SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon খেলার সময়

আপডেট- ১২-০৯-২০১৮ ০১:০৮:২০

'সাফের' ওপর অদৃশ্য প্রভাব বিস্তার করেছে ভারত!

saf

পৃষ্ঠপোষকতার দাপটেই সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন 'সাফের' ওপর এক অদৃশ্য প্রভাব বিস্তার করে আছে ভারত। আর তাদের প্রাধান্য দিতেই পূর্ব নির্ধারিত সময়ে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি এবারের আসর। এমন মন্তব্য করেছেন সাফের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলাল। এছাড়াও সমন্বয়হীনতা আছে সাফের গ্রুপিং নিয়েও। তবে সামনের দিনগুলোতে এই সংকট নিরসনে কাজ করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।


১৯৯৩ সালে সাত দেশ নিয়ে গঠিত হয় সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন সাফ। এরপর পেরিয়েছে ২৫ বছর। অথচ এই দীর্ঘ সময়েও হয়নি সংগঠনটির স্থায়ী কোন কার্যালয়। তাই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের এই ভবনেই অনেকটা সাদামাটা ভাবে চলে এর কার্যক্রম।

শুধু কার্যালয় নয়! সাফের প্রধান দুই পদ, সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের জায়গাতেও আসীন বাফুফের দুই কর্মকর্তা। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এত কিছু থাকার পরও আদতে কোন প্রভাব আছে কি বাংলাদেশের? না'কি অর্থের যোগান দাতা হিসেবে পেছন থেকে সব নিয়ন্ত্রন করে ভারত! জবাবটা শোনা যাক সাধারণ সম্পাদকের কাছ থেকেই।

সাত দলের এই আসরে এবার গ্রুপিংটা হয়েছে ৪/৩ করে। যাতে তিন ম্যাচের দুটিতে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়েও সেমির টিকিট পায়নি বাংলাদেশ। পক্ষান্তরে কোন ম্যাচ না জিতেও মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ চারে মালদ্বীপ। এটা কি শুধুই ভাগ্যের সুপ্রসন্নতা। না'কি নিয়মের মধ্যে বড় এক সমন্বয়হীনতা।

ক্রীড়া বিশ্বে আঞ্চলিক সংগঠনগুলো তৈরি হয় সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য। কিন্তু প্রশ্ন হলো আসলেই কি এই সাফ থেকে উপকৃত হতে পেরেছে বাংলাদেশের ফুটবল? সংশ্লিষ্টরা বলছেন সাফে ভারতের আধিপত্য না কমলে, অন্যদেশগুলো এর সুফল পাবে না কিছুতেই!