আপডেট
২১-০৪-২০১৭, ০৯:০১

অবৈধ হওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ নিয়ে আতঙ্কে পেশাজীবীরা

certificate-ed
অবৈধ ঘোষণা করা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন অনেক পেশাজীবী। ভুক্তভোগীদের দাবি-বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জালিয়াতির দায় শিক্ষার্থীকে বহন করতে হলে বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হবেন তারা।
তড়িঘড়ি করে নয় বরং সঠিক তদন্ত করে এ সনদধারীদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। আর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বলছে, ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে শিক্ষার্থীরা।

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের কমপক্ষে ২৩ জন শিক্ষক বিভিন্ন সময়ে বি-এড সনদ নিয়েছেন দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রধান শিক্ষকের সনদ অবৈধ বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে তদন্তে নামে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

অভিযুক্ত শিক্ষকের দাবি-সাভারের গণকবাড়ি মূল ক্যাম্পাস থেকে সনদ নিলেও তদন্ত করা হয়েছে ধানমণ্ডি ক্যাম্পাসের ঠিকানায়। তাই পুন:তদন্তের আবেদন করেছেন তিনি। সংশ্লিষ্ট শাখায় তদন্ত না করার বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত অন্য শিক্ষকরাও।

আদালতের নির্দেশে কার্যক্রম বন্ধ হওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের গণকবাড়ি শাখার সাবেক কর্মকর্তারা জানান, তাদের দেয়া সনদের ব্যাপারে প্রায়ই তদন্তে আসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর জানায়-সম্প্রতি বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানের সনদের ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ পালন করবেন তারা।


সংশ্লিষ্টদের দাবি-২০১১ সাল পর্যন্ত নেয়া সনদ সঠিক বলে জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অন্তত সে সিদ্ধান্ত বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন সনদধারী পেশাজীবীরা।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে