SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ১৭-০৫-২০১৮ ০৫:০০:০০

বর্ষায় পাহাড় হয়ে ওঠে যমদূত!

hill

আসছে বর্ষাকাল। অথচ রাঙামাটির পাহাড়ের পাদদেশে এখনো ঝুঁকিতে বসবাস করছে হাজারো পরিবার। জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, শহরের ৩১টি পয়েন্টকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন সময়ে ঐসব এলাকায় অভিযান চালানো হলেও থেমে থাকেনি বসবাস।

 

গত বছর রাঙামাটি শহরের ভেদভেদী, যুব উন্নয়ন এলাকা, সাপছড়ি, মুসলিম পাড়াসহ কয়েকটি এলাকায় স্মরণকালের পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাপক প্রাণহানি পরও, আবারো একই স্থানে গড়ে তোলা হয়েছে ঘরবাড়ি। থেমে থাকেনি ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস। এসব এলাকার প্রায় ১০ হাজার পরিবার পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে।

তবে বসবাসকারীরা মৃত্যুর শঙ্কা আছে জেনেও নিজেদের ভিটামাটি ছাড়তে রাজি নন। তারা বলেন, অনেক কষ্টে ঘর তৈরি করেছি, এখন আমাদের পক্ষে কোথাও যাওয়া সম্ভব নয়। সরকার আমাদের জন্য কোনো ব্যবস্থাও করছে না।

এদিকে, বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন।

এ বিষয়ে পাহাড় ধস করণীয় জাতীয় কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতে যেন কেউ বসবাস না করেন সেজন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তবে এসব এলাকা থেকে তাদের অন্যত্র স্থায়ীভাবে স্থানান্তর করা গেলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।

সেই সঙ্গে সমস্যার স্থায়ী সমাধানর জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়েও বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়ে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে যেন কেউ বসবাস না করেন সেজন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। 

গেল বছর প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধসে মারা যান ১২০ জন। আর আহত হন দুই শতাধিক মানুষ। এসময় সব হারিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছিলেন প্রায় তিন হাজার মানুষ।