SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১২-০৩-২০১৮ ০৬:৫৪:০৫

এখনো অনির্ধারিত তরলীকৃত গ্যাসের দাম

lng-price-up

আগামী মাসে উচ্চমূল্যের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানি শুরু হওয়ার কথা হলেও এখনো চূড়ান্ত হয়নি গ্রাহক পর্যায়ে দামের বিষয়টি।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জানালেন, গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণে সরকারের প্রস্তাব চলতি মাসে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে পাঠানো হতে পারে। তবে ব্যবসায়ীরা মনে করেন, বিনিয়োগকারীদের সামনে এলএনজি আমদানির পরিপ্রেক্ষিতে গ্যাসের দামের বিষয়ে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা থাকা উচিত।  

 

সব ঠিকঠাক থাকলে এপ্রিলে আসছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি। বিদ্যমান জ্বালানি সংকট কাটাতে এ উদ্যোগ আশা জাগানিয়া হলেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছ এর উচ্চ দাম নিয়ে। শঙ্কা রয়েছে, এর ফলে জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় ধাক্কা খাবে উৎপাদন খাত।

 

প্রতি ঘনমিটার দেশীয় গ্যাসের দাম ৮ টাকা ৮৬ পয়সার বিপরীতে এলএনজির মূল্য ৬২ টাকা ১৫ পয়সা। বর্তমানে দেশে উৎপাদিত দৈনিক ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস আর এপ্রিলে আমদানি হওয়া ৫০ কোটি ঘনফুট এলএনজি মিশ্রণের পর প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম বেড়ে দাঁড়াবে পৌনে ১২ টাকা।


তবে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জানালেন, এলএনজি আমদানির পর গ্রাহক পর্যায়ে কী মূল্যে গ্যাস সরবরাহ করা হবে, তা চূড়ান্ত করতে সরকারের প্রস্তাব চলতি মাসে পাঠানো হবে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, প্রাইস সম্বন্ধে একটা আইডিয়া আমরা পেয়েছি। এটা মার্কেটের এর উপর নির্ভর করে।  

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ২০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি যুক্ত হওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে জ্বালানির দামের বিষয়ে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা থাকা উচিত বলে মনে করেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিআই সভাপতি।

তিনি বলেন, পাঁচ বছরের মধ্যে কী ধরণের প্রাইস হতে পারে সে ছবিটা ইনভেস্টরদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অধ্যাপক তামিম বলেন সরকার কিছু বলছে না আমার ধারণা সরকার দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে। কীরকম প্রাইসিং করবে তারা এখনো চূড়ান্ত করেনি।

তবে সব মহলই মনে করেন, ভবিষ্যতে জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব সামলাতে প্রয়োজন উৎপাদন কৌশল ও দক্ষতা বাড়ানো।