SomoyNews.TV

বিশ্বকাপের সময়

আপডেট- ০৪-০৪-২০১৮ ১২:২৫:০৫

বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিচিতি: সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম

world-4

ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম ভেন্যুগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভেন্যু হলো সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম। গ্রুপ পর্বের ৪টি আর রাউন্ড অব সিক্সটিন ও সেমিফাইনালের একটি ম্যাচ ছাড়াও, সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নিধার্রনী ম্যাচ। শুধু স্টেডিয়ামের জন্যই নয়।

 

সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরের সৌন্দর্য পর্যটকদের আলাদা ভাবে দৃষ্টি কাড়ে। রাশির সেন্ট পিটার্সবার্গ শহর ও নান্দনিক এই স্টেডিয়ামটির পরিচিতি থাকছে এবারের প্রতিবেদনে।

রাশিয়ার প্রধান শহর মস্কো থেকে ৭১২ কিলোমিটার দূরে সেন্ট পিটার্সবার্গ। এটি রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। এই শহরের প্রাচীন নিদার্শন পর্যটকদের চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে। ঐতিহ্য, শিল্প আর আধুনিকতার জন্য রাশান সাম্রাজ্যের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিলো সেন্ট পিটার্সবার্গ।

ইউরোপ ফুটবল দাপিয়ে বেড়ানো রাশিয়ার ফুটবল ক্লাব জেনিথ সেন্ট পিটার্সবার্গের হোম গ্রাউন্ড হলো এই স্টেডিয়াম।

কেস্তোভস্কি আইসল্যান্ডের পাশে অবস্থিত সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম। ২০০৭ সালে স্টেডিয়ামটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। ২০১৭ আনুষ্ঠানিক ভাবে ফুটবল খেলার জন্য খুলে দেয়া হয় সেন্ট পিটার্সবার্গ। তবে, মজার ব্যাপার হলো। অত্যাধুনিক এই স্টেডিয়াম ইন্ডোর সিস্টেম। যতো প্রতিকূলতা আসুক না কেনো খেলায় কোন প্রভাব পড়বে না।

এছাড়াও, স্টেডিয়াম এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যে, শুধু ফুটবল-ই না রাগবি, বেস বল কিংবা ক্রিকেট সব ধরনের খেলাই যখন তখন আয়োজন করা সম্ভাব এখানে।

২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের মোট ৭টা সহ ১৪টি দল এই স্টেডিয়াম খেলবেন। ফুটবল পিয়াসিদের দুর্বীণ দৃষ্টি থাকবে সেন্ট পিটার্সবার্গে। কারণ স্বাগতিক রাশিয়া ছাড়াও, আসরের দুই হট ফেবারিট আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সেন্ট পিটার্সবার্গে।

সেই ধারাবাহিকতায় ১৫ জুন মরক্কো ও ইরানের ম্যাচের মধ্যে দিয়ে অভিষেক হবে সেন্ট পিটার্সবার্গের। ব্রাজিলের খেলা ২২ আর মেসির আর্জেন্টিনা খেলবে ২৬ জুন। বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল ১০ জুলাই আর তৃতীয় স্থান নির্ধারনী ম্যাচ হবে ১৪ জুলাই।

এই স্টেডিয়ামটির আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছে। তবে, বিশ্বকাপের ম্যাচ মঞ্চায়নের জন্য তীর্থের কাকের মতোই চেয়ে আছে আয়োজকরা। অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধাসম্পন্ন দর্শনীয় স্টেডিয়ামই শুধু না। সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরের ইতিহাস ঐতিহ্য নিশ্চিত ভাবে মুগ্ধ করবে পর্যটকদেরও।