SOMOYNEWS.TV

টাকার অভাবে দেশে ফেরা অনিশ্চিত এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীমের

Update: 2017-06-19 20:24:43, Published: 2017-06-19 20:24:44
musha-ibrahim-copy
ওশেনিয়া অঞ্চলের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট কার্সটেঞ্জ পিরামিডে বাংলাদেশের পর্বতারোহী মুসা ইব্রাহীমকে উদ্ধার করা হলেও দেশে ফিরতে পারছেন না তিনি। মুসা ইব্রাহীম সহ আরও দুই জন পর্বতারোহীকে উদ্ধারকারী তিমিকা'র হেলিকপ্টার কোম্পানি - এশিয়াওয়ান (AsiaOne) আটকে রেখেছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মাধ্যমে জানান তিনি।

 মুসা ইব্রাহীম এবং আরও কয়েকজন অভিযাত্রীর একটি দল ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া প্রদেশে মাউন্ট কার্স্টেনজ পিরামিড শৃঙ্গ আরোহণ করতে গিয়ে পথেই আটকা পড়েন। প্রায় পাঁচ দিন ধরে তারা আটকে ছিলেন কার্সটেঞ্জ পিরামিডের বেইজ ক্যাম্পে।

পরে দুই দফা উদ্ধার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর আবহাওয়া কিছুটা ভালো হলে বাংলাদেশ সময়  সাড়ে ৫টার দিকে হেলিকপ্টারে পাপুয়া প্রদেশের তিমিকা বিমানবন্দরে পৌঁছান মুসা। তার সঙ্গে এই অভিযানে ছিলেন ভারতের এভারেস্টজয়ী দুই পর্বতারোহী সত্যরূপ সিদ্ধান্ত ও নন্দিতা চন্দ্রশেখর।

এরপরেই বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে মুসা ইব্রাহীম জানান, তি'মিকা'র হেলিকপ্টার কোম্পানি 'এশিয়াওয়ান (AsiaOne)' বেইজ ক্যাম্প থেকে নিয়ে আসার খরচ ১১ হাজার ডলার দাবি করেছে। এই পরিমাণ অর্থ না দেওয়ার কারণে তাদেরকে পাসপোর্ট আটকে  গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 



সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া মুসা ইব্রাহীমের স্ট্যাটাসে যা রয়েছে, "আমাদের পাসপোর্ট অবৈধভাবে বাজেয়াপ্ত করে গৃহবন্দী করে রেখেছে তিমিকা'র হেলিকপ্টার কোম্পানি - এশিয়াওয়ান (AsiaOne)। উদ্ধার পেয়েছি বেস ক্যাম্প থেকে, কিন্তু উদ্ধার হচ্ছে না হেলি কোম্পানির হাত থেকে। অ্যাডভেঞ্চার কিন্তু এখনও শেষ হয়নি।

যে হেলিকপ্টার কোম্পানি - এশিয়াওয়ান - আমাদের বেস ক্যাম্প থেকে নিয়ে এসেছে, তারা আমাদের পাসপোর্ট অবৈধভাবে বাজেয়াপ্ত করে গৃহবন্দী করে রেখেছে। তাদের দাবি - তাদেরকে তিনবার তিমিকা থেকে বেস ক্যাম্প পর্যন্ত ফ্লাই করার খরচ দিতে হবে (১১০০০ ইউএস ডলার)। কিন্তু গতকাল রবিবার তারা নিজেরাই দেরি করে সকাল ১০টায় বেস ক্যাম্পের দিকে গিয়েছিল,
ততোক্ষণে আবহাওয়া খারাপ হয়ে গিয়ে হেলিকপ্টার ফিরে এসেছে তিমিকায়, যা কি না পুরোটাই হেলিকপ্টার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। কারণ আমরা সকাল ৬টা থেকে প্রস্তুত ছিলাম।
আজ সোমবার তারা সকালে আমাদের বেস ক্যাম্পের পাশের একটা জায়গা থেকে প্রথমবার গিয়ে ফিরে আসে। আমরা দেখতে পেয়েছিলাম হেলিকপ্টার, কিন্তু তারা প্রথমবার উদ্ধার না করেই ফিরে আসে।

 দ্বিতীয়বার আমরা পতাকা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম যেন হেলিকপ্টার দেখা মাত্রই তা উড়িয়ে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারি এবং তা করেছি। এখন হেলিকপ্টার কোম্পানির কথা হলো, তাদেরকে পুরো তিনবারের টাকা দিতে হবে।

আমরা, Satyarup Siddhanta, Nandita Cn এবং আমি - ৮ হাজার ডলার পর্যন্ত দিতে রাজি হয়েছি এবং সে মোতাবেক Franky Kowaas-এর প্রতিষ্ঠান মানাডো অ্যাডভেঞ্চারকে টাকা দেয়ার প্রক্রিয়া সত্যরূপ শুরু করেছে। ইতিমধ্যে সাড়ে চার হাজার ডলার দেয়া হয়েছে। কিন্তু হেলিকপ্টার কোম্পানি এশিয়াওয়ানের জ্যাকব-এর (+628122312558) দাবি- তাকে পুরো টাকাটা (১১ হাজার ডলার) দিতে হবে।"

''চিন্তা করছি যে, ফিরতে পারবো তো দেশে???"

Update: 2017-06-19 20:24:43, Published: 2017-06-19 20:24:44

More News
loading...

সর্বশেষ সংবাদ



Contact Address

Lavel-9, Nasir Trade Centre,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205.
Fax: +8802 9670057, Email: info@somoynews.tv
উপরে