আপডেট
১৫-১১-২০১৭, ১০:৩৩

এখনও জোয়ারে ভাসতে হয় উপকূলবাসীকে

sidor-bargu
২০০৭ সালের ১৫ই নভেম্বর, এই দিনে ঘূর্ণিঝড় সিডর লণ্ডভণ্ড করে দেয় বরগুনাসহ উপকূলের কয়েকটি জেলা। ভয়াল দিনটির পর কেটে গেছে ১০ বছর, ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে উপকূলবাসী। কিন্তু এখনও নদীপাড়গুলোতে বিধ্বস্ত অবস্থায় আছে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। এত বছর পরও জোয়ারের পানিতে ভাসতে হয় অনেক এলাকার মানুষকে। তবে জেলা প্রশাসন বলছে, সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে। ২০০৭ সালের এই দিনে ঘণ্টায় ২শ ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাসের সাথে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১০ থেকে ১২ ফুট উচ্চতার পানি আঘাত হানে বরগুনায়। পানির চাপে পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীপাড়ের বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ভাসিয়ে নিয়ে যায় ৬৮ হাজার ৩শ ৭৯টি ঘরবাড়ি, পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয় ৩৭ হাজার ৬৪ একর জমির ফসল। আর প্রাণ হারায় এ জেলার ১ হাজার ৪'শ ৩৫ জন মানুষ।

বিধ্বস্ত গ্রামগুলোতে ঘরহারা মানুষগুলোর সবাই সরকারি ভাবে ঘর না পেলেও নিজেদের প্রচেষ্টায় সাধ্যমত তৈরি করেছেন আবাসস্থল। তবে এখনও প্রতি মাসের বড় জোয়ারে পানি ঢুকে ভাসিয়ে নিয়ে যায় আসবাবপত্র,খাদ্য সামগ্রীসহ সবকিছু। এর কারণ এখনও নদীপাড়গুলোতে বিধ্বস্ত অবস্থায় আছে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার বেড়িবাঁধ।

বাঁধগুলো পরিদর্শন করে মেরামত জরুরি বলে মনে করেন বরগুনা জেলা প্রশাসক মোখলেছুর রহমান। তাই পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

ঘূর্ণিঝড় সিডরে বরগুনা জেলার প্রায় অর্ধ লক্ষাধিকেরও বেশি ঘড়-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। ঘূর্ণিঝড়ের পরে মাত্র ৫ হাজার পরিবারকে বসতঘর দেয়া হয়। বাকিরা নিজেদের প্রচেষ্টায় তৈরি করে নিয়েছেন তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই।

এছাড়া নদীপাড় গুলোতে ৩শ কিলোমিটারেরও বেশি বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত হয়। যার স্থায়ী মেরামত কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড, তবে উপকূলের নদীপাড় গুলোতে এখনও দেখা মিলছে এমন বিধ্বস্ত বেড়িবাধের চিত্র।

পিএস/




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে