালের দাম কম ছিল, ধানের দামও কম ছিল। এখন দুটোরই দাম বেড়েছে। ধানের দামের সঙ্গে চালের দাম সামঞ্জস্যপূর্ণ আছে।

জেলায় এবার ২ লাখ ৫৭ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান উৎপাদন হয়েছে ৭ লাখ মেট্রিক টন। আর সরকার জেলা থেকে ক্রয় করবে ৪৯ হাজার মেট্রিক টন চাল।