SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ১৯-০৫-২০১৮ ০৬:১১:৫৬

বৃষ্টিপাতে বদলে গেছে মৌলভীবাজারের চা বাগানের চিত্র

moulo-tea

টানা বৃষ্টিপাত বদলে দিয়েছে মৌলভীবাজারের চা বাগানের চিত্র। বৃষ্টির পানি পেয়ে এখন সবকটি বাগানে সবুজ কচি পাতার সমারোহ। এবার চায়ের উৎপাদনও হয়েছে ভালো। এরকম বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

 

দেশের চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজার। গত বছর এখানে দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় চা উৎপাদন। কিন্তু চলতি বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া পরিমিত বৃষ্টিপাতে প্রাণ ফিরে পায় চা বাগানগুলো।

যতদূর চোখ যায়, পাহাড়ের ভাজে ভাজে সবুজের গালিচায় মোড়ানো চা বাগান। এই সব বাগানের কচি পাতা সংগ্রহ করে কারখানায় আনেন শ্রমিকরা। পরে সেই গুলোকে বিভিন্ন মেশিনের সাহায্যে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

চা শ্রমিক জানান, বৃষ্টি হওয়ায় চা-বাগানে নতুন পাতা বের হয়েছে। আগে বৃষ্টি কম হতো। এইবার বৃষ্টি হওয়ায় পাতাও বেড়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার চা বাগানে সামান্য রোগবালাই দেখা দিলেও শুরু থেকেই উৎপাদনে ভালো অবস্থানে রয়েছে মৌলভীবাজার। এরকম বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলেও মনে করেন তারা।

মৌলভীবাজার রাজনগর মাথিউড়া চা বাগানের ম্যানেজার  মো. জাফর ইকবাল বলেন, এই অঞ্চলে যতগুলো বাগান রয়েছে, সবগুলোতে ভাল ফলন হয়েছে। এতে করে গত বছরের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল। সেটা এবার ছড়িয়ে যাবে।  

মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল টি-স্টেটের পরিচালক আজিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, চা-বাগানে ফাস্ট অ্যান্ড ডিজিজের কারণে চা উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটেছে। তবে, আশাকরি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এই বিপর্যয় কেটে যাবে।

মৌলভীবাজারের ৯৩টি চা বাগানে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করছেন প্রায় ৫৫ হাজার শ্রমিক। বাংলাদেশ চা বোর্ডের হিসাব মতে, ২০১৭ সালে সারাদেশে ৭ কোটি ৯০ লাখ কেজি চা উৎপাদন হয়।