আপডেট
০৭-১২-২০১৭, ০৫:২১

একাত্তরের এইদিনে মুক্ত হয়েছিল যেসব এলাকা

7th-dec
আজ ৭ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীকে পিছু হটিয়ে মুক্ত হয় গাইবান্ধা, নোয়াখালী, সাতক্ষীরা শেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা। লাল সবুজের পতাকা উড়িয়ে সেদিন আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন এই এলাকার মুক্তিকামী জনতা। তবে স্বাধীনতার এত বছর পেরিয়ে গেলেও অযত্ন-অবহেলায় পড়ে থাকা গৌরব গাঁথার স্মৃতিচিহ্নগুলো সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।
গাইবান্ধা: উত্তরের জনপদ গাইবান্ধায় মুক্তিবাহিনীর আক্রমণে টিকতে না পেরে কোণঠাসা হয়ে পড়ে হানাদার বাহিনী। বাদিয়াখালীর যুদ্ধ, হরিপুর অপারেশন, কোদালকাটিতে সম্মুখ যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর জয়ের পর পিছু হটতে শুরু করে পাকবাহিনী। সবশেষ ৭ ডিসেম্বর চারদিকের আক্রমণে দিশেহারা হয়ে গাইবান্ধা ছেড়ে যায় হানাদাররা।

নোয়াখালী: যুদ্ধের শুরু থেকেই নোয়াখালীর এই পিটিআই স্কুলটি শক্তিশালী ঘাঁটি গড়ে তোলে পাকবাহিনী। ৬ ডিসেম্বর ভোরে ঘাটিটি ঘেরাও করে মুক্তিবাহিনী। দিনভর যুদ্ধের পর রাতের আধারে পালিয়ে যায় পাক হানাদাররা। শত্রুমুক্ত হয় নোয়াখালী।

সাতক্ষীরা: ৬ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধাদের কঠোর প্রতিরোধে পিছু হটে হানাদাররা।সবশেষে সাত ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পরাস্ত হয়ে পাকিস্তানিরা পালিয়ে গেলে শত্রু মুক্ত হয় সাতক্ষীরা। উড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা।

সাতক্ষীরার জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মশিউর রহমান মশু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে যে স্মৃতিচিহ্ন নির্মাণ করা হয়েছে সেখানে অনেক রাজাকারেরও নাম রয়েছে। আমরা বহুবার এটা সংশোধনের দাবি জানালেও তা সংশোধন করা হয়নি।

এছাড়া একাত্তরের এইদিনে শত্রুমুক্ত হয় শেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা।


এমএইচ




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে