আপডেট
১৪-০৯-২০১৭, ০৭:৩৬

এবার কৃষি ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার ফল নিয়ে বিতর্ক

6bc9c649b0dfb5c9be0b5647504
রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংকের পর কৃষি ব্যাংকের অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষার ফল নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন বিতর্ক। ২১ জুলাই অনুষ্ঠিত কৃষি ব্যাংকের প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষার ফল ভুল হয়েছে বলে দাবি পরীক্ষার্থীদের। এ বিষয়ে খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করতে চাইলে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা বন্ডের দাবি করার হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে প্রকাশিত ফলকে সুষ্ঠু বলে দাবি করেছে সিলেকশন কমিটি।

তরুণদের এ হতাশা দীর্ঘশ্বাস আর আক্ষেপ যেন প্রতি পদেই ডেকে আনছে আগামীর অন্ধকার। জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের প্রশ্ন ফাঁসের তিক্ত অভিজ্ঞতার সঙ্গে সবশেষ যোগ হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষা।

গত ২১ আগস্ট ফলাফল প্রকাশের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। এমসিকিউ পদ্ধতিতে নেয়া এ পরীক্ষার নির্ধারিত কাট মার্কসের সাথে প্রাপ্ত নম্বরের গরমিল দাবি করেন তারা।

পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, কেউ ৬৩.৭৫ পেয়ে টিকছে আবার কেউ ৭০+ পেয়েও টিকে নাই। যাদের বয়স শেষের দিকে তারা এমন দুর্নীতি কিভাবে মেনে নিবে?

ফলাফল প্রকাশের ২দিন পর উত্তরপত্রের পুন:মূল্যায়নের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে একজোট হয়েছিলেন পরীক্ষার্থীরা। ছিল চ্যালেঞ্জের প্রস্তুতিও, কিন্তু তা গ্রহণ করা দূরের কথা উল্টো বন্ড হিসেবে ১ লাখ টাকা দাবি করেন ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি। এমনই অভিযোগ তাদের।

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খন্দকার ইব্রাহীম বলেন, 'খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য এক লক্ষ টাকা দাবি করা এক প্রকার অত্যাচার । এটি কোন আইনের মধ্যে পরতে পারে না।'

তবে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যসচিব মোশাররফ হোসেন বলেন খাতার পুন: মূল্যায়নে ১ লাখ টাকা বন্ড রাখার বিষয়টি সঠিক নয় দাবি করে দায় চাপান প্রশ্নকর্তার ওপর।

তিনি বলেন, 'কোন বিষয়ে দায় চাপানোর আগে বাস্তবতা দেখা দরকার। আমার কাছে কোন রেকর্ড নেই। আমি কি পরীক্ষা নিয়েছি? খাতা কি হাতে দেখেছে? খাতা দেখেছে কম্পিউটার। ফলে এখানে কোন সন্দেহ সংশয় নেই।'

তিনি আরো বলেন, 'একজন শিক্ষককে অনুরোধ করে পরীক্ষা নেওয়ানো হয়। এখন যদি তাকে বিরক্ত করা হয়। সামাজিকভাবে ছোট করা হয় তাহলে তারা তো আর পরীক্ষা নেওয়ার জন্য এগিয়ে আসবে না।'

এদিকে একাধিকবার চেষ্টা করার পরও কথা বলেননি পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিনান্স বিভাগের চেয়ারম্যান মো. কিসমাতুল আহসান।

স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিহার করে পদ্ধতিগত পরিবর্তনের পাশাপাশি ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটিকে আরো যত্নবান হবার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

এ বিষয়ে খন্দকার ইব্রাহীম বলেন, 'আপনারা চেক করে ৪-৫ টা সিলেকশন করেন। যারা স্ট্যান্ডার মেইনটেনেন্স করতে পারবে। তারপর এই ৫টার মধ্যে কে কাজটা করবে তাকে কাজটা দিয়ে দেন।'

আগামী ১৫ই সেপ্টেম্বর প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণদের ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় বসার কথা রয়েছে।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে