SomoyNews.TV

Somoynews.TV icon মহানগর সময়

আপডেট- ১১-০২-২০১৮ ০৬:৫০:৩৭

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড আটচল্লিশ ঘণ্টা যেনো ফুরায় না

sagar-runi

আটচল্লিশ ঘণ্টা যেনো ফুরায় না, সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার আর মেহেরুন রুনির হত্যাকাণ্ডের আজ ছয় বছর। এখনো তদন্তে থমকে আছে আইনি প্রক্রিয়া। এতে পরিবার আর সাংবাদিকদের মধ্যে হতাশা আর বিচার না পাওয়ার সন্দেহ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, র‍্যাবের পক্ষে যেহেতু সম্ভব হচ্ছে না, সেক্ষেত্রে "অপারগতা প্রকাশ" সাপেক্ষে অন্য কোন সংস্থাকে এই মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেয়ায় সময় এসেছে।

সাড়ে পাঁচ বছরের মেঘ এখন বারো ছুঁই ছুঁই। পড়াশুনা আর খেলাধুলায় ব্যস্ততা। কিন্তু ফেব্রুয়ারির এগারো তারিখ মানেই এখন বিষন্নতা আর অনেক নিরুত্তোর প্রশ্নের নতুন সংস্করণ।

২০১২ সালের ১১ ই ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি দম্পতি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন। সে সময় "গ্রীলতত্ব" আর সাগর সরোয়ারের "ল্যাপটপ আর মোবাইলে"র আশেপাশে তদন্ত বন্দি থাকলেও এখন ছয় বছর হতে চললো।

ডিবি থেকে তদন্তের দায়িত্ব র‍্যাবকে দেয়া হলে, তদন্ত কর্মকর্তা এখন পর্যন্ত ৫৩ বার সময় নিয়েছেন আদালতে । এখন সব তৎপরতা যেনো বছরের একটি দিনের আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়েছে । ৪৮ ঘণ্টা যেনো ফুরায় না, অপেক্ষাও শেষ হয় না।

মেহেরুন রুনির ভাই নওশের নোমান বলেন, 'হতাশা হতে হতে অনেক আগেই বিচারের আশা নষ্ট হয়ে গেছে।'

একদিকে স্বজন হারানোর ক্ষত যেনো দিন দিন আরো গভীর হচ্ছে। অন্যদিকে এই সাংবাদিক দম্পতি খুন হওয়ার পর বিচারের দাবিতে সাংবাদিকদের আন্দোলনও যেনো, সময়ের ব্যায়ে স্তিমিত।

মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু মনে করেন, তদন্তেই থমকে আছে আইন ও বিচারিক পুরো প্রক্রিয়া।

শেষ পর্যন্ত, এই হত্যাকান্ডের সাথে কারা জড়িত, কবে নাগাদ তদন্ত শেষ হবে, এর পেছনের কারণ কি, ছয় বছর পরও তার কোন উত্তর মিলছে না।