SomoyNews.TV

বিশ্বকাপের সময়

আপডেট- ১১-০৪-২০১৮ ১৫:১৮:৪২

বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিচিতি: সেন্ট্রাল স্টেডিয়াম

c1

রাশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম শহর ইয়েকাতেরিনবার্গ। এই শহরের সেন্ট্রাল স্টেডিয়ামে হবে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচ। দর্শক ধারণক্ষমতা ৩৫ হাজারের একটু বেশি। ১৫ জুন উরুগুয়ে ও মিশরের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক হবে এই স্টেডিয়ামের। সেন্ট্রাল স্টেডিয়ামের বিস্তারিত থাকছে এই প্রতিবেদনে।

 

রাশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম শহর ইয়েকাতেরিনবার্গ। ১৮ নভেম্বর ১৭২৩ সালে গড়ে উঠেছে এই শহর। সম্রাট পিটার তার প্রিয়তমা স্ত্রী একেতারিনার নামে শহরের নামকরণ করেন ইয়েকাতেরিনবার্গ। উরাল পর্বতের পূর্বে অবস্থিত এই শহরের নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য মুগ্ধ হয়ে প্রতিবছর আসেন অসংখ্য পর্যটক।

রাশিয়ার অন্যতম সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যের শহর হিসেবেও এর সুখ্যাতি আছে। ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশের সীমান্তের মাঝের এই শহরটিকে একসময় ডাকা হত এশিয়ার জানালা। রাশিয়া বিশ্বকাপের ১২টি ভেন্যুর মধ্যে অন্যতম সুপরিচিত সেন্ট্রাল স্টেডিয়াম এই ইয়েকাতেরিনবার্গে।

১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সেন্ট্রাল স্টেডিয়াম। একহাজারেরও বেশি ক্রীড়া ইভেন্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন হয়েছে এই ভেন্যুতে। ১৯৫৯ সালে এই স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয়েছিলো নারীদের ওয়ার্ল্ড স্পিড স্কেটিং চ্যাম্পিয়নশিপ।

পরবর্তীতে সেন্ট্রাল স্টেডিয়ামটি রাশিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব এফসি উরাল ইয়েকাতেরিনবার্গ তাদের হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। রাশিয়া বিশ্বকাপের জন্য ২০১৪ সালে শুরু হয় স্টেডিয়ামটির সংস্কার কাজ। ২৩ হাজার থেকে দর্শকধারণ ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে ৩৫, হাজার ৬৯৬টিতে।

এই স্টেডিয়ামে হবে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচ। ১৫ জুন উরুগুয়ে ও মিশরের ম্যাচ দিয়ে হবে এর বিশ্বকাপ অভিষেক। এছাড়াও ২১ জুন ফ্রান্স ও পেরু, ২৪ জুন হবে জাপান ও সেনেগাল ও ২৭ জুন এ ভেন্যুতে মুখোমুখি হবে মেক্সিকো ও সুইডেন।

প্রকৌশলী ভ্লাদিমির ভিনিয়ামিভি নিরলস পরিশ্রম নেতৃত্ব দিচ্ছেন এর সংস্কার কাজে। এরইমধ্যে শেষ হয়েছে প্রায় ৯০ভাগ কাজ । এজন্য সমালোচনাও শুনতে হচ্ছে আয়োজকদের।