SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাংলার সময়

আপডেট- ০৩-০৫-২০১৮ ০৪:২৯:১৮

লবণাক্ত-অনাবাদি জমিতে সফল সূর্যমুখী চাষ, কৃষকের মুখে হাসি

noa-sunflower

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের লবণাক্ত-অনাবাদি জমিতে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন চাষিরা। গত বছর ২শ একর জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখীর চাষ করে সফল হওয়ায়, এবার ৫শ একর জমিতে আবাদ করেছেন তারা। ফলে কম খরচে লাভজনক হওয়ায় দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে এ ফুলের চাষ। পাশাপাশি চাষিদের সহায়তায় বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় এখনকার মাটি লবণাক্ত এবং চাষের অযোগ্য প্রায়। এতে চাষিরা অনেকটাই হতাশ হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় গ্লোব কৃষি খামারের পরামর্শে, ২০১৫ সালে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয় সূর্যমুখীর চাষ। এতে লাভের মুখ দেখেন চাষিরা। ফলে সুবর্ণচরে বাড়তে থাকে সূর্যমুখী চাষ।

চাষিরা জানান, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু করে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ- সূর্যমুখী চাষের উত্তম সময়। সূর্যমুখীতে রোগবালাই ও পোকামাকড় কম আক্রান্ত করে। তাই খরচ কম লাগে।

এদিকে, চাষিদের সহযোগিতায় স্থানীয়ভাবে একটি তেলের কারখানা স্থাপনের কথা জানালেন এই কৃষি কর্মকর্তা। এছাড়া সূর্যমুখী চাষে নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ।

নোয়াখালীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন বলেন, নোয়াখালী থেকে একজন সাংসদ সূর্যমুখী তেলের কারখানা স্থাপন করেছেন। তিনি আশ্বস্ত করেছেন, কৃষকরা যদি সূর্যমুখী আবাদ করেন তবে তার বিপণনে কোনো সমস্যা হবে না। আমরা কৃষকদের সূর্যমুখী চাষে উৎসাহিত করছি।

চলতি বছর, জেলার সুবর্ণচরে প্রায় ৫০০ একর এবং গ্লোব কৃষি খামারে ৩১৫ একর জমিতে সূর্যমুখীর চাষাবাদ করা হয়।