SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon বাণিজ্য সময়

আপডেট- ১৮-০৪-২০১৮ ০৪:০৩:০৭

ব্যয় ও সময় বাড়লেও শেষ হয়নি ওষুধ শিল্প পার্ক নির্মাণের কাজ

api-park

মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে তিন দফা, আর প্রকল্পে ব্যয় ২১৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৮১ কোটি টাকা। কিন্তু ১০ বছরেও শেষ হয়নি ওষুধ শিল্প পার্কের নির্মাণ কাজ। ধীরগতির জন্য ব্যবসায়ীদের স্বদিচ্ছার অভাবকে দায়ী করছেন বিসিকের প্রকল্প পরিচালক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবহেলার মাশুল গুণতে হবে খাত সংশ্লিষ্টদেরই।


ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে এপিআই পার্ক নির্মাণে বিসিকের সঙ্গে চুক্তি হয় ২০০৬ সালে। এরপর নানা জটিলতায় প্রকল্পের মেয়াদ বেড়েছে তিনবার। ২১৩ টাকার প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে হয়েছে ৩৮১ কোটি টাকা। সময়ক্ষেপণের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক দুষছেন ব্যবসায়ীদের স্বদিচ্ছার অভাবকে।

এপিআই প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল বাছেত বলেন, এমন জিনিস তৈরি করতে একটা ইন্ডাস্ট্রি ২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবেন না। প্রথমে ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতেও ইতস্তত বোধ করবে।

তবে এ বিষয়ে কোনো দায়ভার নিতে নারাজ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এ বিষয়ে বলেন, তাঁদের প্রকল্পের কাজ কিছু বাকি আছে। এটার সাঙ্গে আমাদের সংশ্লিষ্ট কাজটাই বাকি আছে। তারা যখন এই কাজটা করবে তখন বাকিটুকু হয়ে যাবে।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের দাবি, আধুনিক যন্ত্রপাতি আর দক্ষ জনবলের অভাবে এগুতে পারছে না প্রকল্পটি।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, টেকনোলজির সমস্যাটা একটি বড় সমস্যা। এছাড়া দক্ষ মানবসম্পদের অপ্রতুলতা আছে এখানে।

২০৩৩ সাল পর্যন্ত ওষুধের পেটেন্ট সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। তবে এরপর কাঁচামাল উৎপাদনে নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে না পারলে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

২০১০ সালের ডিসেম্বরে এই শিল্প প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।