SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১৫-০৩-২০১৮ ১৫:২১:৫১

কালো চাদরে মোড়া এক রাষ্ট্রীয় শোকের দিন

mourn-jpgedt

নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৬ বাংলাদেশির স্মরণে পালন করা হচ্ছে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক। সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অর্ধনমিত রাখা হয়েছে জাতীয় পতাকা। এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা যেন আর না ঘটে সেই প্রত্যাশার পাশাপাশি নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনার কথা বলছেন সাধারণ মানুষ। আশা করছেন নিহতদের পরিবার যেন শক্তি পান এই শোক বইবার।

 

হয়তো প্রকৃতির নিয়মে স্বাভাবিক দ্যুতি নিয়েই উঠেছে বাংলাদেশের আকাশে বৃহস্পতিবারের সূর্য। তবে সোনালী আভার মাঝে কালচে রংয়ের মিশেল থেকে মনে হতে পারে শোকস্তব্ধ বাংলাদেশের সঙ্গে একাত্ম হয়েই বোধ সূর্যের এমন রং বদল।

নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিমান দুর্ঘটনার খবরটি আসে দুপুরের পর। এরপর সময় যতো গড়ায় বাড়তে থাকে হতাহতের সংখ্যা। বাড়তে থাকে লাশের মিছিল। এক পর্যায়ে অংকটা ছুঁয়ে যায় ২৬ জনে। তখন থেকেই শোকে স্তব্ধ বাংলাদেশ। বিমান দুর্ঘটনায় এক সঙ্গে এতো মানুষের মৃত্যু ৪৬ বছর বয়সী বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম। নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা ভালোবাসা আর তাদের আত্মার শান্তি কামনায় একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে বাংলাদেশ। জাতীয় সংসদ ভবন থেকে শুরু করে সরকারি বেসরকারি কিংবার স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে অর্ধনমিত রাখা হয়েছে জাতীয় পতাকা।

সাধারণ জনগণ একজন বলেন, 'যাদের গিয়েছে তারা জানে কি গিয়েছে। আমরা শুধু সমবেদনা ছাড়া কিছুই করতে পারছি না।'

আরেকজন বলেন, 'খুবই একটা দুঃখজনক ঘটনা। এর আগে বাংলাদেশে বিমান বাহিনীতে এমন ঘটনা ঘটেনি। আমরা শোকাহত।'
 
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস আদালত সব জায়গাতেই শোকের আবহ। অনেকেই ধারণ করেছেন কালো ব্যাজ। কাজের ফাকেও নিহতদের আত্মা যেন শান্তি পায় সেই প্রার্থনাও করছেন তারা।

সাধারণ জনগণ বলেন, 'শোকটাকে যদি আমরা ভেতরে লালন-পালন করতে পারি, মানুষের প্রতি মানুষের সমবেদনা জ্ঞাপন করতে পারি, তাহলে হয়ত তাদের সহযোগীতা করতে পারতাম।'

এমন মর্মান্তিক ভয়াবহ দুর্ঘটনা যেন আর কখনোই না ঘটে সেই প্রার্থনা দেশের ১৬ কোটি মানুষের।