SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১৯-০৮-২০১৮ ০৬:০০:৪০

'এত আন্দোলন হওয়ার পরেও কোন উন্নতি নেই'(ভিডিও)

dhaka-city-trafic

সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় রাজধানীর যান চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার তাগিদ যাত্রীদের। বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপে দীর্ঘমেয়াদী সুফল না আসায় পরিবহন খাতটি জনবান্ধব হতে পারেনি বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের। তারা মনে করেন, আইন মানার সংস্কৃতি চালু করার পাশাপাশি সকলের সচেতনতাই পারে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সাফল্য আনতে। ডিএমপির দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় সড়ককে নিরাপদ করতে বিশেষ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। শিগগিরই এর সুফল পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী তারা।

রাজধানীর গণপরিবহন মানেই নানা ভোগান্তি আর অব্যবস্থাপনা নিয়ে পথ চলা। যেখানে সেখানে যাত্রী ওঠা নামা, লেন না মেনে চলাচল, বেপরোয়া গতি, পারস্পরিক প্রতিযোগিতা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ পরিবহনগুলোর বিরুদ্ধে। আইন না মেনে পথ চলে মোটর সাইকেলসহ অন্যান্য পরিবহনও। সাধারণ যাত্রীরা মনে করেন রাজধানীতে গণপরিবহন কম থাকার সুযোগে এবং আইনের প্রয়োগ না থাকায় হয়রানি ও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন তারা।

যাত্রীরা বলেন, 'গাড়ি চলতে গেলে ড্রাইভিং লাইসেন্সের কোন বিকল্প নাই। ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে ড্রাইভারই কিসের।  এত আন্দোলন হওয়ার পরেও কোন উন্নতি নেই।'

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার আওতায় না আসায় পরিবহনগুলোতে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব হচ্ছে না। নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, ট্রাফিক সপ্তাহ পালন, এমনকি ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জেল-জরিমানাতেও কাজ হয় না।

পরিবহন বিশেষজ্ঞ ব ড. সালেহ উদ্দিন বলেন, 'মালিক এবং চালক জনগণ সবাই যদি সহযোগিতা করে তাহলে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব। সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বলবো আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে এবার আপনাদের দায়িত্ব পালন করেন।'

ঢাকা মহানগর পুলিশ জানায়, সম্প্রতি সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিশেষ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। চলন্ত পরিবহনের দরজা বন্ধ রাখা, বাসচালক ও সহকারীদের পরিচয়পত্র প্রদর্শন, অনির্ধারিত জায়গায় যাত্রী ওঠানামা বন্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে ২০ শে আগস্টের মধ্যে।
 
ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, '১২০ টা স্টপেজ আছে এর বাইরে কোথাও বাস না দাঁড়ায় সে জন্যে মালিক শ্রমিকদের সহযোগিতা লাগবে। ৬টি কোম্পানির মাধ্যমে ঢাকা শহরে বাস চলবে। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তত্বাবধানে আমরা এইকাজটি করবো।'

কর্তৃপক্ষ জানান, ট্রাফিক সপ্তাহের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করতে হবে ক্যামেরা স্থাপন, সংকেত ব্যবস্থার উন্নয়ন, ফুটওভার ব্রিজের আশপাশে উঁচু বেষ্টনী নির্মাণ, সড়ক বিভাজক উঁচুকরণ, জেব্রা ক্রসিং দৃশ্যমানসহ অন্যান্য নির্দেশনাও।