আপডেট
১৪-১১-২০১৭, ১৪:৪৮

রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে মিয়ানমারের প্রতি জাতিসংঘ-কানাডার তাগিদ

untitled-4-jpg-ed
বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফেরত নিতে মিয়ানমারের প্রতি তাগিদ দিয়েছে জাতিসংঘ ও কানাডা। সোমবার ফিলিপিন্সে আসিয়ান সম্মেলনে বক্তব্যে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়ার অঙ্গীকার করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস রাখাইন সংকট নিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় উদ্বেগ জানান। একইদিন রোহিঙ্গা ইস্যুতে অং সান সু চির সঙ্গে আলাদা বৈঠকে বসেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন।

রোববার ফিলিপিন্সে আসিয়ান সম্মেলনের পার্শ্ব বৈঠকে মিলিত হন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হলেও, এ বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্ন এড়িয়ে যান সু চি। একই কাজ করেন টিলারসনও।

এদিন জাতিসংঘ মহাসচিবও মিয়ানমার নেত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে নিরাপদে ফিরিয়ে নিতে সু চির প্রতি আহ্বান জানান বলে সংস্থার এক বিবৃতিতে জানানো হয়।

একইদিন আসিয়ান সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বিশ্ব নেতাদের বক্তব্যে উঠে আসে রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গ। কানাডার প্রধানমন্ত্রী রাখাইনে সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী  জাস্টিন ট্রুডো বলেন, 'আমরা কূটনৈতিক উপায়ে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কাজ করে যাচ্ছি। কানাডা আসিয়ানের সদস্যরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে চলমান সমস্যা সমাধানে একযোগে কাজ করে যাবে। এ বিষয়ে আমরা বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।'

জাতিসংঘ মহাসচিব তার বক্তব্যে নীপিড়ন ও বঞ্চনার শিকার রোহিঙ্গারা চরপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, 'রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে আমি আমার উদ্বেগ উৎকণ্ঠা গোপন করতে পারি না। মিয়ানমারে সহিংসতার শিকার হয়ে লাখ লাখ মানুষ বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে। এ ঢল এখনো চলছে। এমন পরিস্থিতি কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এ সমস্যা সমাধানে বিশ্ব সম্প্রদায় এখনি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নিলে অবস্থা আরও জটিল হয়ে উঠবে।'

এর আগে সোমবার মিয়ানমার স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি রাখাইনে ত্রাণ সরবরাহে রাজি হওয়ার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আনান কমিশনের সুপারিশমালা বাস্তাবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ফিলিপিন্স সরকারের মুখপাত্র হ্যারি রক আরও জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার তিন সপ্তাহের মধ্যে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ করার কথা জানিয়েছেন সু চি।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে