আপডেট
১৯-০৬-২০১৭, ০৭:১৭

ইলিশ মৌসুমের জন্য সাজছে জেলেদের নৌকা, শঙ্কা কেবল জলদস্যু

fisherman
ইলিশ মৌসুম সামনে, তাই উপকূলের জেলেরা ব্যস্ত জাল, দড়ি আর ট্রলার মেরামতে। গভীর সমুদ্রে জেলেদের প্রধান সমস্যা 'জলদস্যু'। তাই জলদস্যু নির্মূলে গত বছরের মতো প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত রাখার দাবি জেলেদের। আর পুলিশ প্রশাসন বলছে, জলদস্যু নির্মূলে সব সময় পাশে রয়েছে তারা।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার মাছ ধরা ট্রলার নির্মাণের ডকগুলোতে দম ফেলার সময় নেই ট্রলার নির্মাতাদের। পুরানো ট্রলার মেরামত ও নতুন ট্রলার তৈরিতে ব্যস্ত তারা। মৌসুম শুরু হলে এই ট্রলারগুলো নিয়েই গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে নামবেন জেলেরা। তাই দিন যতোই ঘনিয়ে আসছে ডকগুলোতে বাড়ছে কর্মব্যস্ততা।

ট্রলার নির্মাণ শ্রমিকরা বলেন, 'মালিকেরা তারাভুরা করছে।তাদের ট্রলার বানায় বুঝিয়ে দিতে হবে। মৌসুম সামনে আমাদের প্রচুর কাজের চাপ। ৫ টা ট্রলার তৈরি করবো সাড়ে ১১ লক্ষ টাকায়। ১০ জন লোক খাটছে।'

এদিকে জাল গুছাতে ব্যস্ত জেলেরা। গত বছর প্রশাসনের তৎপরতায় আত্মসমর্পণ করে একের পর এক জলদস্যু বাহিনী। ফলে সমুদ্রে নির্বিঘ্নে মাছ ধরতে পেরেছে জেলেরা। এ বছরও মৌসুমের শুরু থেকে জলদস্যু নির্মুলে প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা রাখার দাবি তাদের।  

জেলেরা বলেন, 'জাল গোছগাছ করে আমরা সাগরে যেন যেতে পারি। গত বছরের মত যেন আমরা নিরাপত্তা পাই। ঠিকমত নিরাপত্তা পেলে মাছ ধরে সংসার চালাতে পারবো। গেল বছর ডাকাত বন্ধ করে দিছে আমরা শান্তিতে ব্যবসা করছি।'

জেলা পুলিশের এই কর্মকর্তা জানালেন,জেলেরা তথ্য দিয়ে সহায়তা করলে গত বছরের থেকেও বেশি তৎপর থাকবেন তারা।


পুলিশ সুপার বলেন, 'যারা মাছের ব্যবসায়ী তাদের প্রতি আমাদের আহবান আপনারা তথ্য পেলে আমাদের সহযোগিতা করুন। আপনার নিশ্চিন্তে মাছ ধরুন। কেউ আপনাদের কোন প্রকার বাধা দিতে পারবে না।'

বর্ষা মৌসুমে মাছ ধরার জন্য প্রতিটি ট্রলারে ১০ থেকে ১৫ জন জেলে পহেলা আষাঢ় গভীর সমুদ্রে যাবেন। মৌসুম চলবে অগ্রহায়ণ পর্যন্ত।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে