SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২৩-০৬-২০১৮ ১৪:৫৫:২৫

নজরদারির অভাবেই সড়কে মৃত্যুর মিছিল

eid-acci-somoy

ঈদের আমেজ কাটতে না কাটতে আবারও সড়কে ঝরল তাজা প্রাণ। একদিনেই সারা দেশে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো অর্ধ শতকের কাছাকাছি। সড়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঈদের আগে সড়কে যেভাবে নজরদারি থাকে, ঠিক সেভাবে নজরদারি থাকে না ঈদের পর। আর একারণেই অন্তত এবারও ঠেকানো যায়নি মৃত্যুর মিছিল।

ঈদের আগে বা পরে সড়কে প্রাণ ঝরে নি এমন ঈদ হয়তো গেল কয়েক বছরে আসেনি একটিও। তাই ঈদ যেমন খুশি নিয়ে হাজির হয়। তেমনি সড়কে নামে মৃত্যুর মিছিল। সেই মিছিলে শনিবারই (২৩ জুন) যুক্ত হলো আরো নতুন নতুন নাম।

একই ঘটনা ঘটছে বছরের পর বছর। কিন্তু দুর্ঘটনা বন্ধে কোনো উদ্যোগ কি আছে? থাকলেও তা কতটুকু কাজে আসছে এমন প্রশ্ন ছিল যোগাযোগ বিশেষজ্ঞের কাছে।

পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল হক, ‘ঈদের আগে যেমন সড়কে নজরদারি থাকে, তেমনি পরেও নজরদারিটা রাখা গেলে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা কম থাকে।’

বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় ঈদে মহাসড়কে যান চলাচল বেড়ে যায় অন্তত দেড় গুণ। বাড়তি আয়ের আশায় এ সময় ফিটনেসহীন পরিবহন কোনোরকম মেরামত করে নামানো হয় রাস্তায়। শুধু তাই নয়, যানজটের মহাসড়কে একটু ফাঁকা পেলেই বেপরোয়া গতির ঝড়ে নামেন চালকেরা।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘যেসব যানবাহন দীর্ঘদিন বসিয়ে রাখা হয়। যে সমস্যা থাকার কারণে ফেলে রাখা হয় সেগুলো একটু মেরামত করে রাস্তায় ছাড়া হয়। সড়কে প্রাণহানি কমাতে সরকারের তেমন কোনো উদ্যোগ আমরা লক্ষে করি না।’

তিন বছরের পরিসংখ্যান বলছে, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ঈদে বাড়ছে দুর্ঘটনার সংখ্যা। ২০১৭ সালের ঈদের সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আগের বছরগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আনন্দের এ সময়টিতে মৃত্যুর মুখ দেখতে না চাইলে দুর্ঘটনা রোধে এগিয়ে আসতে হবে সড়ক সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকেই।