SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ২২-০৫-২০১৮ ০৪:১৭:৩৭

রমজানে দল গোছাচ্ছে বিএনপি, ধর্মপালনে আ.লীগ

ifter-pol-up

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে রমজানের শুরু থেকেই জমে উঠেছে ইফতার কেন্দ্রিক রাজনীতি। এবার ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে দল গুছিয়ে সাংগঠনিক শক্তি জোরদার করতে চায় বিএনপি। তবে এই পবিত্র মাসে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকলেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সংকুচিত রাখার কথা বলছে আওয়ামী লীগ। অন্য রাজনৈতিক দলগুলো ইফতার মাহফিলের মাধ্যমেই ঝালিয়ে নিতে চায় রাজনৈতিক সম্পর্ক।

প্রতি বছরের মতো এবারও প্রথম রমজানেই রাজধানীতে এতিম ও ওলামা মাশায়েখদের সৌজন্যে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি। এরপর রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কূটনীতিক নিয়েও ইফতার করে দলটি। বেগম জিয়ার অনুপস্থিতিতে প্রতিটি অনুষ্ঠানেই ফাঁকা রাখা হচ্ছে তার একটি চেয়ার।

দলটির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'চেয়ারপার্সন প্রতিটি ইফতার মাহফিলে উপস্থিত থেকে কর্মী এবং আমন্ত্রিত ব্যক্তিদের মনোবল বৃদ্ধি কারার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। এবার আমরা সেক্ষেত্রে একটু পিছিয়ে আছি।'

দলের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আয়োজন না থাকলেও সোমবার গণভবনে এতিমদের নিয়ে ইফতার করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের শীর্ষ নেতারা বলছেন, রমজানে রাজনীতির চেয়ে ধর্ম পালনকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগ।

দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ বলেন, 'রমজান মাস হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস। এই মাসে সকলেই ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মধ্যেই থাকতে চায়। রমজানে আমরা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে একটু সংকুচিত করেই রাখি।'

ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে রাজনৈতিক শক্তি জোরদার করতে চায় বিএনপি।

মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং দল গোছানোর ক্ষেত্রে ইফতারির মাধ্যমে আমরা আমাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারবো বলে আমরা আশা করি।'

তবে এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের অবস্থান ভিন্ন। দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ বলেন, 'ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা বিএনপির পুরনো একটি অভ্যাস। তারা ব্যবহার করেছে। আওয়ামী লীগ কখনও ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে নাই এবং করতেও চায় না।'

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি'র বাইরে জাতীয় পার্টিসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও সরব রমজানে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমি হাওলাদার বলেন, 'রমজান মাসের পবিত্রতা দিয়ে আমরা একটা বন্ধন সৃষ্টি করি মানুষে-মানুষে, দলে-দলে। মতপার্থক্য ভুলে আমরা একসঙ্গে বসি, ইফতার করি।'

কর্মী-সমর্থদের নিয়ে ইফতারের আনুষ্ঠানিকতায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান জাহির করতে তৎপর দলগুলো।